Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ৩১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তার জনতার দূরত্ব বাড়ছে

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তার জনতার দূরত্ব বাড়ছে
পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারদের আন্দোলন/ছবি:সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা ২৪.কম
কলকাতা


  • Font increase
  • Font Decrease

দিন দিন সংকট যেন আরো ঘনীভূত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকরা এবার শুরু করেছে চাকরি ছাড়া। আর অন্যদিকে রাজ্য সরকার থেকেও কিছু স্পষ্ট না করায় অবস্থা আরো বেগতিক হচ্ছে। ডাক্তার আর জনতার মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে আরো।

একদিকে সরকারি ইন্টার্ন ডাক্তারদের ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের জরুরি, বর্হিঃবিভাগে সেবা ব্যাহত হওয়ায় বিপদে পড়েছে রোগীরা। ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। নিরাপত্তার দাবিতে অবস্থান নেয়া চিকিৎসকদের নৈতিক সমর্থন জানিয়ে শুক্রবার (১৪ জুন) থেকে চাকরি ছেড়ে দেয়া শুরু করেছে রাজ্যের সরকারি চিকিৎসক ও প্রশাসকরা। প্রতীকীভাবে প্রায় পাঁচ শতাধিক চিকিৎসক তাদের চাকরি ছেড়ে দিয়েছে।

এই রকম একটি জটিল অবস্থার মধ্যে ডা. সুকুমার মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের পাঁচ বিশিষ্ট চিকিৎসক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা (শিক্ষা) ডা. প্রদীপ মিত্র অবস্থানরত চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করতে যান। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পৌঁছে দিয়ে তিনি ধর্মঘটে ডাক দেয়া চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদলকে রাজ্যের প্রশাসন ভবন নবান্নে ডেকে পাঠান। অনড় রয়েছেন অবস্থান নেয়া চিকিৎসকদের একটাই দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকেই এনআরএস  হসপিটালে আসতে হবে এবং তাঁর যাবতীয় মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

এর আগে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, যারা আন্দোলন তুলবে না, তাদের সরকার কোনো প্রোটেকশন দেবে না।

সুকুমার জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলে আবারও বৈঠক হবে। চিকিৎসক এবং সরকারের সঙ্গে অন্যতম মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন ডা. অভিজিৎ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, যেভাবেই হোক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া দরকার। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আবারও সময় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সঙ্গে আমরাও থাকব।

এদিকে, চিকিৎসক লাঞ্চনার ইস্যুতে শুক্রবার বিকেলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রাস্তায় নামেন কয়েক হাজার চিকিৎসক। তাঁদের এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানান, অপর্ণা সেন, দেবজ্যোতি মিশ্র, রূপম ইসলামসহ অনেক তারকরাই।

গত ১২ জুন থেকে কলকাতার এনআরএস মেডিকেল কলেজে শিক্ষানবিশ চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে হাসপাতালে ধর্নায় বসেন শিক্ষানবিশ ডাক্তাররা। পরে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন সিনিয়র চিকিৎসকরা।

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা

এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোকবার্তা
এরশাদের মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক

সাবেক রাষ্ট্রপতি  ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

রোববার (১৪ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আজ সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর৷ কোচবিহারের বাসিন্দা মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে আমার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল।

প্রয়াত এরশাদ বাংলাদেশের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন ৷  তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়।

শোকবার্তায় মূখ্যমন্ত্রী এরশাদের পরিবার-পরিজন ও  অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

 

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়

শেকড়ের টানে পর্যটন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ভিড়
বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল দেয়া হয় এই মেলায়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কলকাতায় সম্পন্ন হলো তিন দিনব্যাপী ৩১তম ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার।

রোববার (১৪ জুলাই) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত মেলায় ভিন্ন স্বাদের পর্যটনের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছিলো বাংলাদেশ।   

দেশটির মিনিস্ট্রি অফ সিভিল এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজমের ডেপুটি সেক্রেটারি অঞ্জনা খান মজলিস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, এখানকার বেশিরভাগ মানুষ বাংলাদেশ সম্বন্ধে সেভাবে জানেন না। বাংলাদেশে দর্শনীয় স্থান কি কি আছে বা কোথায় কোথায় ঘোরা যায়, সেই বিষয়গুলো আমারা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের কালচার যেমন ভাষা আন্দোলন, নববর্ষ উদযাপন এমনকি আমাদের ইলিশ এসব বিষয়ে কলকাতার মানুষ আগ্রহ বোধ করছে। জানার পর প্ল্যানিং করছে কি ভাবে আসবে বাংলাদেশে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102301190.jpg
বাংলাদেশকে আরও কাছে থেকে জানতে অনেকে ঘুরতে আসতে চেয়েছেন 

 

এখানে ১২ জন ট্যুর অপারেটর এসেছে আমরা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি। পাশাপাশি এখানকার বেশিরভাগ মানুষের শেকড় বাংলাদেশে, ফলে অনেকের পৈতৃক ভিটে আছে দেশে। তারা বাংলাদেশকে যেমন দেখতে চায় সঙ্গে নিজেদের জন্মস্থানও দেখতে চায়। সেই ভাবেই আমাদের প্যাকেজগুলো করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে অনেকে। ভালো লাগছে, বেশ সাড়া পাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বাংলাদেশের প্রতি আলাদা আকর্ষণ রয়েছে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন সাজানো হয়েছিল দিনাজপুরের বিখ্যাত কান্তজীর মন্দিরের আদলে। প্যাভিলিয়নে ১১টি বেসরকারি স্টল ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের ট্যুরিজম বোর্ড সহ ১২টি স্টল স্থান পেয়েছিল। পর্যটন মেলায় কলকাতাবাসীর কাছে আকর্ষণীয় বিষয় হলো একই ভাষায়, একই গন্ধে বিদেশ ভ্রমণ। বুকিংও পেয়েছে প্রচুর। পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ছেড়ে ভারতে আসার পর  নতুন প্রজন্মকে সেই স্বাদ পাওয়ানোর ইচ্ছা অনেকের থাকলেও, সহযোগিতা পাচ্ছিলো না। সেই সুবিধা করে দিল বাংলাদেশ থেকে আসা ট্যুর কোম্পানিগুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563102319331.jpg
বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয় কলকাতাবাসীর কাছে 

 

শুক্রবার (১২ জুলাই) মেলা শুরু হয়ে শেষ হয় রোববার (১৪ জুলাই)। এবারের মেলায় ৪৩০টি স্টলে ভারতের ২৮টি রাজ্য এবং ১৪টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। কলকাতাবাসীর কাছে বাংলাদেশ এক আবেগের বিষয়। সে কারণেই বাংলাদেশ সম্বন্ধে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খোজ খবর নিচ্ছেন অনেকেই। অনেকে প্লানও করে নিয়েছে এবার পুজোর ছুটির ডেসটিনেশন বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র