Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের তারকা প্রার্থীদের জয়জয়কার

লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের তারকা প্রার্থীদের জয়জয়কার
দেব, নুসরাত জাহান, মিমি চক্রবর্তী ও শতাব্দী রায়/ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের তারকা প্রার্থীরা কেউ জয় করতে পারলেন জনগণের সমর্থন আবার কেউ ভোটের লড়াইতে পরাজিত হয়ে এড়িয়ে গেলেন সংবাদ মাধ্যমকে।

সকাল থেকেই খবর আসছিলো এগিয়ে আছেন তৃণমূল প্রার্থী সুপারস্টার দেব। বেলা গড়াতেই দেবের সঙ্গে যুক্ত হয় তৃণমূল প্রার্থী মিমি এবং নুসরতের খবর। খবর আসতে থাকে  বিজেপি  প্রার্থী গায়ক বাবুল সুপ্রিয়ের সঙ্গে লড়াইতে ক্রমশ পিছিয়ে পরছেন অভিনেত্রী মুনমুন সেন। বেলা আরও বাড়লে খবর আসে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী শতাব্দী রায়।

তবে সব থেকে বড় চমক ছিল বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের এগিয়ে যাওয়া।

বিকেলে জানা যায় পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর লোকসভা  কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির অনুপম হাজারাকে ২ লাখের অধিক ভোটে পরাজিত করেছেন।

২০১৪ সালে ১ লাখ ২৫ হাজার ২০৩ ভোটে  এই কেন্দ্র থেকে জয় লাভ করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস।

এরপরেই খবর আসে জয়লাভ করেছেন আরেক টলিউডের নায়িকা নুসরত জাহানের। তৃণমূল কংগ্রেসের  এই প্রার্থী তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসুকে পরাজিত করেন।

প্রায় একই সঙ্গে খবর আসে ঘাটাল কেন্দ্র থেকে। জানা যায়, এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেব তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেছেন।

অন্যদিকে আসানসোলে পিছিয়ে পরার খবর আসে তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী মুনমুন সেনের। অবশেষে তিনি পরাজিত হন বিজেপির তারকা প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়র কাছে। বীরভূমে জয় লাভ করেন তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী শতাব্দী রায়।

পশ্চিমবঙ্গের তারকা প্রার্থীদের সৌজন্যে ভারতের সপ্তদশ লোকসভা হতে চলেছে বর্ণময় । ভোটারদের আশা যে ভাবে তারা পর্দায় মানুষের মন জয় করেছেন সেই ভাবেই তারা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে আবারও মানুষের মন জয় করতে পারবেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র