Alexa

দেওয়াল লিখে প্রচার শুরু করলেন শতাব্দী

দেওয়াল লিখে প্রচার শুরু করলেন শতাব্দী

দেওয়াল লিখে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন শতাব্দী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন অন্যদিকে, মজবুত সংগঠনই জয়ের মার্জিন বাড়াবে। ২০০৯ সালের তুলনায় এসময় দলের সংগঠন অনেকটাই শক্তিশালী। এমনই মন্তব্য করলেন বীরভূম কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। পাশাপাশি শনিবার নিজের হাতে দেওয়াল লিখে প্রচারও শুরু করলেন তৃণমূলের এই টলি তারকা প্রার্থী।

এর আগে, কর্মীদের উদ্দেশে শতাব্দী বলেন, ১০ বছরে আমি কথা দিয়ে কথা রেখেছি। যেটা পারব না, সেটাও বলে দিয়েছি। মানুষের কাছে তা তুলে ধরে, আবার আমার উপর ভরসা রাখার জন্য প্রচার করুন। এছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুবশ্রী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী সহ নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্পে প্রত্যেকে উপকৃত হয়েছে। রাস্তাঘাটেরও উন্নয়ন হয়েছে। আমরা মানুষের পাশে থেকেছি। এগুলি বীরভুমের মানুষদের মনে করিয়ে দিন। এদিন নায়িকাকে দেখতে আগে থেকেই মানুষের ভিড় জমেছিল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/16/1552749250234.jpg

এরপরই রং ও তুলি নিয়ে নিজের নাম দেওয়ালে লিখে প্রচার শুরু করেন তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দেওয়াল লিখনের মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করলাম। পারলে সব দেওয়ালই লিখতাম। ১০ বছর আগে আমাকে নিয়ে মানুষের উচ্ছ্বাস যেমন ছিল, এখনও তেমনই আছে। তারকাকে দেখে নেওয়ার পর উচ্ছ্বাস কমে যায়। বীরভূমে সেটা হয়নি। এজন্য আমি বীরভূমবাসীর কাছে কৃতজ্ঞ।

এখানেও তিনি প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিজেপিরই নাম করেন। শতাব্দী বলে, ২০০৯ সালের থেকে দল এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। তাছাড়া কলকাতায় থাকলেও প্রয়োজনে আমি সবসময় বীরভূমে এসেছি। সর্বোপরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও সংগঠনই আমার জয়ের মার্জিন বাড়িয়ে তুলবে।

বিরোধীরা (বিজেপি) তো এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে আপনি প্রচারে কি অনেকটাই এগিয়ে আছেন? উত্তরে শতাব্দী বলেন, বিরোধীরা সারাবছর মানুষের সঙ্গে থাকে না। ১০ বছরে আমি কতবার যে বীরভূমে এসেছি, তার কোনো হিসেব নেই। তাই কে এগিয়ে কে পিছিয়ে, সেই প্রতিযোগিতায় আমরা নেই। আমরা সারাবছরই মানুষের পাশে রয়েছি। বিরোধীরা সেলিব্রিটি প্রার্থী দাঁড় করালে সেক্ষেত্রে সুস্বাগতম জানিয়েছেন ২০০৯ সাল থেকে পরপর জয়ী দুবারের সাংসদ শতাব্দী রায়।

কলকাতা এর আরও খবর