Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে কবিতা লিখলেন মমতা

নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে কবিতা লিখলেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়/ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাত পোহালেই ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। তার আগের দিন কবিতা লিখলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কবিতার নাম জরুরী।

জরুরী!!!

 

সবটাই জরুরী-

কিছু কথা ছিল,

ওটাও জরুরী।

মধ্যরাতে সিদ্ধান্ত-

ওটাও জরুরী।

ভিলেনের মাঠে এ খেলা-

তাতেও জরুরী।

বিচারে বিধ্বস্ত-

ওটাও জরুরী।

গণতন্ত্রের গুহায়-

ওটাও জরুরী।

প্রতিবাদ করবে?

না হুজুর - জরুরী।

মাথা খুটে কাঁদো

অশ্রুতেও জরুরী।

কি দেখলে নির্বাচন?

নির্বাসনও কি জরুরী?

এ কবিতা যথেষ্ট অর্থবহ বলেই মনে করছে দেশটির রাজনৈতিক মহল। কেন্দ্রে সরকার গড়ার ক্ষেত্রে দেশের প্রায় সবকটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা বিজেপিকেই এগিয়ে রেখেছে। আর তাতেই চটেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। আর রেগে গিয়ে কলম ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লিখে ফেলেছেন আস্ত একটা কবিতা। সেটি আবার টুইটারে পোস্টও করেছেন তিনি। তবে পুরো কবিতাটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে মমতা লিখেছেন।

এর আগে বিজপির সভাপতি অমিত শাহের রোড শোতে কলকাতায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙা এবং তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত বিজেপিকে আক্রমণ করেই 'চেনা নয়' 'অবিশ্বাস্য কালো' এবং 'লজ্জিত' নামে তিনটি কবিতা লিখে, সেগুলি টুইটারে পোস্ট করেছিলেন। এবারে ফের কলম ধরলেন ঠিক ভোটের ফল বের হওয়ার আগের রাতে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

পাকিস্তানি সমালোচকদের জবাব দিলেন আদনান সামি

পাকিস্তানি সমালোচকদের জবাব দিলেন আদনান সামি
গায়ক আদনান সামি, ছবি: সংগৃহীত

মেজাজ না হারিয়ে পাকিস্তানি সমালোচকদের জবাব দিলেন আদনান সামি। পাকিস্তানি এই গায়ক বছর তিনেক আগেই সে দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস অর্থাৎ এবছর বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) নিয়ে কোনো সামাজিক বার্তা দেননি তিনি। সে দেশের নাগরিকরা সামিকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন তিনি স্বাধীনতা দিবস নিয়ে এবার সামাজিক মাধ্যমে কোনো বার্তা দেননি?

জবাবে আদনান জানিয়েছেন, তিনি এখন ভারতীয় তাই ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন করেছেন এবং সেদিন নিয়ে সামাজিক বার্তা দিয়েছেন। এরপরই সামাজিক মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে আক্রমণের মুখে পড়েন এই গায়ক। তাঁকে করা হয় একের পর এক অপ্রীতিকর প্রশ্ন। 'জন্মভূমির প্রতি তাঁর কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এছাড়া পাকিস্তানের নাগরিকত্ব ছেড়ে ভারতের নাগরিক হওয়ায় কেউ আবার তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বলেছেন। পাশাপাশি পাকিস্তানের অনেকে তাঁকে কটূক্তি করে বলেন তিনি তাঁর বাবার জন্মস্থানের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখাতে পারেননি।'

তবে এতকিছুর পরও মেজাজ হারাননি আদনান সামি। শান্তভাবেই সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন।

বাবার জন্মভূমি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, '১৯৪২ সালে আমার বাবা জন্মেছিলেন অবিভক্ত ভারতবর্ষে এবং ২০০৯ সালে ভারতের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।'

প্রসঙ্গত আদনানের বাবা আরসাদ সামি খান ছিলেন পাকিস্তান সামরিক বিমানের পাইলট। পরবর্তীকালে বিভিন্ন দেশে তিনি পাক রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কর্মজীবনে পেয়েছেন সে দেশের একাধিক সম্মান। পরে মুম্বাইয়ের হাসপাতালে মৃত্যুর পর পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছিল।

এছাড়া মাতৃভূমির প্রতি দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গে আদনান জানান, 'আমি মোটেই বিশ্বাসঘাতক নই। যদি দায়বদ্ধতার প্রশ্নই ওঠে তাহলে জন্মভূমির (অবিভক্ত ভারত) প্রতি জিন্নার দায়বদ্ধতা কোথায় ছিল? আমায় যদি বিশ্বাসঘাতকের তকমা দেন, তাহলে জিন্নাকে কি বলবেন?'

