Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

দেওয়াল লিখে প্রচার শুরু করলেন শতাব্দী

দেওয়াল লিখে প্রচার শুরু করলেন শতাব্দী
দেওয়াল লিখে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন শতাব্দী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন অন্যদিকে, মজবুত সংগঠনই জয়ের মার্জিন বাড়াবে। ২০০৯ সালের তুলনায় এসময় দলের সংগঠন অনেকটাই শক্তিশালী। এমনই মন্তব্য করলেন বীরভূম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। পাশাপাশি শনিবার নিজের হাতে দেওয়াল লিখে প্রচারও শুরু করলেন তৃণমূলের এই টলি তারকা প্রার্থী।

এর আগে, কর্মীদের উদ্দেশে শতাব্দী বলেন, ১০ বছরে আমি কথা দিয়ে কথা রেখেছি। যেটা পারব না, সেটাও বলে দিয়েছি। মানুষের কাছে তা তুলে ধরে, আবার আমার উপর ভরসা রাখার জন্য প্রচার করুন। এছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুবশ্রী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী সহ নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পে প্রত্যেকে উপকৃত হয়েছে। রাস্তাঘাটেরও উন্নয়ন হয়েছে। আমরা মানুষের পাশে থেকেছি। এগুলি বীরভুমের মানুষদের মনে করিয়ে দিন। এদিন নায়িকাকে দেখতে আগে থেকেই মানুষের ভিড় জমেছিল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/16/1552749250234.jpg

এরপরই রং ও তুলি নিয়ে নিজের নাম দেওয়ালে লিখে প্রচার শুরু করেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দেওয়াল লিখনের মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করলাম। পারলে সব দেওয়ালই লিখতাম। ১০ বছর আগে আমাকে নিয়ে মানুষের উচ্ছ্বাস যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে। তারকাকে দেখে নেওয়ার পর উচ্ছ্বাস কমে যায়। বীরভূমে সেটা হয়নি। এজন্য আমি বীরভূমবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ।

এখানেও তিনি প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিজেপিরই নাম করেন। শতাব্দী বলে, ২০০৯ সালের থেকে দল এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। তাছাড়া কলকাতায় থাকলেও প্রয়োজনে আমি সবসময় বীরভূমে এসেছি। সর্বোপরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও সংগঠনই আমার জয়ের মার্জিন বাড়িয়ে তুলবে।

বিরোধীরা (বিজেপি) তো এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে আপনি প্রচারে কি অনেকটাই এগিয়ে আছেন? উত্তরে শতাব্দী বলেন, বিরোধীরা সারাবছর মানুষের সঙ্গে থাকে না। ১০ বছরে আমি কতবার যে বীরভূমে এসেছি, তার কোনো হিসেব নেই। তাই কে এগিয়ে কে পিছিয়ে, সেই প্রতিযোগিতায় আমরা নেই। আমরা সারাবছরই মানুষের পাশে রয়েছি। বিরোধীরা সেলিব্রিটি প্রার্থী দাঁড় করালে সেক্ষেত্রে সুস্বাগতম জানিয়েছেন ২০০৯ সাল থেকে পরপর জয়ী দুবারের সাংসদ শতাব্দী রায়।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা
এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক

সাবেক রাষ্ট্রপতি  ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

রোববার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আজ সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর৷ কোচবিহারের বাসিন্দা মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আমার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল।

প্রয়াত এরশাদ বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন ৷  তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।

শোকবার্তায় মূখ্যমন্ত্রী এরশাদের পরিবার-পরিজন ও  অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়
বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল দেয়া হয় এই মেলায়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কলকাতায় সম্পন্ন হলো তিন দিনব্যাপী ৩১তম ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার।

রোববার (১৪ জুলাই) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত মেলায় ভিন্ন স্বাদের পর্যটনের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছিলো বাংলাদেশ।   

দেশটির মিনিস্ট্রি অফ সিভিল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজমের ডেপুটি সেক্রেটারি অঞ্জনা খান মজলিস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, এখানকার বেশিরভাগ মানুষ বাংলাদেশ সম্বন্ধে সেভাবে জানেন না। বাংলাদেশে দর্শনীয় স্থান কি কি আছে বা কোথায় কোথায় ঘোরা যায়, সেই বিষয়গুলো আমারা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের কালচার যেমন ভাষা আন্দোলন, নববর্ষ উদযাপন এমনকি আমাদের ইলিশ এসব বিষয়ে কলকাতার মানুষ আগ্রহ বোধ করছে। জানার পর প্ল্যানিং করছে কি ভাবে আসবে বাংলাদেশে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102301190.jpg
বাংলাদেশকে আরও কাছে থেকে জানতে অনেকে ঘুরতে আসতে চেয়েছেন 

 

এখানে ১২ জন ট্যুর অপারেটর এসেছে আমরা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি। পাশাপাশি এখানকার বেশিরভাগ মানুষের শেকড় বাংলাদেশে, ফলে অনেকের পৈতৃক ভিটে আছে দেশে। তারা বাংলাদেশকে যেমন দেখতে চায় সঙ্গে নিজেদের জন্মস্থানও দেখতে চায়। সেই ভাবেই আমাদের প্যাকেজগুলো করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে অনেকে। ভালো লাগছে, বেশ সাড়া পাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বাংলাদেশের প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছিল দিনাজপুরের বিখ্যাত কান্তজীর মন্দিরের আদলে। প্যাভিলিয়নে ১১টি বেসরকারি স্টল ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল স্থান পেয়েছিল। পর্যটন মেলায় কলকাতাবাসীর কাছে আকর্ষণীয় বিষয় হলো একই ভাষায়, একই গন্ধে বিদেশ ভ্রমণ। বুকিংও পেয়েছে প্রচুর। পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে ভারতে আসার পর  নতুন প্রজন্মকে সেই স্বাদ পাওয়ানোর ইচ্ছা অনেকের থাকলেও, সহযোগিতা পাচ্ছিলো না। সেই সুবিধা করে দিল বাংলাদেশ থেকে আসা ট্যুর কোম্পানিগুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102319331.jpg
বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয় কলকাতাবাসীর কাছে 

 

শুক্রবার (১২ জুলাই) মেলা শুরু হয়ে শেষ হয় রোববার (১৪ জুলাই)। এবারের মেলায় ৪৩০টি স্টলে ভারতের ২৮টি রাজ্য এবং ১৪টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। কলকাতাবাসীর কাছে বাংলাদেশ এক আবেগের বিষয়। সে কারণেই বাংলাদেশ সম্বন্ধে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খোজ খবর নিচ্ছেন অনেকেই। অনেকে প্লানও করে নিয়েছে এবার পুজোর ছুটির ডেসটিনেশন বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র