Alexa

পশ্চিমবাংলা থাকবে মমতার হাতে আসন বাড়বে বিজেপির

পশ্চিমবাংলা থাকবে মমতার হাতে আসন বাড়বে বিজেপির

ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম

ভারতে লোকসভা নির্বাচন সামনেই। এবারে ৭ দফায় হওয়া নির্বাচন ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে ১৯মে। অর্থাৎ কিছুদিন পরেই শুরু হবে ভোট উৎসব। তার আগে জনমত সমীক্ষায় উঠে এল পশ্চিমবাংলার ভোটের সম্ভাব্য ফলাফল। তার আভাস দিল ইন্ডিয়া টিভি, টাইমস নাউ ও সেন্ট্রাল রেটিং ইনফরমেশন সার্ভিস।

ভিন্ন সমীক্ষায় গড় ধরলে যা বোঝা যাচ্ছে তা হল, পশ্চিমবাংলায় বাড়তে চলেছে বিজেপির আসন সংখ্যা। মমতার তৃণমূল কংগ্রেস ২০১৪ -এর নির্বাচনে মোদি হাওয়া উড়িয়ে রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে একাই পেয়েছিল ৩৪টি আসন। এবারের জনমত সমীক্ষা বলছে, পশ্চিমবঙ্গে মমতার আসন কমবে। তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ৩০ থেকে ৩১টি আসন। অর্থাৎ তিন থেকে চারটি আসন হারাতে চলেছে তারা।

তবে সমীক্ষা অনুযায়ী, বাড়তে চলেছে বিজেপির আসন। বিজেপি পেতে পারে ১১ থেকে ১২টি আসন। ২০১৪ সালে তৎকালীন মোদী হাওয়াতে রাজ্যে মাত্র দুটি আসন পেয়েছিল বিজেপি। এবার তা থেকে এক লাফে বাড়বে অনেকটাই।

অপর দিকে এবারের নির্বাচনে মাটিতে মিশে যাবে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস পেয়েছিল চারটি আসন ও বামফ্রন্ট পেয়েছিল দুটি আসন। ২০১৯-এর তাদের একটি আসনও জেতার আশা নেই বলে মত সমীক্ষার। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসন ভাগাভাগি হবে তৃণমূল ও বিজেপি -র মধ্যে।

এছাড়া সমীক্ষায় ভোটের শতাংশ বলছে, বিজেপি পেতে পারে ৩২ শতাংশ ভোট। তৃণমূল পেতে পারে ৩৯ শতাংশ ভোট। বামফ্রন্টের ভোট শতাংশ ১৫ এবং কংগ্রেসের ৮ শতাংশ। অন্যান্যরা ৬ শতাংশ। অর্থাৎ আসন সংখ্যা ছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্র অনুযায়ী শতকরা হিবেসে ভোটের লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।

অপর দিকে গতবারের মত ভোট নেওয়া হবে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ইভিএম -এ। এছাড়া এবারই প্রথমবার ভারতের নির্বাচন কমিশন এনেছে ভিভিপ্যাট মেশিন (ভোটার ভেরিফিয়েবেল পেপার অডিট ট্রেইল) যা প্রতিটা ইভিএম -এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। ভোটের বোতাম টেপা মাত্র এই ভিভিপ্যাট মেশিন বলে দেবে ভোটার তার পছন্দে প্রার্থীকে ভোটাটা দিতে পারল কিনা। অর্থাৎ এবারে রাজনৈতিক দলগুলো ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলতে পারবে না।

তবে সমীক্ষা যাই বলুক না কেন। শেষ কথা বলবে পশ্চিমবাংলা জনগণ। ২৩মে ফল ঘোষণার দিন বোঝা যাবে সমীক্ষা কতটা সঠিক হল!

 

কলকাতা এর আরও খবর