Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জাকাত অনাদায়ের পরিণতি

জাকাত অনাদায়ের পরিণতি
জাকাত অনাদায়ের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ, ছবি: সংগৃহীত
মুফতি রহিমুল্লাহ শরীফ
অতিথি লেখক
ইসলাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামের মূল পাঁচ রোকনে একটি হলো- জাকাত। নামাজ ও রোজাকে শারীরিক ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়। আর হজকে শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতের সমন্বয় হিসেবে গণ্য করা হয় ৷ নিরেট আর্থিক ইবাদত একমাত্র জাকাত।

জাকাত কী?
আরবি জাকাত শব্দের অর্থ বৃদ্ধি পাওয়া, পবিত্রতা, পরিশুদ্ধি ৷ বাহ্যিক দৃষ্টিতে দেখা যায়, জাকাত দানে সম্পদ কমে যায় ৷ কেননা একশ’ টাকার জাকাত আড়াই টাকা দেওয়ার পর অবশিষ্ট থাকে সাড়ে সাতানব্বই টাকা ৷ তাহলে সম্পদের বৃদ্ধি কোথায়?

মূলতঃ জাকাত দেওয়ার কারণে আল্লাহ তাকে এমন আগাম বিপদ থেকে রক্ষা করেন, যা তার জানা ছিল না ৷ হয়ত সেই বিপদে পতিত হলে অনেক বেশি টাকা তাকে খরচ করতে হতো ৷ জাকাতের অল্প টাকা ব্যয় করে বিরাট অঙ্কের টাকা ব্যয় করা থেকে সে বেঁচে গেল, এটাই বৃদ্ধি।

জাকাতের প্রয়োজনীয়তা
জাকাতের অংশটুকু সম্পদের ময়লা, এটা বের না করলে পুরো সম্পদ ময়লাযুক্ত হয়ে ব্যবহার অযোগ্য হবে ৷ যেমন কেউ এক হাজার টাকা খরচ করে জামা তৈরি করল, কয়েকবার ব্যবহারের পর জামাটি ময়লা হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ল ৷ এখন ৮-১০ টাকা খরচ করলে পুরো জামাটা পরিচ্ছন্ন হবে আবার ব্যবহারযোগ্য হবে ৷ এমনিভাবে শতকরা আড়াই টাকা হারে জাকাত দিলে পুরো সম্পদটাই পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হবে এবং ব্যবহারযোগ্য হবে ৷

মানুষ যদি মনে করে, এত কষ্ট করে অর্থ উপার্জন করেছি, কেন আমি তা থেকে অন্যকে দেব? এ কথা তো অনেকটা ওই ব্যক্তির ভাবনার মতো হবে, যে আঙুর, বেদানা, ফল-ফলাদি ইত্যাদি ভিটামিন জাতীয় অনেক খেয়েছে। এবার ভাবছে, এগুলো আমি পেট থেকে বের হতে দেবো না ৷ কারণ অনেক পয়সা খরচ করে আমি খেয়েছি ৷ স্বাভাবিকভাবে যখন সে পেট থেকে বের হতে দেবে না, ২৪ কিংবা ৪৮ ঘন্টা পর দেখা যাবে অপারেশন করে হলেও তাকে তা বের করতে হবে ৷

এমনিভাবে কেউ যদি স্বাভাবিকভাবে জাকাতের অর্থ ব্যয় করতে কার্পণ্য করে, দেখা যাবে আল্লাহ এমন অবস্থা সৃষ্টি করে দেবেন শুধু আড়াই টাকা নয় আড়াই লাখ টাকা তাকে খরচ করতে হবে ৷ তাই সম্পদের মালিককে বুঝতে হবে, জাকাত তার হক নয়, গরীব-মিসকিনের হক ৷ তাদেরকে তাদের হক কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব করে দিয়ে দিতে হবে ৷

ইসলামি পরিভাষায় জাকাত
ইসলামি পারিভাষায় জাকাত হচ্ছে, মুসলিম বিত্তবানদের (নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক) ধন-সম্পদে আল্লাহ নির্ধারিত সেই অপরিহার্য অংশ, যা সম্পদ ও আত্মার পবিত্রতা, সম্পদের ক্রমবৃদ্ধি সাধন এবং সর্বোপরি আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় শরিয়ত নির্ধারিত খাতে ব্যয়-বন্টন করার জন্য দেওয়া হয় ৷

জাকাতের গুরুত্ব
ইসলামি শরিয়তে জাকাতের গুরত্ব নামাজের গুরুত্বের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় ৷ কোরআনে কারিমের অধিকাংশ জায়গায় নামাজের সঙ্গে জাকাতের আদেশও দেওয়া হয়েছে ৷ যেমন ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত প্রদান করো।’ -সূরা বাকারা: ১১০

