Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রথমবার ভারতে ভোট দেবেন সাবেক ছিটমহলবাসী

প্রথমবার ভারতে ভোট দেবেন সাবেক ছিটমহলবাসী
ভারতের সাবেক ছিটমহলবসীদের কয়েকজন, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পৃথিবীর ইতিহাসে এক জ্বলন্ত সমস্যা ছিল ছিটমহল। যুগযুগ ধরে চলে আসতে থাকা এই সমস্যার সমাধান হয়েছিল, ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই, মধ্যরাতে। ঐ দিনে বাংলাদেশ সীমানায় ভারতীয় ছিটমহলে থেকে এসেছিল ৯২২ জন। যদিও সে সময় ভাবা হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে বিশাল আকারে জনগণ আসতে থাকবে। তা কিন্তু হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ প্রশাসনে দেশটি ছেড়ে বাকিরা আসেননি। তারা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছিলেন সেখানেই থেকে যেতে।

যা দেখে তৎকালীন গোটা ভারতের মিডিয়া যথেষ্ট অবাক হয়েছিল। কারণ তারা ভেবেছিল বিশাল জমায়েতে শরণার্থীর মতো আসা দেখাতে পেরে তাদের টিআরপি বাড়বে। কিন্তু তাদের চিন্তায় পানি ঢেলে দিয়েছিল তৎকালীন বাংলাদেশের দক্ষ প্রশাসন। তবে এরকম একটা অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান হওয়াটা খুবই জরুরি ছিল। আগামী দিনে আরও কিছু জ্বলন্ত সমস্যা আছে তাও অচিরে মিটে যাবে বলে, আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554881785629.gif

সম্প্রতি কলকাতার এক সেমিনারে তিনি বলেছিলেন, 'ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে নদী প্রবহমান আছে। ভারত সেটা দেখে যাতে পানি বাধাপ্রাপ্ত না হয় এবং পাকিস্তানের গোটা ইরিগেশন সিস্টেম এই নদীর ওপর ভিত্তি করেই চলে। বাংলাদেশের সঙ্গে এরকম চুক্তি কিন্তু আজও হয়নি। কিন্তু তিস্তাও একই রকম বিষয়। বিশ্বে ভারত অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে উঠে আসছে। প্রতিটি শক্তিশালী দেশ অকপটে স্বীকার করে নেয় সমস্যাগুলো এবং সমাধানের পথ খোঁজে। ভারতও একদিন তা করবে। সাবেক ছিটমহলের ন্যায়, পানি বণ্টনের মতো জ্বলন্ত সমস্যাও মিটবে।'

তা তো সময় বলবে। তবে কোচবিহারে আগামীকাল (১১ এপ্রিল) নির্বাচনের আগে কেমন আছেন সাবেক ছিটবাসী তথা অধুনা পশ্চিমবঙ্গের ওই অঞ্চলের মানুষজন? কথা বলেছিলাম, অধ্যাপক দেবব্রত চাকী (সিনিয়র ফেলো মিনিস্ট্রি অফ কালচার গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া)-র সঙ্গে। যিনি দীর্ঘ সময় ধরে ইস্যুটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554881804348.gif

দেবব্রতবাবু জানান, এমনি যারা এখানে আছে, এজ ইউজুয়াল ভালই আছেন। অনেক উন্নতি হয়েছে এখানে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা যা পাওয়ার তা তারা পাচ্ছেন। কিন্তু ৯২২ জন বাংলাদেশ সীমানার ভারতীয় ছিটমহল থেকে নতুন পরিবেশে এল তিনটে ক্যাম্পে, (মেখলিগঞ্জ, হলদিবাড়ি, দিনহাটা) তাদের পরিবার প্রতি যদি একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেত তাহলে ভালো হতো। প্রতি মাসে না হলেও অস্থায়ীভাবে যদি কিছু করা যেত।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে যে প্রকৃত ভারতবাসী কোচবিহার রাজার আমলের থেকে ৫০০ পরিবার বসবাস করছিল যাদের প্রত্যেকের মহারাজার আমলের দলিল দস্তাবেজ, খাজনা রশিদ সবই আছে। এই মানুষগুলো যখন উদ্বাস্তু হয়ে এল, ছিটমহল বিনিময়ের পক্ষে এই মানুষগুলোকেও যুক্ত করা দরকার ছিল এবং এই মানুষগুলোর কথা অন্তত শোনা দরকার ছিল। কিন্তু শোনা হলো না।

