Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, রাজনীতিতে ডাকসু নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন হলে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এর একটি প্রভাব পড়ত। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও তাহলে ডাকসুর নির্বাচনের উদ্যোগ নিত। তাই আমি কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানাই।

শনিবার (০৬ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলরের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্রামে একটা কথা আছে গরীবের বউ সবার ভাবী। রাজনীতিটাও তেমন। যে ইচ্ছা রাজনীতিতে যখন খুশী আসতে পারে। এখন একজন সরকারি কর্মকর্তা চাকরি শেষে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে। শুধু তাই না  শিক্ষকসহ অনেকেই চাকরি জীবন শেষে রাজনীতিতে যোগ দেয়। ব্যবসায়ীরাও রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে। এই কারণেই রাজনীতির কোন উন্নতি হচ্ছে না।

তিনি বলেন, স্কুল না হয় বাদই দিলাম। অন্তত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন মানুষ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে চলেফেরা করবে না, রাজনীতি বুঝবে না। তাহলে কিভাবে রাজনীতি করবে। এখন অনেককে আবার জনগণ স্যার বলে না ডাকলে মাইন্ড করে। এভাবে কি রাজনীতির উন্নতি হবে।

এ সময় আব্দুল হামিদ সমাবর্তনে উপস্থিত গ্র্যাজুয়েটদের সামনে মজা করে বলেন, ‘সম্প্রতি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশে এসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিয়ম অনুযায়ী তার বঙ্গভবনেও আসার কথা ছিল। আমিও সেই জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। একদিন আগে আমি আমার বউরে কইছিলাম প্রিয়াঙ্কা দেখা করতে আসতাছে। পরে শুনছি সে (স্বারাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী) নাকি প্রধানমন্ত্রীরে ফোন কইরা বলছে, প্রিয়াঙ্কা বঙ্গভবনে না আসলে কি হয় না। এরপর তার বঙ্গভবনে আসা ক্যানসেল হইল। এরপর পত্রিকায় দেখলাম, সে নাকি নিক নামের এক গায়ককে বিয়ে করছে। নিক তো প্রিয়াঙ্কার চাইতে ১০ বছরের ছোট। সে যদি বিয়ের জন্য ১০ বছর ছোট কাউরে পছন্দ করতে পারে, তাইলে ইচ্ছা করলে তো সে ৩০ থেরে ৩৫ বছর উপরেও উঠতে পারত। তাইলে তো আর তারে সাত সাগর পাড়ি দিয়া আমেরিকা যাওয়া লাগত না।’  

আপনার মতামত লিখুন :

খুলেছে এমসি কলেজ, সংঘর্ষের আশঙ্কায় বন্ধ ছাত্রাবাস

খুলেছে এমসি কলেজ, সংঘর্ষের আশঙ্কায় বন্ধ ছাত্রাবাস
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহা, অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষা ও শুভ জন্মাষ্টমীর ছুটি শেষে গত রোববার (২৫ আগস্ট) খুলেছে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ (মুরারিচাঁদ কলেজ)। তবে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় বন্ধ রাখা হয়েছে কলেজের ছাত্রাবাস।

জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট রাতে ছাত্রাবাসের কক্ষ দখল নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। পরদিন একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ছাত্রাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু হঠাৎ ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেওয়ায় দুর্ভোগে পরেন শিক্ষার্থীরা। এমনকি ঈদুল আজহার ছুটি শেষেও ছাত্রাবাস না খোলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

ছাত্রাবাস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকমাস ধরে কলেজ ক্যাম্পাস ও ছাত্রাবাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ছাত্রাবাসের কক্ষ দখল নিয়ে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চৌধুরী এবং জেলা ছাত্রলীগের সাবেক স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হোসাইন আহমদ বলয় সক্রিয় রয়েছেন। এ দুই পক্ষই জেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রণজিৎ সরকারের অনুসারী।

এমসি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র চন্দ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ছুটির পর ছাত্রাবাস বন্ধ রেখেই কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আপাতত ছাত্রাবাস বন্ধই থাকবে।’

মধ্যরাতে অস্ত্র নিয়ে ইবি ছাত্রলীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

মধ্যরাতে অস্ত্র নিয়ে ইবি ছাত্রলীগের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া
ইবি ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) মধ্যরাত সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসিক হল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ছাত্রলীগের উভয় পক্ষের কাছে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা দেখা যায়। এ ঘটনায় রাতভর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে এবং পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে প্রায় ২০/২৫ জন নেতাকর্মী সাদ্দাম হোসেন হলে যায়। এরপর তারা ছাত্রলীগের এক গ্রুপের কর্মী মোশাররফ হোসেন নীলের খোঁজে হলের ২৩৫ নম্বর কক্ষের সামনে গিয়ে ডাকতে থাকে। এরপর তারা কক্ষের দরজায় লাথি মারতে থাকলে নীল বেরিয়ে আসেন। এরপর রাকিবের নেতৃত্বে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমন কুমার দাসসহ অন্যান্যরা নীলকে মারধর শুরু করেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566794788745.JPG

একপর্যায়ে নীল হল থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ফোনে তিনি বিষয়টি তার গ্রুপের নেতাকর্মীদের জানান। এরপর ছাত্রলীগের এক অংশের নেতা বিপুল, অনিকসহ ১০/১২ জন কর্মী জিয়া মোড়ে যান।

অপরদিকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরাও জিয়া মোড়ে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে তারা জিয়া মোড় থেকে শেখ রাসেল হলের সামনে ধেয়ে আসলে ছাত্রলীগের অন্য অংশের নেতাকর্মীরাও তাদেরকে পাল্টা ধাওয়া দেয়। পাল্টা ধাওয়ায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মী শেখ রাসেল হল, জিয়া হলসহ বিভিন্ন হলে পলিয়ে যায়।

ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় উভয় পক্ষে কাছে দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা দেখা যায়। এ সময় জিয়া মোড়সহ জিয়া হল ও লালন শাহ হলের সামনে বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন ও সহকারী প্রক্টর এস এম নাসিমুজ্জামান ঘটনাস্থলে যান এবং ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566794803272.jpg

মোশাররফ হোসেন নীল বলেন, ‘আমাকে রুম থেকে রেব করে দেওয়া উদ্দেশ্যে রাবিক (সাধারণ সম্পাদক) ও সুমনের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন আমার রুমের সামনে এসে লাথি মারতে থাকে। আমি সেসময় রাতের খাবার খাচ্ছিলাম। এরপর আমি রুম থেকে বের হওয়া মাত্রই রাকিব ও সুমনসহ অন্যান্য আমাকে মারধর করে।’

এ বিষয়ে সোমবার (২৬ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বার্তাটোয়েন্টফোর.কমকে বলেন, ‘গতকাল রাতের ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত। ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে কিছু অছাত্ররা এরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমরা পরবর্তীতে বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের একাংশের নেতা তন্ময় সাহা টনি বার্তাটোয়েন্টফোর.কমকে বলেন, ‘শোকের মাসে সাধারণ সম্পাদক (রাকিব) আমাদের দুই কর্মীকে অযাচিতভাবে মারধর করেন। আমরা এর কারণ জানতে চাইলে তারা আমাদের ওপর চড়াও হন। পরবর্তীতে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে একটি অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566794814505.JPG

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রাতেই ঘটনাস্থলে প্রক্টরিয়াল বডি যান এবং সবার সঙ্গে কথা হয়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আজ (সোমবার) বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রশাসনের সাথে বসব। এরপর ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র