হজরত আবু বকর (রা.)-এর খেলাফত লাভের পর একদল লোক জাকাত দিতে অস্বীকার করে। হজরত আবু বকর (রা.) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন ৷ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর কসম আমি সেসব লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ গোষণা করব, যারা নামাজ ও জাকাতের মাঝে পার্থক্য করে ৷ নামাজ শরীরের হক আর জাকাত হলো- সম্পদের হক ৷ আল্লাহর কসম কেউ যদি একটি উটের বাচ্চা অথবা একটি উটের রশি জাকাত হিসেবে দিতে অস্বীকার করে যা রাসূলের যুগে দিয়েছিল, আমি তার বিরুদ্ধেও লড়াই করব।’

দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত
দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাতের গুরুত্ব অপরিসীম। হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবি হজরত মুয়াজ (রা.) কে ইয়েমেনে প্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘তুমি তাদেরকে জানিয়ে দেবে, আল্লাহ তাদের ওপর জাকাত ফরজ করেছেন, যা ধনীদের নিকট থেকে নেওয়া হবে আর দরিদ্র্যদের মাঝে বন্টন করে দেওয়া হবে।’ আল্লাহ জাকাতের অর্থ ব্যয়ের খাত হিসেবে প্রথমে ফকির-মিসকিনের কথা উল্লেখ করেছেন ৷ এতে বুঝা যায়, দারিদ্র্য বিমোচন জাকাতের মূল লক্ষ্য ৷ আল্লাহ বলেন, ‘তুমি তাদের সম্পদ হতে জাকাত গ্রহণ করো, যা দ্বারা তুমি তাদেরকে পবিত্র করবে আর তাদের জন্য দোয়া করো, নিঃসন্দেহে তোমার দোয়া তাদের জন্য প্রশান্তির কারণ আর আল্লাহ খুব শোনেন, খুব জানেন।’ -সূরা তাওবা: ১০৩

জাকাত না দেওয়ার পরিণাম
কোরআন-হাদিসে জাকাত আদায় না করায় কঠিন শাস্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছে ৷ এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ যাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে সম্পদ দান করেছেন তাতে তারা কৃপণতা করে, (জাকাত আদায় না করে) এটা যেন তারা কিছুতেই কল্যাণকর মনে না করে বরং এটা তাদের জন্য অকল্যাণকর ৷ যাতে তারা কৃপণতা করবে কিয়ামতের দিন তা তাদের গলার বেড়ি হবে।’ ¬-সূরা আলে ইমরান: ১৮০

অন্য আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জিভূত করে রাখে এবং সেসব আল্লাহর পথে ব্যয় করে না (অর্থাৎ জাকাত আদায় করে না) তাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সংবাদ দাও ৷ সেদিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং এসব দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশে দাগ দেওয়া হবে, সেদিন বলা হবে, এটা তোমার সেই সম্পদ যা তুমি পুঞ্জিভূত করে রেখেছিলে ৷ সুতরাং এর শাস্তি আস্বাদন করো ৷’-সূরা তওবা: ৩৪-৩৫

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যাক্তিকে আল্লাহ ধন-সম্পদ দান করেছেন আর সে ধন-সম্পদের জাকাত আদায় করেনি সেই সম্পদ কিয়ামতের দিন মাথায় টাক পড়া সাপে পরিণত হবে ৷ এ সাপের দু’চোখের ওপর দু’টি কালো দাগ থাকবে (অর্থাৎ খুবই বিষধর সাপ) ৷ এরপর এ সাপ গলায় বেড়ি হয়ে সেই ব্যাক্তির দুই চোয়াল আকড়ে ধরে দংশন করবে আর বলবে, আমি তোমার মাল আমি তোমার সঞ্চিত সম্পদ ৷’-সহিহ বোখারি: ২/১০৬

অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘কিয়ামতের দিন তোমাদের সম্পদ বিষধর সাপের রূপ ধারণ করবে ৷ মালিক এর থেকে পলায়ণ করবে, সাপ মালিককে খুঁজতে থাকবে ৷ পরিশেষে সে মালিককে পেয়ে যাবে এবং তার আঙ্গুলগুলোকে লোকমা বানিয়ে মুখে পুরবে ৷’-মুসনাদে আহমদ: ১৩/৫১৩

লেখক: মুহাদ্দিস, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার কক্সবাজার।

আপনার মতামত লিখুন :

হজযাত্রীদের ধর্মীয় পরামর্শক দলে আরও ৩ আলেম

হজযাত্রীদের ধর্মীয় পরামর্শক দলে আরও ৩ আলেম
হজযাত্রীদের ধর্মীয় পরামর্শক দলে আরও ৩ আলেমকে অন্তর্ভুক্ত করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের হজপালন বিষয়ে ধর্মীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য গঠিত ওলামা-মাশায়েখদের দলে যোগ হয়েছেন আরও তিন আলেম। এখন ওই দলের সদস্য সংখ্যা ৫৭। এর আগে ৯ জুলাই ৫৫ জন আলেমের একটি দল গঠন করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

