Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিক্রি হয়ে গেল রাজ কাপুরের আরকে স্টুডিও

বিক্রি হয়ে গেল রাজ কাপুরের আরকে স্টুডিও
আরকে ফিলমস অ্যান্ড স্টুডিও / ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কলকাতা


  • Font increase
  • Font Decrease

বলিউড বিখ্যাত তারকা রাজ কাপুর তাঁর ছবি প্রযোজনার জন্য ১৯৪৮ সালে আরকে ফিল্মস নামে একটি সংস্থা তৈরি করেন৷ এর দু’বছরের মধ্যেই ১৯৫০ সালে তিনি গড়ে তোলেন স্টুডিও।

এই স্টুডিও থেকে একের পর নির্মিত হয়েছে জনপ্রিয় সব ছবি। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, আওয়ারা, শ্রী চারশো বিশ, জিস দেশমে গঙ্গা বহতি হ্যায়, মেরা নাম জোকার, ববি, সত্যম শিবম সুন্দরম, প্রেমরোগ, রাম তেরি গঙ্গা মইলি’র মতো ছবিগুলো৷

এছাড়া আর কে ফিল্মস থেকে অন্যান্য ছবি মিলিয়ে প্রায় শ’খানেক ছবি এই স্টুডিওতে নির্মিত হয়েছিল৷ ১৯৯১ সালে ‘হেনা’ এই স্টুডিওর শেষ ছবি। অর্থাৎ বহুদিন আগে থেকেই এখানে ছবি তৈরি হচ্ছিল না৷ তার উপর ২০১৭ সালে এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে হয়ে যায় স্টুডিওটি৷

তা সত্বেও ১৯৮৮ সালে রাজ কাপুরের মৃত্যুর পরও প্রতিষ্ঠিত আর কে স্টুডিও ছিল কাপুর বংশের ঐতিহ্যশালী সম্পদ৷ আগুন লাগার পর গত বছরের আগস্ট মাসে রাজ কাপুরের ছেলেরা জানান, এই স্টুডিও পুনর্নিমাণ করা সম্ভব নয় এবং তা বিক্রি করে দেওয়া হবে৷

ফলে চিরতরে মুছে গেল কাপুর বংশের ঐতিহ্য৷ সম্পত্তিটি হাত বদল হয়ে গোদরেজ কোম্পানি কেনায় ওই জায়গায় এখন গড়ে উঠবে আধুনিক শপিং আবাসন৷

প্রায় আড়াই একর জায়গা উপর ছিল স্টুডিও৷ এটি ভেঙে গোদরেজ প্রোপার্টিজ সাড়ে তিন লাখ বর্গফুটের আবাসন এবং ৩৩ হাজার বর্গফুটের অত্যাধুনিক শপিং মল গড়ে তুলবে।

কত টাকায় এই সম্পত্তি হাতবদল হয়েছে তা কোনো পক্ষই জানায়নি৷ তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এর বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় ২০০ কোটি রুপি।

ফলে বলিউড ইতিহাসের একটা বিশেষ অধ্যায়ের ইতি ঘটলো৷ কারণ, সিনেমা তৈরির পাশাপাশি এখানে প্রতি বছর গণেশ পূজো এবং হোলি উৎসব পালন শুরু করেন রাজ কাপুর।

জানা যায়, মুম্বাইয়ে প্রথম তারকাদের একত্রিত করে হোলি খেলা রাজকাপুরের হাত ধরে এই স্টুডিওতে হতো।

এবার এই স্টুডিও ভেঙে আবাসন গড়ার কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই অনেক সিনেমাপ্রেমী হতাশ হয়েছেন৷

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা

সপ্তাহ শেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে বর্ষা
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা জেলায় এ সপ্তাহেই মৌসুমি বায়ু ঢুকতে পারে বলে আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে। ফলে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে।  পাশাপাশি চাষবাসের জন্য এখনই ভারী বৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতে বৃষ্টির ঘাটতি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যথেষ্ট উদ্বেগে রেখেছে। অবশ্য প্রাক বর্ষার বৃষ্টি ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে। আগামী দুই তিনদিন এই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (২১ জুন) নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টির মাত্রা বাড়তে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন।

কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। পাশাপাশি আবহাওয়াবিদরা আশা করছেন, এই নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ছাড়াও মধ্য ভারতে বর্ষা টেনে আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এবারে দেশে বর্ষা বেশ ধীর গতিতে এগোচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ের আট দিন পর কেরল উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে বর্ষা ঢুকেছে। তারপরও মৌসুমি বায়ু বিশেষ সক্রিয় নয়। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য ও পূর্ব ভারতের একটা বড় অংশে পুরোদমে বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। স্বাভাবিক নিয়মে ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে গোটা দেশ বর্ষার আওতায় এসে যায়। জুন মাসে বৃষ্টির ব্যাপক ঘাটতি হলে তা বর্ষাকালের বাকি তিন মাসে পূরণ করা সমস্যা হয়ে দাড়াবে।

মৌসুমি উত্তর রেখা বৃহস্পতিবার উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের খুব কাছে চলে এসেছে। বঙ্গোপসাগরে এই অংশের সংলগ্ন এলাকার দক্ষিণবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করছে। শুক্রবার নাগাদ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি তৈরি হলে বৃষ্টি বাড়বে। ওড়িশা ও অন্ধ্র তুলনামূলকভাবে বেশি বৃষ্টি পাবে। পশ্চিমবঙ্গসহ বিহার, ঝাড়খণ্ডও বৃষ্টি হবে।

 

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ
পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে নির্বাচিত এমপি সানি দেওল

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড তারকা সানি দেওল। এমপি পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ ঘিরে শুরু হয়েছে জটিলতা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, অভিনেতা সানির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে । তবে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সানি দেওলের জেতা আসনও হারাতে হতে পারে।    


 
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মনুযায়ী, এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লক্ষ রুপি পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। সেখানে সানি দেওল নিজের নির্বাচনী প্রচারে ৮৬ লক্ষ রুপি  খরচ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি কমিটির কাছে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এমনকি, জয়ী প্রার্থীকে বরখাস্ত করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের হাতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561032884410.jpg

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণার অনেক পরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে অভিনেতা সানি দেওলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি। নির্বাচনের অন্তিম পর্যায়ে এসে নাম ঘোষণার ফলে সানির জয় নিয়ে সন্দিহান ছিলেন দেশের বহু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তাঁদেরকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল।  আগে ঐ আসনে বিজেপির আসনে ভোটে জিতেছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ বিনোদ খান্না। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে নতুন মুখ দরকার ছিল বিজেপির। এই আসনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সানি দেওলের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র