Barta24

রোববার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

সরে দাঁড়ালেন জেটের প্রতিষ্ঠাতা, বকেয়া মেটাবে ব্যাংক

সরে দাঁড়ালেন জেটের প্রতিষ্ঠাতা, বকেয়া মেটাবে ব্যাংক
জেট এয়ারওয়েজের প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গোয়েল, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চরম সংকটের মুখে থাকা জেট এয়ারওয়েজকে বাঁচাতে অবশেষে কোম্পানির বোর্ড অফ ডিরেক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন এয়ারওয়েজটির প্রতিষ্ঠাতা নরেশ গোয়েল এবং তার স্ত্রী অনিতা গোয়েল। দীর্ঘদিন আর্থিক ঋণ মেটাতে না পারা, আর্থিক সমস্যা, কর্মীদের বেতন বকেয়া, বিভিন্ন দিক থেকে রীতিমতো কোণঠাসা হচ্ছিল বিমান পরিষেবা সংস্থা জেট এয়ারওয়েজ।

এরপরই নানা টালবাহানার পর সোমবার (২৫ মার্চ) এয়ারওয়েজের পদ থেকে সরে দাঁড়ায় এই দম্পতি। এই দম্পতি বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন। তা সত্ত্বেও আজ জেটের লন্ডনের একটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না তারা।

তবে শেষ অবধি পাওয়া খবর অনুযায়ী, সংস্থাটির তরফ থেকে এখনো নরেশে গোয়েলের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করা হয়নি। তার পরিবর্তে জেটের বর্তমান সিইও বিনয় দুবের ঘাড়ে বিমান পরিষেবা সংস্থাটিকে এই সংকট থেকে উত্তরণের বাড়তি দায়িত্ব চাপানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নরেশ গোয়েল সংস্থার ৫১ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

তবে অপর একটি খবর জানাচ্ছে, দীর্ঘদিন সমস্যায় জর্জরিত হওয়ার পর জেট কর্মীদের জন্য সুখবর। ভারতে লোকসভা ভোটের আগে আর্থিক সংকটে থাকা এই সংস্থাটি ফের মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে।

কর্মীদের বকেয়া বেতন সহ আর্থিক দেনা মেটাবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি ব্যাংক। এসবিআই এবং পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক। ইতোমধ্যে ঋণদাতা ব্যাংকগুলো বৈঠকে জেটকে ঋণ দেওয়ার সবুজ সংকেত দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সংস্থাটির কাছে ব্যাংকগুলোর দেনা প্রায় ৯ হাজার কোটি রুপি। এই অবস্থায় জেট এয়ারওয়েজের অন্যতম অংশীদার এতিহাদ এয়ারওয়েজ ব্যবসা থেকে সরে যেতে চেয়েছে। সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, এতিহাদের দেনা প্রায় ১৫ হাজার কোটি রুপির মতো।

আপনার মতামত লিখুন :

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা জেলায় এ সপ্তাহেই মৌসুমি বায়ু ঢুকতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে। ফলে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।  পাশাপাশি চাষবাসের জন্য এখনই ভারী বৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট উদ্বেগে রেখেছে। অবশ্য প্রাক বর্ষার বৃষ্টি ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে। আগামী দুই তিনদিন এই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। পাশাপাশি আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন, এই নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ছাড়াও মধ্য ভারতে বর্ষা টেনে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এবারে দেশে বর্ষা বেশ ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের আট দিন পর কেরল উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে বর্ষা ঢুকেছে। তারপরও মৌসুমি বায়ু বিশেষ সক্রিয় নয়। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা বড় অংশে পুরোদমে বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। স্বাভাবিক নিয়মে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে গোটা দেশ বর্ষার আওতায় এসে যায়। জুন মাসে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি হলে তা বর্ষাকালের বাকি তিন মাসে পূরণ করা সমস্যা হয়ে দাড়াবে।

মৌসুমি উত্তর রেখা বৃহস্পতিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের খুব কাছে চলে এসেছে। বঙ্গোপসাগরে এই অংশের সংলগ্ন এলাকার দক্ষিণবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে। শুক্রবার নাগাদ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টি বাড়বে। ওড়িশা ও অন্ধ্র তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টি পাবে। পশ্চিমবঙ্গসহ বিহার, ঝাড়খণ্ডও বৃষ্টি হবে।

 

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ
পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে নির্বাচিত এমপি সানি দেওল

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড তারকা সানি দেওল। এমপি পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ ঘিরে শুরু হয়েছে জটিলতা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, অভিনেতা সানির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে । তবে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সানি দেওলের জেতা আসনও হারাতে হতে পারে।    


 
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মনুযায়ী, এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লক্ষ রুপি পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। সেখানে সানি দেওল নিজের নির্বাচনী প্রচারে ৮৬ লক্ষ রুপি  খরচ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি কমিটির কাছে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এমনকি, জয়ী প্রার্থীকে বরখাস্ত করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের হাতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561032884410.jpg

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণার অনেক পরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে অভিনেতা সানি দেওলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি। নির্বাচনের অন্তিম পর্যায়ে এসে নাম ঘোষণার ফলে সানির জয় নিয়ে সন্দিহান ছিলেন দেশের বহু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তাঁদেরকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল।  আগে ঐ আসনে বিজেপির আসনে ভোটে জিতেছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ বিনোদ খান্না। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে নতুন মুখ দরকার ছিল বিজেপির। এই আসনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সানি দেওলের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র