আর সমস্যা বলতে, ছিটমহল হস্তান্তরের সময় ৯২২ জনের মধ্যে ৪০টা পরিবারের কথা বাংলাদেশ সরকারের ভাবা দরকার। যারা এখনও ফেলে আসা জমির টাকাটা পাইনি। জমিগুলোর কোনো ফয়সালা হয়নি বা কোন কমপেনসেশন পাইনি তারা। জমিগুলো এখন সরকারের তত্ত্বাবধায়নে আছে। এটাও একটা সমস্যা হয়ে আছে। এসব বাদ দিলে এখন তারা মেইনস্ট্রিমের সাথে যুক্ত হয়েছে। ভারতীয় নাগরিক যে রকম সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা, তারাও সেটা পাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/10/1554881822345.gif

এখন তো ভারতে নির্বাচন। কংগ্রেস যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে তাতে তো বলা হয়েছে, যে বছরে গরিব পরিবার মাথাপিছু ৭২ হাজার রুপি বছরে পাবে। অর্থাৎ মাসে ৬০০০ পেলে তো ভালোই হবে।

কংগ্রেস এবার ক্ষমতায় আসছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেবব্রতবাবু।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দুজনেই নির্বাচনী ভাষণ দিয়ে গেলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'এই অঞ্চলে ১১০০ কোটি রুপি ব্যয় এবং তাদের থাকার জমি দিয়েছে। অর্থাৎ উন্নতি কতটা হয়েছে?'

তিনি জানান, 'দেখুন রাজনীতির ভাষণ একরকম আর কাজ অন্যরকম। অর্থায়ন এবং পালন, এসবতো কেন্দ্রীয় সরকারের। তবে হ্যাঁ ভারতের যুক্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে, বাস্তবায়ন করে রাজ্য সরকার। সে ক্ষেত্রে অঞ্চলগুলোর যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ডেভেলপমেন্ট বলতে ধরুন, ওই সময়ের রাস্তাঘাট, বিশুদ্ধ পানি, সোলার বিদ্যুৎ, কমিউনিটি হল, প্রাইমারি স্কুল, চিকিৎসা ব্যবস্থা, ইরিগেশনের ব্যবস্থা, চাষের পানি মত অনেক কাজ হয়েছে। আর নির্বাচন এলে এসব কথা হবেই। এখন দেখার কে আসছেন কেন্দ্রে ক্ষমতায়।'

আমার বক্তব্য হলো, 'সমস্যার মধ্যেও কমবেশি সবাই ভালো আছে। আগামীতে তাদের আরও উন্নতি হবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সে সময় বাংলাদেশ থেকে আসা ৯২২ জন সহ ভারতীয় ছিটে থেকে গেছিলেন মোট পনের হাজার মানুষ এই বছর প্রথম নির্বাচনে অংশ নেবেন। এর আগের ভোটগুলিতে নথিপত্র জনিত সমস্যা থাকায় তারা ভোট দিতে পারেননি। প্রথম ভোটদান নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

বৃষ্টি নেই, তাই পাতে দেশি ইলিশও নেই

বৃষ্টি নেই, তাই পাতে দেশি ইলিশও নেই
কলকাতার মাছ বাজারের ইলিশ মাছ নেই বললেই চলে, ছবি: সংগৃহীত

গত মরশুমেও আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যজীবীদের মুখে ছিল গালভরা হাসি। কারণ ঐ মরশুমে দুটো পয়সার মুখ দেখেছিলেন তারা। ধরা পড়েছিল টনে টনে ইলিশ। আর সেই ইলিশ সহযোগে, ভাত খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলেছিল কলকাতার আম-আদমি। তবে এবার জুলাই মাস শেষ হতে চললেও এখনও ইলিশ পড়েনি কলকাতার আমবাঙালির পাতে।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিকেলে কয়েকশ ট্রলার মোহনায় নানা ধরনের মাছ ধরে ফিরে এলেও ইলিশের সাক্ষাৎ পাননি মৎস্যজীবীরা। অথচ ২০১৮ জুলাই মাসে রাজ্যের মেদিনীপুর জেলার দিঘার সমুদ্র ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা উপকূল মিলিয়ে টনে টনে ইলিশ মাছ ধরেছিলেন মৎস্যজীবীরা।

