Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভোটে জেতার কোনো ম্যাজিক জানি না: প্রিয়াঙ্কা

ভোটে জেতার কোনো ম্যাজিক জানি না: প্রিয়াঙ্কা
ভাই রাহুলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছেন, 'আমি কোনো ম্যাজিশিয়ান নই। আমি ভোটে জেতার কোনো ম্যাজিক জানি না। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আপনাদের সকলকেই একসাথে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সকলের উদ্যোগেই জেতা সম্ভব। কারও একার পক্ষে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়।'

সোমবার (৮ এপ্রিল) এক দলীয় বৈঠকে নেতা কর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনী প্রচারে রাহুল গান্ধীর মত অতটা আক্রমণাত্মক নয় প্রিয়াঙ্কা। তার জনসভার ভাষণে মোদিকে নিয়ে কটাক্ষ থাকলেও ততটা ঝাঁজ নেই। তাই সবেমাত্র রাজনীতিতে পা রাখা প্রিয়াঙ্কাকে দেখতে জায়গা জায়গায় ব্যাপক ভিড় হলেও, সেই ভিড় কতটা ভোটে পরিণত হবে, তা নিয়ে তার দলের ভেতরেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

তবে প্রিয়াঙ্কা ভোটে জেতা নিয়ে, নিজের সম্পর্কে যাই বলুক না কেনো, বা দলীয় জল্পনার একভাগ যাই ভাবুক না কেনো, রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে বসাতে ইন্দিরামুখী প্রিয়াঙ্কাতেই বাজি ধরেছেন তার ভক্তরা।

এবারের লোকসভা ভোটে নিজে প্রার্থী না হলেও নরেন্দ্র মোদিকে চাপে রাখতে উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব একাই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। নির্বাচনী প্রচারের পরিকল্পনা সাজিয়ে প্রচারণায় ঝড়ও তুলতে শুরু করেছেন তিনি। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দাদা রাহুল গান্ধীও। ঠিক হয়েছে, উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলবেন প্রিয়াঙ্কা আর পাশাপাশি হবে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার যৌথ সভা। সেই মতোই এগোচ্ছে প্রচার পরিকল্পনাও।

অপরদিকে, উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি দিল্লিতে দলের ১৫ নম্বর গুরদ্বার রকাবগঞ্জ রোডের, বাংলোয় ঘন ঘন বৈঠক করেছেন প্রিয়াঙ্কা। বাংলোটি কংগ্রেসের ওয়াররুম বলে পরিচিত। যেখান থেকে দলের থিঙ্কট্যাঙ্করা ভোট যুদ্ধের গুটি সাজায়। দেশের যেকোনো নির্বাচনে নেতৃত্ব প্রদানকারীরা এখান থেকেই ভোট পরিচালনা করে থাকেন।

সেখানেই দলের নির্বাচনী ইসতেহার থেকে প্রচার কর্মসূচি, এমনকি খুঁটিনাটি বিষয়েও তিনি মত দিচ্ছেন। দলীয় সূত্রে খবর, সেখানেই এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারে উত্তরপ্রদেশের বাইরে কোথাও যেতে সমস্যা নেই। দল চাইলে যাবেনও।

তিনি বলেছেন, 'তবে ভোট জেতার আমার কোনো ম্যাজিক জানা নেই।' এই কথাটি বাইরে আসতেই দলের একাংশের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র