Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিক্রি হয়ে গেল রাজ কাপুরের আরকে স্টুডিও

বিক্রি হয়ে গেল রাজ কাপুরের আরকে স্টুডিও
আরকে ফিলমস অ্যান্ড স্টুডিও / ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কলকাতা


  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউড বিখ্যাত তারকা রাজ কাপুর তাঁর ছবি প্রযোজনার জন্য ১৯৪৮ সালে আরকে ফিল্মস নামে একটি সংস্থা তৈরি করেন৷ এর দু’বছরের মধ্যেই ১৯৫০ সালে তিনি গড়ে তোলেন স্টুডিও।

এই স্টুডিও থেকে একের পর নির্মিত হয়েছে জনপ্রিয় সব ছবি। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আওয়ারা, শ্রী চারশো বিশ, জিস দেশমে গঙ্গা বহতি হ্যায়, মেরা নাম জোকার, ববি, সত্যম শিবম সুন্দরম, প্রেমরোগ, রাম তেরি গঙ্গা মইলি’র মতো ছবিগুলো৷

এছাড়া আর কে ফিল্মস থেকে অন্যান্য ছবি মিলিয়ে প্রায় শ’খানেক ছবি এই স্টুডিওতে নির্মিত হয়েছিল৷ ১৯৯১ সালে ‘হেনা’ এই স্টুডিওর শেষ ছবি। অর্থাৎ বহুদিন আগে থেকেই এখানে ছবি তৈরি হচ্ছিল না৷ তার উপর ২০১৭ সালে এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে হয়ে যায় স্টুডিওটি৷

তা সত্বেও ১৯৮৮ সালে রাজ কাপুরের মৃত্যুর পরও প্রতিষ্ঠিত আর কে স্টুডিও ছিল কাপুর বংশের ঐতিহ্যশালী সম্পদ৷ আগুন লাগার পর গত বছরের আগস্ট মাসে রাজ কাপুরের ছেলেরা জানান, এই স্টুডিও পুনর্নিমাণ করা সম্ভব নয় এবং তা বিক্রি করে দেওয়া হবে৷

ফলে চিরতরে মুছে গেল কাপুর বংশের ঐতিহ্য৷ সম্পত্তিটি হাত বদল হয়ে গোদরেজ কোম্পানি কেনায় ওই জায়গায় এখন গড়ে উঠবে আধুনিক শপিং আবাসন৷

প্রায় আড়াই একর জায়গা উপর ছিল স্টুডিও৷ এটি ভেঙে গোদরেজ প্রোপার্টিজ সাড়ে তিন লাখ বর্গফুটের আবাসন এবং ৩৩ হাজার বর্গফুটের অত্যাধুনিক শপিং মল গড়ে তুলবে।

কত টাকায় এই সম্পত্তি হাতবদল হয়েছে তা কোনো পক্ষই জানায়নি৷ তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এর বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় ২০০ কোটি রুপি।

ফলে বলিউড ইতিহাসের একটা বিশেষ অধ্যায়ের ইতি ঘটলো৷ কারণ, সিনেমা তৈরির পাশাপাশি এখানে প্রতি বছর গণেশ পূজো এবং হোলি উৎসব পালন শুরু করেন রাজ কাপুর।

জানা যায়, মুম্বাইয়ে প্রথম তারকাদের একত্রিত করে হোলি খেলা রাজকাপুরের হাত ধরে এই স্টুডিওতে হতো।

এবার এই স্টুডিও ভেঙে আবাসন গড়ার কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই অনেক সিনেমাপ্রেমী হতাশ হয়েছেন৷

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র