Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে তৃণমূলের দিকে বিজেপির অভিযোগ

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা নিয়ে তৃণমূলের দিকে বিজেপির অভিযোগ
বিদ্যাসাগর কলেজে হামলায় ভেঙে ফেলা হয়েছে মূর্তি, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

কলকাতায় বিদ্যাসাগর কলেজে মঙ্গলবার হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির রাজ্য দফতরে বুধবার (১৫ মে) সাংবাদিক বৈঠকে অভিযোগ করলেন বিজেপির জাতীয় সম্পাদক তথা উত্তর কলকাতার প্রার্থী রাহুল সিনহা।

ওই কলেজের সাবেক ছাত্র এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা অভিষেক মিশ্র ও তার স্ত্রী স্বর্ণালি ঘটনাস্থলে কেন ছিলেন? রাতে কলেজে তারা কী করছিলেন? এছাড়া দুপুর থেকে এত বহিরাগত সান্ধ্য কলেজে কেন জমা হচ্ছিল? পুলিশ কি করছিল? একজন ভিভিআইপির রোড শো জেনেও পুলিশ কেন তৃণমূল ছাত্রদের জমায়েত দেখেও অ্যাকশন নেয়নি? এছাড়া তাদের ইউনিয়ন রুমে তালা ছিল। কীভাবে ভাঙল মূর্তি? গোটা বিষয়টা তৃণমূলের পূর্বপরিকল্পিত ছক। অভিযোগ করেন উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী।

পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচনের আগে কলকাতায় সভা মিছিল করতে ৪৮ঘণ্টা আগে অনুমতি নিতে হয়। অথচ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল রাতেই কীভাবে মিছিলের কথা ঘোষণা করলেন? এখন বলছে আগে থেকে ঠিক করেছিলাম। চ্যালেঞ্জ করছি, দেখান সেই অনুমতিপত্র। নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের বক্তব্য জানিয়েছি।

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা তৃণমূলের দিকে বিজেপির অভিযোগ
প্রমাণসহ তৃণমূলের দিকে অভিযোগ ছুঁড়ে দিচ্ছে বিজেপি নেতা, ছবি: সংগৃহীত

 

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেল কলকাতায় অমিত শাহর রোড শো ঘিরে তৈরি হয় জটিলতা। শহিদ মিনার থেকে রোড শো শুরু করার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। নানা চাপানোতর পর ধর্মতলা রোড থেকে রোড শো শুরু করার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তারপরই শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা।

রাহুল সিনহা আরও বলেন, 'বিদ্যাসাগরের মূর্তি বিজেপি কর্মীরা ভাঙতে পারেন না। তার কথায়, ভারতীয় সংস্কৃতির পুরোধার মূর্তির অবমাননার কথা কল্পনা করতে পারেন না বিজেপির কোনও কর্মী। আমরা ভারতীয় সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা করি। সব কর্মীর মধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতির বোধ রয়েছে।'

এছাড়া বিদ্যাসাগর কলেজে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত ৫৮জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অপরদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, গেট বন্ধ ছিল। আমরা বাইরে ছিলাম। ভেতরে গিয়ে কারা ভেঙেছে? টিএমসির লোকেরাই তো ভিতরে ছিল। সহানুভূতি কুড়োনোর জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে তৃণমূল।

তবে যারাই ভাঙুক মূর্তি, দুষ্কৃতি বাহিনীর তাণ্ডব মোটেও ভালোভাবে নেয়নি পশ্চিমবঙ্গবাসী। গোটা ভারতেই ঘটনাটি বড় ভাবে সামনে এসেছে। আর স্বাভাবিক ভাবেই শেষ দফার ভোটের আগে মূর্তি ভাঙার ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

কলকাতায় নিহত ২ বাংলাদেশির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেবে রাত ২টায়

কলকাতায় নিহত ২ বাংলাদেশির লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেবে রাত ২টায়
নিহত দুই বাংলাদেশির পাসপোর্টের ছবি

কলকাতায় গাড়িচাপায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ সড়ক পথে অ্যাম্বুলেন্সে করে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রওনা দেবে।

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইকবাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে করে সড়ক পথে মরদেহ দুটি ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক দপ্তরের সাথেই যোগাযোগ করে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এ বিষয়ে সব রকম সহযোগিতা করছে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় গাড়িচাপায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, ঘাতক গ্রেফতার

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে কলকাতার শেক্সপিয়র সরণিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হন। তারা হলেন— মহম্মদ মইনুল আলম (৩৬) ও ফারহানা ইসলাম তানিয়া (৩০)। প্রথম জনের বাড়ি বাংলাদেশের ঝিনাইদহে। অন্য জনের বাড়ি ঢাকার মোহাম্মদপুরে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) ঘাতক গাড়ির চালককে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।

কলকাতায় গাড়িচাপায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, ঘাতক গ্রেফতার

কলকাতায় গাড়িচাপায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, ঘাতক গ্রেফতার
ঘাতক জাগুয়ারের চালক আরসালান পারভেজ

কলকাতার সেক্সপিয়র সরণিতে মধ্যরাতে দ্রুত গতির একটি জাগুয়ারের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেছেন দুই বাংলাদেশি। ঘাতক ওই জাগুয়ারের চালককে গ্রেফতার করেছে সেক্সপিয়র থানা পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) মধ্যরাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে শেক্সপিয়র সরণি ও লাউডন স্ট্রিটের সংযোগস্থলে।

কলকাতার সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, শেক্সপিয়র সরণি ধরে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের দিক থেকে কলামন্দিরের দিকে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড গতির একটি জাগুয়ার সজোরে ধাক্কা মারে একটি মার্সিডিজকে। এরপর জাগুয়ারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুই পথচারীকে পিষে দেয়। ভেঙেচুরে যায় কংক্রিটের তৈরি কলকাতা পুলিশের একটি কিয়স্কও।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566045598521.jpg

গুরুতর জখম ওই দু’জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। এ ঘটনায় গুরুতর জখম হন মার্সিডিজের চালক ও আরোহী। ঘটনার পরই গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান জাগুয়ারের চালক।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ জানিয়েছে মৃত দু’জনেই বাংলাদেশি নাগরিক। চিকিৎসা করাতে তারা গত ১৫ দিন ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিল। তারা উঠেছিলেন ওই এলাকারই একটি হোটেলে।

নিহত দুই বাংলাদেশি হলেন—কাজি মহম্মদ মইনুল আলম (৩৬) ও ফারহানা ইসলাম তানিয়া (৩০)। প্রথম জনের বাড়ি বাংলাদেশের ঝিনাইদহে। অন্য জনের বাড়ি ঢাকার মহম্মদপুরে।

ঘাতক জাগুয়ারটি চালাচ্ছিলেন অভিজাত রেস্তরাঁ চেন আরসালানের মালিকের ছেলে আরসালান পারভেজ। এ খবর নিশ্চিত হয়েই ২২ বছর বয়সী আরসালান পারভেজকে শনিবার গ্রেফতার করে শেক্সপিয়র থানার পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার আরসালান পারভেজকে শনিবার (১৭ আগস্ট) আলিপুর আদালতে তোলা হবে। এ গাড়ি দুর্ঘটনায় পুলিশ জাগুয়ারের চালকের বিরুদ্ধে আগের চেয়ে আরও কঠোর ধারায় মামলা দায়ের করেছে। প্রথমে ৩০৪ ধারায় মামলা সাজানো হয়েছিল। সেটা অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা হলেও জামিনযোগ্য ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র