Alexa

পুজোর দিনে নিহত হলেন বিধায়ক

পুজোর দিনে নিহত হলেন বিধায়ক

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে মুখমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস (৩৮) কে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাতে নিজ বিধানসভা কেন্দ্র কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া ফুলবাড়ি এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন এই বিধায়ক।

দেশটির লোকসভা নির্বাচনের আগে এ হত্যাকাণ্ডে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এদিন একই মঞ্চে ছিলেন রাজ্যের অপর এক মন্ত্রী রত্না ঘোষ কর। কিন্তু ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই অনুষ্ঠান শেষ করে বেরিয়ে যান তিনি। তারপরই এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, শনিবার অনুষ্ঠানের শেষে রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ মঞ্চ থেকে নেমে আসতেই একদল দুর্বৃত্ত তাঁকে ঘিরে ধরে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে। পরপর বেশ কয়েকটি গুলি চলে। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন সত্যজিৎ বিশ্বাস। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ বাহিনী।

এই ঘটনায় নদীয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বিজেপির বিরুদ্ধে আঙুল তুলে বলেন, উনিশে ফিনিশ হয়ে যাবে বুঝে বিজেপি এখন তৃণমূলের শক্তপোক্ত নেতাদের সরিয়ে দিচ্ছে। অরাজকতা তৈরি করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। নিজেদের পায়ের তলায় মাটি নরম। তাই অন্যের ওপর হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূম থেকে নদীয়ায় আমদানি করা রাজনীতির জেরে এই ঘটনা। তবে রাজনীতি নিরপেক্ষভাবে এ ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ এলাকার অন্যতম জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি সত্যজিৎ বিশ্বাস। ২০১১ সালে বাম সরকারের পতনে তৃণমূলের উত্থানের সময় থেকেই তিনি কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক। এলাকায় যথেষ্ট কাজ করেছেন, জনসংযোগ ভালো তাঁর। প্রতিবাদী হিসেবেও পরিচিত।

কলকাতা এর আরও খবর