Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শ্রীজাতের ওপর হামলা, তীব্র নিন্দায় শঙ্খ ঘোষ, শীর্ষেন্দু মুখার্জির

শ্রীজাতের ওপর হামলা, তীব্র নিন্দায় শঙ্খ ঘোষ, শীর্ষেন্দু মুখার্জির
কবি শ্রীজাত
কলকাতা ডেস্ক


  • Font increase
  • Font Decrease

কবি শ্রীজাত কবিতা পাঠ করতে গিয়েছিলেন আসামের শীলচর শহরে। সেখানে কিছু উগ্রহিন্দুত্ববাদী মানুষ তাকে আক্রমণ করে। তার কবিতাপাঠে বাধা দেয়। কিন্তু তিনি বাধা অতিক্রম করে ফিরে এসেছেন। সারাদেশ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা, ধিক্কার জানাচ্ছে।

বিশিষ্ট লেখক শঙ্খ ঘোষ এবং শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাধারাণ মানুষ, যারা সত্যিকার অর্থে কবিতার পাঠক তারাও এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।

সবার চাওয়া, একজন কবিকে তার মুক্তচিন্তা, লেখতে দেওয়া এবং বলতে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আমরা যেনো এ অশান্তিগুলোকে প্রশ্রয় না দেই।

আপনার মতামত লিখুন :

তৃতীয় বিয়ের ইচ্ছেই কাল হল ভারতের ধোসার স্রষ্টার

তৃতীয় বিয়ের ইচ্ছেই কাল হল ভারতের ধোসার স্রষ্টার
ধোসার স্রষ্টা পি রাজা গোপাল, ছবি: সংগৃহীত

একেবারে গরিব পরিবার বলতে যা বোঝায়, সেই পরিবারের ছেলে ছিলেন ধোসার স্রষ্টা অর্থাৎ পি রাজা গোপাল। নিবাসের জন্ম তামিলনাড়ুর একটি অখ্যাত গ্রামে। বাবা ছিলেন পেঁয়াজের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। এমন একটা সময় গিয়েছে রাজা গোপালের জীবনে, যেখানে অন্যের ছেঁড়া জামাকাপড়ই ছিল মহার্ঘ বস্তুর সমান। সেই রাজা গোপালই একদিন চমকে দিয়েছিলেন খাদ্য রসিকদের। বিশ্বজুড়ে তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়েছিল ধোসা কিং বা ধোসা মাস্টার নামে। নিজের গ্রামেই গড়ে তুলেছিলেন সারাভানা ভবন। যে ভবনে খাদ্যের সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রাজাগোপাল। তাঁর ধোসা সম্রাট হয়ে ওঠার কাহিনীও অনেকটা রূপকথার মতোই।

সময়টা ১৯৮১ সাল। আজকের চেন্নাই অর্থাৎ তৎকালীন মাদ্রাসে একটি ছোট্ট মুদির দোকান খুলে বসেন রাজাগোপাল। কিছুদিন পর দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিয়ে মুদির দোকান পরিবর্তন করে খুলে ফেললেন একটি রেস্তরাঁ। সেখানে দক্ষিণ ভারতীয় খাবার তৈরিতে রাজা গোপালের চলতো নিত্যনতুন পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ।

এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে একে একে তাঁর ফর্মুলাতেই তৈরি হতে থাকল ধোসা, ইডলি ও বড়া। স্বাদে অতুলনীয় এবং দাম কম অর্থাৎ গরিব মানুষের নাগালের মধ্যে। অল্প কয়েকদিনের জনপ্রিয় হয়ে উঠল রাজাগোপালের সেই রেস্তরাঁ। তাঁর হাত ধরে দক্ষিণ ভারতীয় খাদ্যাভাসে ঢুকে পড়ল ইডলি, ধোসা। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি রাজা গোপালকে। এরপরই তিনি ঢুকে পড়লেন চেন রেস্তরাঁর ব্যবসায়। সমগ্র ভারত ছাড়িয়ে পড়ল তার রেস্তরাঁ সাম্রাজ্যের গল্প। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ৮০টি রেস্তরাঁ ছড়িয়ে রয়েছে দেশে ও বিদেশে।

এরপরই চেন্নাইয়ে রাজাগোপাল গড়ে তুললেন ‘সারাভানা ভবন’। গরিব, মধ্যবিত্তের কাছে সারাভানা ছিল অত্যন্ত পছন্দের। তাঁদের আতিথেয়তায় কোনো কার্পণ্য করতেন না রাজা গোপাল। কর্মীদের সঙ্গেও তাঁর ছিল অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক। তাঁদের জীবন স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখার সবরকম চেষ্টা চালাতেন তিনি। কর্মীরা তাঁকে ডাকতেন আন্নাচি (বড়দাদা) বলে।

সেই রাজাগোপাল চরম বিপাকে পড়লেন তৃতীয় বিয়ে করার তীব্র বাসনায়। তাঁরই রেস্তরাঁর এক নারীকর্মীকে বিয়ে করতে চাইলেন তিনি। সেই নারী ছিলেন আবার বিবাহিত। ওই নারীকে অন্ধভাবে ভালোবাসতেন রাজা গোপাল। কিন্তু,  স্বামী-সংসার ছেড়ে রাজা গোপালকে বিয়ে করতে চাননি। সবসময় এড়িয়ে চলতেন। সেটা মানতে পারতেন না ধোসা কিং। ২০০০ সালে ওই নারীর সান্নিধ্য পেতে রাজা গোপাল উদভ্রান্ত হয়েছিলেন। ওই পরিবারকে ভীতি প্রদর্শন করা শুরু করলেন। তাতেও কাজ না হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নিয়ে ফেলেন। ২০০১ সালে ওই নারীকে কাছে পেতে তার স্বামীকে পি রাজাগোপালই খুন করিয়েছিলেন। খুনের মামলায় ২০০৪ সালে দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। পরে রাজাগোপালের যাবজ্জীবনের সাজা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল নিহতের পরিবার। আবেদন গ্রাহ্য করেন শীর্ষ আদালত। তাকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন আদালত। আর চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যে আদালতে রাজা গোপালকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

গোটা জীবনে একটাই মাত্র ভুল সিদ্ধান্ত। আর তাতেই বৈভবের শিখর থেকে সোজা জেলের কুঠুরিতে। অদ্ভুত পতন ভারতের ধোসা কিং পি রাজা গোপালের। ফকির থেকে রাজা আবার রাজা থেকে ফকির। পিছনে পড়ে রইল চেন রেস্তরাঁর সাম্রাজ্যপাট। বাকি জীবনটা জেলেই কাটাতে হবে ৭১ বছরের পি রাজা গোপালকে।

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা
এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক

সাবেক রাষ্ট্রপতি  ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

রোববার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আজ সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর৷ কোচবিহারের বাসিন্দা মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আমার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল।

প্রয়াত এরশাদ বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন ৷  তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।

শোকবার্তায় মূখ্যমন্ত্রী এরশাদের পরিবার-পরিজন ও  অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র