তালিকায় যোগ হওয়া ওই তিনজন হলেন- হাইয়াতুল উলইয়ার কো-চেয়ারম্যান মাওলানা আশরাফ আলীর ছেলে হাফেজ মাওলানা মুফতি শামীম আহমদ (মুহাদ্দিস, মাদরাসাতুল আবরার, মাতুয়াইল, ঢাকা), বেফাক মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দসের ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ মঞ্জুরুল হাসান যোবায়ের (শিক্ষক, ফরিদাবাদ মাদরাসা, ঢাকা) ও মাওলানা সাজিদুর রহমান (মুহতামিম, দারুল আরকাম মাদরাসা, বি.বাড়িয়া)। তন্মধ্যে মাওলানা আশরাফ আলী ও মাওলানা আবদুল কুদ্দুস ওলামা-মাশায়েখদের দলে আগেই ছিলেন। এবার তালিকায় তাদের সঙ্গে সন্তানরাও যোগ হলেন। 

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন 

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শিব্বির আহমদ উছমানি স্বাক্ষরিত এক চিঠির বরাতে ওলামা-মাশায়েখদের হজ পালনের বিষয়টি জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় খরচে হজযাত্রীদের প্যাকেজে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান সাপেক্ষে ওলামা-মাশায়েখদের হজপালনে এবারই প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ৪ ও ৫ আগস্ট ফ্লাইট প্রাপ্তি সাপেক্ষে ওলামা-মাশায়েখদের দলটি সৌদি আরবে যাবেন। ২৩ আগস্ট তারা দেশে ফিরে আসবেন। রাষ্ট্রীয় খরচে হজ সফর হিসেবে গণ্য হবে। মনোনীত আলেমদের কোরবানি নিজ খরচে করতে হবে। মক্কা-মদিনায় তাদের ভ্রমনসূচি হজ কাউন্সিলর কর্তৃক নির্ধারিত হবে, তারা নিজ অর্থায়নে হলেও স্ত্রী-সন্তানসহ গমন করতে পারবেন না।

এদিকে ১৪ জুলাই বাংলাদেশিদের হজ ব্যবস্থাপনার কাজে সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য ১০ সদস্য বিশিষ্ট হজ প্রতিনিধি দল গঠন করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ওই দলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাসহ তিনজন প্রতিমন্ত্রী, তিনজন সংসদ সদস্য, দু্’জন সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মহাপরিচালক (মহাপরিচালক-৩) রয়েছেন।

এই দুই দল ছাড়াও বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জেদ্দা, মক্কা ও মদিনায় সহায়তা করতে সরকার বেশ কয়েকটি টিম গঠন করে সৌদি আরব প্রেরণ করেছে। দলগুলো হলো- হজ চিকিৎসক দল, হজ প্রশাসনিক দল, হজ কারিগরি দল ও হজ চিকিৎসক দলের সহায়ক দল।

আরও পড়ুন:

হজযাত্রীদের পরামর্শ দিতে ৫৫ আলেমকে সৌদি পাঠাচ্ছে সরকার

সিইসিসহ হজ প্রতিনিধি দলে ৩ মন্ত্রী, ৩ এমপি

উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন হজযাত্রী হজপালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন।

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার

নবীর রওজার গিলাফ উপহার পেলেন ব্রিটিশ বক্সার
নবীর রওজার গিলাফের টুকরা দেখাচ্ছেন আমির খান, ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত জনপ্রিয় ব্রিটিশ বক্সার আমির ইকবাল খান এক বক্সিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সৌদি আরব সফরে রয়েছেন। তিনি জেদ্দায় অস্ট্রেলিয়ান বক্সার বিলি ডিবের বিপক্ষে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন। সৌদি আরব যেয়ে তিনি বিশেষ ব্যবস্থায় ওমরা পালন করেছেন। সেই সঙ্গে নবী করিম (সা.)-এর রওজা শরিফের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত গিলাফের একটি টুকরা পেয়েছেন উপহার হিসেবে।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে ব্রিটেনের হয়ে অলিম্পিক পদকজয়ী এই বক্সিং চ্যাম্পিয়ন স্ত্রী ফারিয়াল মাকদুমকে নিয়ে কাবা চত্ত্বরে দাঁড়িয়ে ইহরাম পরিহিত ও রওজার গিলাফের একটি ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেছেন। গিলাফের ওই টুকরাটি সবুজ কাপড়ের। সেখানে সাদা রংয়ের ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা লেখা রয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563289158690.jpg

আমির খান সম্মাননা পাওয়া রওজার গিলাফের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওজা শরিফের এক টুকরো কাপড় পেয়ে সম্মানিত ও খুব সৌভাগ্যবান। এটা আমার পুরো জীবনের জন্য উপভোগের বিষয়।’

প্রতি বছরই নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা শরিফের গিলাফ এবং কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। পরে গিলাফের অংশ বিশ্বের খ্যাতনামা আলেম ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা হিসেবে উপঢৌকন দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মাদ আলীর পর মুসলিম বক্সার হিসেবে পরিচিত ও জনপ্রিয় মুষ্টিযোদ্ধা আমির ইকবাল খান এ উপহার পেলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র