Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ

অভিযোগ প্রমাণ হলে সানি হারাতে পারেন এমপি পদ
পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে নির্বাচিত এমপি সানি দেওল
Mansura chamily


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতে সদ্য সমাপ্ত হওয়া লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বলিউড তারকা সানি দেওল। এমপি পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সংসদ সদস্য পদ ঘিরে শুরু হয়েছে জটিলতা।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, অভিনেতা সানির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠে এসেছে । তবে এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সানি দেওলের জেতা আসনও হারাতে হতে পারে।    


 
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মনুযায়ী, এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থী প্রচারের জন্য সর্বোচ্চ ৭০ লক্ষ রুপি পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে। সেখানে সানি দেওল নিজের নির্বাচনী প্রচারে ৮৬ লক্ষ রুপি  খরচ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি কমিটির কাছে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যর ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এমনকি, জয়ী প্রার্থীকে বরখাস্ত করে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে জয়ী হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতাও রয়েছে কমিশনের হাতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561032884410.jpg

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণার অনেক পরে পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর আসনে অভিনেতা সানি দেওলকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে বিজেপি। নির্বাচনের অন্তিম পর্যায়ে এসে নাম ঘোষণার ফলে সানির জয় নিয়ে সন্দিহান ছিলেন দেশের বহু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু তাঁদেরকে কার্যত ভুল প্রমাণ করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন সানি দেওল।  আগে ঐ আসনে বিজেপির আসনে ভোটে জিতেছিলেন অভিনেতা তথা রাজনীতিবিদ বিনোদ খান্না। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে নতুন মুখ দরকার ছিল বিজেপির। এই আসনে কে প্রার্থী হতে পারেন, তা নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সানি দেওলের নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি।  

আপনার মতামত লিখুন :

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি

নেতাজির মৃত্যুদিন ঘোষণা করে বিপাকে পিআইবি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু

১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যুদিন বলে ঘোষণা করে বিতর্কে ভারতের পিআইবি (প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো) সংস্থাটি। সংস্থাটির তরফে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে লেখা হয়েছে "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব", পাশাপাশি ১৯৪৫ সালটিকে নেতাজির 'মৃত্যুসাল' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাইহকু প্লেন দুর্ঘটনার তারিখ ছিল ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট। ওই বিমানেই নেতাজি ছিল বলে দাবি অনেকের। এবং সেই প্লেন দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যূ হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তথাপি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে কোনো সরকার আজ অবদি মৃত্যুদিনটিকে স্বীকৃতি দিতে পারেনি। বর্তমান সরকারও সরকারিভাবে এ বিষয়ে কোনো সিলমোহর দেয়নি। তবে সেই প্লেন দুর্ঘটনাতেই নেতাজির মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে সরকারি সংস্থা পিআইবি।

এই ছবি সামনে আসতেই জোর চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে দেশজুড়ে। শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নেতাজি পরিবারের সদস্য তথা বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু মন্তব্য করেছেন, "কোথাও ভুল হচ্ছে। কোথাও কোনো ত্রুটি থেকে যাচ্ছে।"

অপরদিকে, রোববার(১৮ আগস্ট) সকালে দিনটিকে স্মরণ করে, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে টুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “নেতাজির বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর রয়েছে। আজকের দিনেই ১৯৪৫ সালে নেতাজি তাইওয়ানের তাইহুকু বিমানবন্দর থেকে নিখোঁজ হন। আজও জানি না এরপর কী হয়েছে। দেশমাতৃকার এই বীর সন্তানের বিষয়ে জানার অধিকার সকল দেশবাসীর আছে।”

তবে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান না হলেও কংগ্রেস-বিজেপি সকলেই মৃত্যুদিন হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে স্মরণ করেছে। যা এবারই প্রথম ঘটলো ভারতে। কারণ নেতাজির মৃত্যুদিন সরকারিভাবে এখনও ঘোষণা হয়নি।

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ
সাত কুকুর ছানাকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাল পুলিশ

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। প্রবল বৃষ্টিতে রাজপথ হয়ে ওঠে জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুপরিমাণ, আবার কোথাও বোট বাইতে পারে এমন পানি। বৃষ্টির দাপট রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরের পর কিছুটা কম হলেও থামেনি। তবে পুরোপুরি ঘুর্ণিঝড় রাজ্য থেকে বিদায় নেবে আগামী সোমবার (১৯ আগস্ট)। এমটাই জানিয়েছেন কলকাতা আবহাওয়া অফিস।

এরই মাঝে কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসে সায়েন্স সিটির লাগোয়া এক পাঁচতারা হোটেলের বিপরীতে খোলা আকাশের নিচে ফুটফুটে সাতটি ছানা জন্ম দিয়েছে এক পথ কুকুর। লাগাতার বৃষ্টির জেরে সদ্য জন্মানো ছানাগুলো নিয়ে আশ্রয় খুঁজছিল মা কুকুরটি। ফাঁকা এলাকা তার উপর একনাগাড়ে বৃষ্টি, সঙ্গে ব্যস্ত রাস্তায় বিরামহীন চলতে থাকা গাড়ি। ফলে রাস্তার একধারে ভিজে কোনো রকমে সাত ছানাকে আগলাচ্ছিল মা কুকুরটি।

বিষয়টি চোখে পড়ে দুই নারী পশুপ্রেমীর। পাশাপাশি নজর আসে ওই মোড়ে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের। কুকুরটির এমন দশা দেখে পশুপ্রেমীদের সঙ্গে এগিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে ওই অঞ্চলের থানার পাশে মা কুকুর ও তার সাত ছানাকে থাকার জায়গা তৈরি করে দেয় পুলিশ।

আপাতত নিরাপদেই আছে মা ও তার সাত রাজার ধন। রোববার বিকেলে এক অন্য সহনাভূতি দেখাল কলকাতা পুলিশ। উঠে এল কলকাতা পুলিশের এক অন্য মানবিক দিক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র