কাশ্মীর ইস্যু নিয়েও পাকিস্তানিদের একহাত নিয়ে তিনি বলেন, 'এটা ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়। বিষয়টি নিয়ে বহিরাগতদের নাক গলানোর প্রয়োজন নেই।'

তবে এবারই প্রথম নয়, আদনান পাকিস্তানের সমালোচকদের মুখে এর আগেও পড়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময়ও ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, বেশ কয়েকবছর ধরে কাজের সূত্রে ভারতে রয়েছেন আদনান সামি। সব সময়ই বলে এসেছেন ভারতীয়দের কাছ থেকে তিনি যে ভালোবাসা পেয়েছেন সেটা অমূল্য। এরপর ভারতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। আবেদন করেন ভারতীয় নাগরিকত্বের। ২০১৬ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেন।

পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন হাজার, মৃত ৮

পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন হাজার, মৃত ৮
কলকাতা করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ

জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ও রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গবাসী বৃষ্টির জন্য হাপিত্যেশ করছিলেন। তখনও ১১ কোটির বাস পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ছয়শোর মতো। জোরালো বৃষ্টি শুরু হয়েছে আগস্ট থেকে। আর তাতেই কেল্লাফতে। বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। এক মাসেরও কম সময়ে সংখ্যাটা ৬০০ ছাড়িয়ে একলাফে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন হাজারের বেশি। শনিবার (১০ আগষ্ট) রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যূ হয়েছে আটজন। কিছুদিন আগেও যা ছিল না। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবরটি জানা গিয়েছে।

তবে এই তিন হাজার আক্রান্তের বেশির ভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত উত্তর ২৪পরগনা জেলার হাবড়া অঞ্চলে। মৃতদের তালিকাতেও হাবড়ার বাসিন্দারাই রয়েছেন। এতে হাবড়া নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ যে বাড়ছে, তাতে দ্বিধা নেই। পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করতে পেরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী হাবড়ার পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় খোজখবর নিচ্ছেন। তাঁর নির্দেশে পরিস্থিতির মোকাবিলায় এলাকায় বাড়তি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টা নিয়ে ১৪ আগস্ট রাজ্যের প্রশাসন ভবন নবান্নে ডেঙ্গু নিয়ে মুখ্যসচিব মলয় দের নেতৃত্বাধীন সরকারের সর্বোচ্চ কমিটি বৈঠকে বসবে। দপ্তরের পদস্থ কর্তারাও আশবাদী, যে হাবড়ার ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আগামী কদিনের মধ্যেই কমতে শুরু করবে। কারণ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সেখানে ডেঙ্গু তার ভয়াবহ চেহারা যা দেখানোর ইতিমধ্যেই দেখিয়ে দিয়েছে। এর বাইরে আর মহামারী আকার ধারণ করতে পারবে না। ফলে আশাবাদী আর আক্রান্তে সংখ্যা বাড়বে না।

রাজ্য দপ্তর সূত্রের খবর, রাজ্যে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে কমবেশি দুই হাজার জনই উত্তর ২৪পরগনার হাবড়ার বাসিন্দা। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে তারপরই আছে দক্ষিণ ২৪পরগনা। সেখানে মোট আক্রান্ত প্রায় তিনশো। তিন নম্বরে আছে হাওড়া জেলা।

কলকাতা করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের কথা মতে, ‘বৃষ্টি বাড়লে এবং পানি জমলে ডেঙ্গু বাড়বে। সরকারের সমালোচনা হবে। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বাস্থ্যকর্তাদের তারই মধ্যে কাজ করে যেতে হবে। এতে নতুনত্ব কোনো নেই। একটা এডিস মশার ডিম তিনবছর অব্দী একটিভ থাকতে পারে। পানি স্পর্শ পেলেই ডিমগুলো জীবিত হয়ে ওঠে।

তবে সব এডিস মশা ডেঙ্গু বহনকারী নয়। যেসব মশা রোগ বহন করে সেই সব এডিস মশার ডিম, লার্ভায় পরিণত হলেই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তবে আমরা কোনো সময় বলিনি ডেঙ্গু নির্মুল করেতে পেরেছি। আমরা বলেছি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে আনতে পেরেছি। রাজ্যের তিনটি জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে তা কয়েকদিনের মধ্যেই নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে।’ 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র