তথ্য বলছে, গত বছরের ২১ জুলাই জালে উঠেছিল ৫০ টন রুপালি ইলিশ, আর এবছরে এখনো অবধি প্রাপ্তি মাত্র এক টন ইলিশ। মৎস্যজীবীদের সাথে একমত রাজ্য মৎস্য দফতরের কর্তারাও।

মৎস্য দফতরের কর্মকর্তা সুরজিৎ বাগ বলেন, 'ইলিশ মাছ আবহাওয়া অনুকূল হলে মিষ্টি পানিতে ডিম পাড়ার জন্য মোহনায় আসে। এবার রাজ্যে ইলিশ আসার পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। বর্ষা না হওয়ায় ইলিশের ঝাঁক উপকূলের দিকে আসছে না। তবে এখনই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বর্ষার সময় এখনো আছে। জালে একেবারে ইলিশ উঠছে না, এটা সঠিক নয়। যা উঠছে, চাহিদার তুলনায় খুবই কম।'

রাজ্যের মৎস্য দফতরের কর্তারা আশার কথা শোনালেও কবে বর্ষা নামবে তা আবহাওয়াবিদরাও সঠিকভাবে বলতে পারছেন না। ফলে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে সকলেই। পশ্চিমবঙ্গে এবারে বর্ষাকাল, তা শুধু ক্যালেন্ডারই জানান দিচ্ছে। রাজ্যের উত্তর ভাগ অর্থাৎ দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ির মত জেলাগুলোয় বৃষ্টি হলেও দক্ষিণবঙ্গ অর্থাৎ ইলিশ ওঠার উপযুক্ত জেলাগুলোয় বৃষ্টি নেই। ফলে দেখা মিলছে না রুপালি ফসলের। শুধুই কি বর্ষা না হওয়ায় মিলছে না ইলিশ?

এই পরিস্থিতির জন্য পরিবেশবিদ সহ মৎস্যজীবীদের একাংশ মনে করছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন, নিম্নচাপের মতো দুর্যোগ, ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বৃষ্টি না হওয়া পাশাপাশি পানি দূষণ ও যথেচ্ছ ভাবে ছোট ইলিশ শিকার রোধ করতে না পারার নিট ফল এ মরশুমে মিলছে না ইলিশ।

মৎস্যজীবী রুই বাগ বলেন, '১৫ জুন থেকে সমুদ্রে মাছ ধরা শুরু হলেও খুব কম পরিমাণে অন্যান্য মাছ ধরা পড়েছে। আর ইলিশের দেখাতো পাওয়াই যায়নি। ফলে আমরা কষ্টে আছি। এবারে ইলিশ না ধরা পড়লে মাছ ধরার খরচই উঠবে না। গত মরশুমে এসময় যে পরিমাণ ইলিশ উঠেছিল তার একভাগও এবার ধরতে পারিনি। তাই কখন বৃষ্টি নামবে সে অপেক্ষায় বসে আছি আমরা।'

মাছের জোগান কমে যাওয়ায় স্বভাবতই টান পড়েছে কলকাতার মাছ বাজারে। ইলিশ দূরে থাক, সাধারণ মাছ কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হয়েছে মধ্যবিত্ত বাঙালির। বর্ষা না হওয়ায় নদী, খাল বিলে অন্যান্য মাছেরও একই অবস্থা। মিয়ানমারের ইলিশ ও ভিন রাজ্যের চাষের মাছের সহযোগে একপ্রকার বাধ্য হয়ে গ্রাসাচ্ছাদন করছেন কলকাতার বাঙালি।

বুড়ো হতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনটাই সঁপে দিচ্ছেন না তো!

