Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

মমতাকে ভুল বুঝেছিলাম: মোদি

মমতাকে ভুল বুঝেছিলাম: মোদি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ছবি: সংগৃহীত
কলকাতা ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) তৃতীয় দফায় পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে শনিবার (২০ এপ্রিল) পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরে নির্বাচনী জনসভায় রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বাংলাদেশি দুই তারকার ভারতে গিয়ে তৃনমূল কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানোর সমালোচনা করেন মোদি। জেলার নারায়ণপুরের বুনিয়াদপুরে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) আয়োজিত ওই সভায় তিনি বলেন, শুধু বিদেশির দোষ দিলে হবে না। আইন ভেঙেছে তৃণমূল।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল অর্থাৎ এনআরসি বিষয়ে রাজ্যে ভুল বোঝাচ্ছে তৃনমূল কংগ্রেস। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি এক, আর তা নিয়ে ভোটের স্বার্থে ভুল ব্যখ্যা দিয়ে রাজ্যের মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধামান জেলার খাগড়াগড় বিস্ফোরণে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর যোগসাজশ পেয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ধৃত জামায়াত কর্মীরা বাংলাদেশে বড় নাশকতা ঘটাতে চেয়েছিল বলে সেসময় জানিয়েছিল সংস্থাটি। সেই তদন্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মোদি বলেন, জঙ্গিদের সাহায্য নিতেও আপত্তি নেই দিদির (মমতা)।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কলকাতার বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডের জনসভায় মোদি বলেছিলেন- বাংলায় দিদি, দিল্লীতে মোদী। দুই হাতেই যেন লাড্ডু। পশ্চিমবঙ্গে বিপুল উন্নতি হবে।

কিন্তু এবারের জনসভায় মোদি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনো উন্নতি হয়নি। আমিই মমতাকে ভুল বুঝেছিলাম। মমতাকে ইতিহাস মাফ করবে না।

উল্লেখ্য, শনিবারই জেলার পানিঘাটা ও বগুলা অঞ্চলে মমতারও জনসভা রয়েছে। সেখানে মোদির সমস্ত অভিযোগের জবাব দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র