Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন না শ্রাবন্তী

বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন না শ্রাবন্তী
শ্রাবন্তী চক্রবর্তী/ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
কলকাতা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চমক দিয়ে তৃণমূলের প্রার্থী করেছেন মিমি ও নুসরাতকে। যাদবপুর কেন্দ্রে মিমি চক্রবর্তী এবং বসিরহাট কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী নুসরাত জাহান। যা কিনা নেত্রী মমতার মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখছে রাজনৈতিকমহল।

তবে হাল ছাড়তে নারাজ রাজ্যের অন্যতম বিরোধী মুখ বিজেপি। যদিও তারা এখনও রাজ্যের ৪২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি। তবু জল্পনা উঠেছে মিমি ও নুসরাতের পাল্টা হিসাবে একাধিক তারকার সঙ্গে কথাবার্তা চলছে।

তাতে যেমন নাম উঠে আসছে ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পালের নাম, তেমন উঠে আসছে অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর নামও। যদিও এই বিষয় নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রার্থী হচ্ছেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু লোকসভা ভোটে তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চক্রবর্তী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/20/1553062974629.jpg

সম্প্রতি শ্রাবন্তী নিজের ট্যুইটারে কার্যত প্রার্থী হওয়ার বিষয় নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ট্যুইটে অভিনত্রী লিখেছন, আমার সমস্ত বন্ধু এবং ফ্যনদের উদ্দেশ্যে বলছি, কয়েকদিন ধরেই শুনছি আমি নাকি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের হয়ে লোকসভা ভোটে দাঁড়াতে চলেছি। আমি স্পষ্ট জানাতে চাই যে, আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। আমার কাজ মানুষকে বিনোদন দেওয়া আর আমি তাই করছি।

এছাড়া তিনি সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, এধরনের কোনো খবর সম্প্রচারের আগে তারা যেন ভালো করে যাচাই করে নেন। অনুরোধ করব এই ধরনের ভুয়ো খবরে কান না দিতে! দেশের উন্নতি হোক, তা সবসময় কাম্য। আর যে রাজনৈতিক দল দেশের উন্নতির জন্য কাজ করবে, আমার সমর্থন তাঁদের জন্যই থাকবে।

অভিনত্রীর এমন  ট্যুইটে মমতা মনে মনে মুচকি হাসলেও রাজ্য বিজেপির ইচ্ছা যে জলাশয়ে মিশে গেল তা বলা যেতেই পারে! তবে এমন খবরও একেবারে নিশ্চিত নয়, কারন বিজেপি কোথাও প্রকাশ্যে বলেনি তাকে প্রার্থী করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা জেলায় এ সপ্তাহেই মৌসুমি বায়ু ঢুকতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে। ফলে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।  পাশাপাশি চাষবাসের জন্য এখনই ভারী বৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট উদ্বেগে রেখেছে। অবশ্য প্রাক বর্ষার বৃষ্টি ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে। আগামী দুই তিনদিন এই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। পাশাপাশি আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন, এই নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ছাড়াও মধ্য ভারতে বর্ষা টেনে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এবারে দেশে বর্ষা বেশ ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের আট দিন পর কেরল উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে বর্ষা ঢুকেছে। তারপরও মৌসুমি বায়ু বিশেষ সক্রিয় নয়। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা বড় অংশে পুরোদমে বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। স্বাভাবিক নিয়মে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে গোটা দেশ বর্ষার আওতায় এসে যায়। জুন মাসে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি হলে তা বর্ষাকালের বাকি তিন মাসে পূরণ করা সমস্যা হয়ে দাড়াবে।

মৌসুমি উত্তর রেখা বৃহস্পতিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের খুব কাছে চলে এসেছে। বঙ্গোপসাগরে এই অংশের সংলগ্ন এলাকার দক্ষিণবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে। শুক্রবার নাগাদ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টি বাড়বে। ওড়িশা ও অন্ধ্র তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টি পাবে। পশ্চিমবঙ্গসহ বিহার, ঝাড়খণ্ডও বৃষ্টি হবে।

 

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ
পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে নির্বাচিত এমপি সানি দেওল

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড তারকা সানি দেওল। এমপি পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ ঘিরে শুরু হয়েছে জটিলতা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, অভিনেতা সানির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে । তবে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সানি দেওলের জেতা আসনও হারাতে হতে পারে।    


 
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মনুযায়ী, এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লক্ষ রুপি পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। সেখানে সানি দেওল নিজের নির্বাচনী প্রচারে ৮৬ লক্ষ রুপি  খরচ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি কমিটির কাছে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এমনকি, জয়ী প্রার্থীকে বরখাস্ত করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের হাতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561032884410.jpg

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণার অনেক পরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে অভিনেতা সানি দেওলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি। নির্বাচনের অন্তিম পর্যায়ে এসে নাম ঘোষণার ফলে সানির জয় নিয়ে সন্দিহান ছিলেন দেশের বহু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তাঁদেরকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল।  আগে ঐ আসনে বিজেপির আসনে ভোটে জিতেছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ বিনোদ খান্না। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে নতুন মুখ দরকার ছিল বিজেপির। এই আসনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সানি দেওলের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র