বুড়ো হতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনটাই সঁপে দিচ্ছেন না তো!
ছবি: সংগৃহীত

বার্ধক্য হারিয়ে যৌবন ফিরে পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছিল ভানু বন্দোপাধ্যায় অভিনীত ‘৮০তে আসিও না’। ফুল কমেডি ওই সিনেমায় পানিতে ডুব দিয়ে ফিরে পাচ্ছিল হারিয়ে যাওয়া যৌবন। তারুণ্য বা যৌবন ফিরে পেতে একেবারে হুলুস্থুল বাধিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে নব্য প্রজন্ম মেতেছে বৃদ্ধ হওয়ার নেশায়। ফেসবুকের দৌলতে যৌবন এখন অ্যাপের ভেতর ডুব দিয়ে পরিণত হচ্ছে বৃদ্ধয়! অর্থাৎ নব প্রজন্মের নাগরিকেরা নিজেদের ভবিষ্যতের ছবি প্রকাশ করছেন।

এ ধরনের অ্যাপ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম মেধা দিয়ে তৈরি। কারো ছবি অ্যাপে দিলে বয়স বাড়িয়ে দিচ্ছে। শুধুই কি বয়স বাড়াচ্ছে? কমিয়েও দিচ্ছে। এমনকি পুরুষকে মহিলা বা মহিলাকে পুরুষ হলে কেমন দেখতে লাগবে তাও ছবির মাধ্যমে ফুটে উঠছে। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে রসিকতা। কিন্তু পাশাপাশি ভারতে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

অনেকেই বলছেন সাময়িক আনন্দের ফাঁদে পা দিয়ে ওই প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছে অ্যাপ ব্যবহারকারীর ছবি ও তথ্য চলে যাচ্ছে। রাশিয়ার একটি সংস্থার তৈরি হওয়া ওই অ্যাপে যাওয়া তথ্যগুলো দিয়ে হতে নানা অপকর্ম- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভারতীয় হ্যাকিং বিষেশজ্ঞরা।

কলকাতার ইন্ডিয়ান স্কুল অফ এথিক্যাল হ্যাকিংয়ের অধিকর্তা সন্দীপ সেনগুপ্তের মতে, এতে বহু মানুষ নিজেদের ছবি দিয়েছেন। সেগুলো সংস্থার সার্ভারে চলে গেছে। বর্তমানে বহু ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড, মুখের ছবি তাদের কাছে রয়েছে। তাছাড়া এমন অ্যাপগুলো বহুক্ষেত্রে নজরদারির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

সন্দীপ সেনগুপ্তর কথায় ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয় খোদ মার্ক জুকারবার্গেরও রয়েছে। তার নিজের ল্যাপটপের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন বন্ধ করে রাখার ছবিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। এছাড়া সরকারি এবং বেসরকারি দুই দিক থেকেই তথ্য সংগ্রহের প্রতিযোগিতা চলছে। আগামী দিনে যা আরও বড় আকার নেবে।

এছাড়া অন্যান্য সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের একাধিক অ্যাপ বাজারে আছে। এই সমস্ত অ্যাপ ব্যবহারের আগে অনেকেই শর্তাবলী খুঁটিয়ে পড়েন না। তার ফলে অজান্তেই সেই সব শর্তাবলী মেনে নেন। শর্তনুযায়ী ওই অ্যাপ বিনামূল্যে ব্যবহারের বিনিময়ে ব্যবহারকারী, সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তার ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, ফেসবুকে তার বন্ধুদের তথ্য তুলে দিচ্ছেন সংস্থার সার্ভারে। অ্যাপে তিনি যত ছবি ব্যবহার করছেন, সেগুলিও সংস্থার কাছে চলে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে একবার এই অ্যাপ নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছিলো ভারতে। তখন অ্যাপটি ব্যান করে দেওয়া হয় ভারতে। ফের নতুন ভার্সনে ভারতে ব্যবহারকারীদের মোবাইলে ঢুকে পড়ছে এবং জনপ্রিয় হওয়ায় নজরে এসেছে বিষয়টি।

শুধু এই একটি নয়, তথ্য সংগ্রহের ফাঁদ পেতে নেট দুনিয়ায় আরও হাজার হাজার অ্যাপ রয়েছে। না জেনে সেই অ্যাপের ফাঁদে নিরন্তর পা দিচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এসব অ্যাপ একবার ইনস্টল হয়ে গেলে, মোবাইল বন্ধ হলেও ক্যামেরাসহ সিস্টেমের একটা অংশ চলতেই থাকে। ব্যক্তিগত ছবি এমনকি ভিডিও চলতে থাকে। ফলে সমস্ত তথ্যসহ ব্যক্তিগত জীবনটাই চলে যাচ্ছে হ্যকারদের হাতে। সাময়িক আনন্দের আগে একবার নিজের ব্যক্তিগত কথা ভাবুন। এমনটাই মত ভারতের সাইবার বিশেষজ্ঞদের।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র