সরকারি হজগাইড হিসেবে নিয়োগ পেল ১৪৯ জন

ইসলাম ডেস্ক

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনেচ্ছু ৭ হাজার হজযাত্রীর জন্য ১৪৯ জন হজগাইডের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এবার হজগাইড হিসাবে নিয়োগ পেতে মোট ৩১৯ জন আবেদন করেছিল। সেখান থেকে সাক্ষাতকারের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ১৪৯ জন নিয়োগ পেলেন।

জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি এবং হজ গাইড নির্দেশিকা অনুযায়ী বিভিন্ন শর্তে তাদের এ নিয়োগ দেওয়া হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (হজ-২) এস এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানা গেছে।

হজগাইড হিসেবে নির্বাচিতরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় একজন সাধারণ হজযাত্রী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং সাধারণ হজযাত্রীদের যে সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে, তিনি তা প্রাপ্য হবেন। যেমন, তার ঢাকা-জেদ্দা/মদিনা-ঢাকার বিমান ভাড়া, সৌদি আরবে প্রদেয় বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ ও পরিবহন ফি, প্যাকেজে বর্ণিত খাওয়া ও বাড়ি ভাড়া সরকার বহন করবে। তবে কোরবানিসহ অন্য কোনো প্রয়োজনে সরকার থেকে কোনো অর্থ প্রদান করা হবে না।

হজে সরকারি ব্যবস্থাপনাধীন হজযাত্রীদের গাইড করা এবং মিনা, আরাফা, মুজদালিফা ও অন্যান্য স্থানে হজযাত্রীদের সেবা প্রদানে হজগাইড কাজ করবেন। প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে ৩১টি শর্ত পালনের কথা বলা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, হজগাইডকে তার ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনার প্রতি ৪৫ জন হজযাত্রীর জিম্মাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হজগাইড। তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে বিনীত, নম্র ও ভদ্র আচরণ করবেন। হজযাত্রীদের হজের আরকান-আহকাম ও হজের সফরের যাবতীয় বিষয়াদি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সব দায়িত্ব পালন করবেন। প্রত্যেক হজগাইডকে শরিয়ত ও সুন্নতের অনুসারী হতে হবে।

কোনো গাইড হজযাত্রীর কাছ থেকে বখশিশ, সম্মানী কিংবা কোনো উপহার গ্রহণ করতে পারবেন না। তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনে জড়িত হতে পারবেন না। হজগাইডকে হজযাত্রা শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত নিজ দলের হজযাত্রীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান করবেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ বাংলাদেশি হজ পালনে সৌদি যাবেন। তন্মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার ১৯৮ জন।

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন

আপনার মতামত লিখুন :