দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডাকসু নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, রাজনীতিতে ডাকসু নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন হলে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এর একটি প্রভাব পড়ত। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ও তাহলে ডাকসুর নির্বাচনের উদ্যোগ নিত। তাই আমি কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানাই।

শনিবার (০৬ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলরের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, গ্রামে একটা কথা আছে গরীবের বউ সবার ভাবী। রাজনীতিটাও তেমন। যে ইচ্ছা রাজনীতিতে যখন খুশী আসতে পারে। এখন একজন সরকারি কর্মকর্তা চাকরি শেষে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে। শুধু তাই না  শিক্ষকসহ অনেকেই চাকরি জীবন শেষে রাজনীতিতে যোগ দেয়। ব্যবসায়ীরাও রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছে। এই কারণেই রাজনীতির কোন উন্নতি হচ্ছে না।

তিনি বলেন, স্কুল না হয় বাদই দিলাম। অন্তত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন মানুষ রাজনীতিবিদদের সঙ্গে চলেফেরা করবে না, রাজনীতি বুঝবে না। তাহলে কিভাবে রাজনীতি করবে। এখন অনেককে আবার জনগণ স্যার বলে না ডাকলে মাইন্ড করে। এভাবে কি রাজনীতির উন্নতি হবে।

এ সময় আব্দুল হামিদ সমাবর্তনে উপস্থিত গ্র্যাজুয়েটদের সামনে মজা করে বলেন, ‘সম্প্রতি রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশে এসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিয়ম অনুযায়ী তার বঙ্গভবনেও আসার কথা ছিল। আমিও সেই জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। একদিন আগে আমি আমার বউরে কইছিলাম প্রিয়াঙ্কা দেখা করতে আসতাছে। পরে শুনছি সে (স্বারাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী) নাকি প্রধানমন্ত্রীরে ফোন কইরা বলছে, প্রিয়াঙ্কা বঙ্গভবনে না আসলে কি হয় না। এরপর তার বঙ্গভবনে আসা ক্যানসেল হইল। এরপর পত্রিকায় দেখলাম, সে নাকি নিক নামের এক গায়ককে বিয়ে করছে। নিক তো প্রিয়াঙ্কার চাইতে ১০ বছরের ছোট। সে যদি বিয়ের জন্য ১০ বছর ছোট কাউরে পছন্দ করতে পারে, তাইলে ইচ্ছা করলে তো সে ৩০ থেরে ৩৫ বছর উপরেও উঠতে পারত। তাইলে তো আর তারে সাত সাগর পাড়ি দিয়া আমেরিকা যাওয়া লাগত না।’  

ক্যাম্পাস এর আরও খবর

//election count down