এনআরসি নিয়ে বিধানসভায় একত্রে প্রস্তাব আনছে সরকার ও বিরোধীরা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভবন, কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভবন, কলকাতা

  • Font increase
  • Font Decrease

পশ্চিমবঙ্গে কোনো মতেই এনআরসি চালু করা যাবে না এই মর্মে এবার রাজ্য বিধানসভায় একযোগে প্রস্তাব আনছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও বিরোধী দলগুলো। অর্থাৎ শাসক দল তৃনমুল কংগ্রেস ও বিরোধী বাম ও কংগ্রেস। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) সরকারিভাবে এ বিষয়ে প্রস্তাব আনা হচ্ছে। এর ওপর আলোচনা হবে বিধানসভায়। তাতে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিধানসভার উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের এক খসড়ায় সই করেছেন সব দলগুলি। স্বাভাবিক ভাবেই এতে নেই বিজেপি।

ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই এনআরসি নিয়ে পথে নেমেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বিভিন্ন মিটিং মিছিলে এই নিয়ে সুরও তুলেছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে কোনো ভাবেই এনআরসি করা যাবে না, তা নিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন। 

গত শনিবার (৩১ আগস্ট) আসামে নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা থেকে ১৯ লাখ মানুষ বাদ পড়েছে। এর প্রতিবাদে ৮ সেপ্টেম্বর দলকে পথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষত, উত্তরবঙ্গের দলীয় নেতাদের বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া ১২ সেপ্টম্বর বিশেষ মিছিল হবে কলকাতাতেও।

এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ওঠে, আসামের পর নাকি পশ্চিমবঙ্গেও নাগরিকপঞ্জি তালিকা চূড়ান্ত করতে চলেছে মোদি সরকার। তাই আগে ভাগেই পথে নেমে তার বিরোধিতা শুরু করেছে শাসকদল। এই ইস্যুতে পাশে পেয়েছেন বাম ও কংগ্রেসের মতো বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকেও।

তবে বিধানসভা কমিটির বৈঠকে রাজ্য সরকার এবং বাম ও কংগ্রেস একযোগে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, দলগুলো পৃথক ভাবেই এনআরসি নিয়ে প্রতিবাদ কর্মসুচি গ্রহণ করবে বলে ঠিক হয়েছে। এনআরসি নিয়ে কোনো কাজ যৌথভাবে করবে না বলে জানানো হয়েছে দলগুলোর তরফ থেকে।

আপনার মতামত লিখুন :