Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

চবির আবাসিক হল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

চবির আবাসিক হল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
চবির আবাসিক হল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপের সংঘর্ষের পর আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তবে কাউকে আটক করা হয়নি। বহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর চার টার দিকে একযোগে শাহ আমানত, আলাওল, সোহরাওয়ার্দী, শহিদ আবদুর রব, স্যার এ এফ রহমান হলে তল্লাশি চালানো হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টা তল্লাশি শেষে চারটি রামদা, ছুরি, রড ও পাথর উদ্ধার করা হয়। ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করায় পুলিশের সহায়তায় হলগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালেয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী।

তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, অভিযানে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। আমরা পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছি যারা ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে চাইবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

জানা যায়, গতকাল বুধবার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরে ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ (সিএফসি এবং বিজয় ) আনন্দ মিছিল শেষে প্রক্টরের সঙ্গে দেখা করতে চায়। ওই সময় দুটি পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির পর তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। পরে দুটি পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শাহ আমানত ও সোহরাওয়ার্দী হলে অবস্থান নেয়।

এতে উভয়পক্ষের ইট পাটকেল নিক্ষেপে আট জন আহত হয়। এর রেশ ধরে আজকেও বিবাদমান দুটি পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন :

বেরোবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলা

বেরোবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলা
দাবি আদায়ে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বকেয়া বেতন ভাতা প্রদান, চাকরি স্থায়ীকরণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর এ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।

ঘটনার প্রতিবাদে কয়েক দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কর্মচারীরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি তাদের চার দফা দাবি মেনে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561467037988.jpg

জানা গেছে, আন্দোলনরত কর্মচারীরা দাবি আদায়ে মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিকালে পুলিশ-প্রশাসনের উপস্থিতিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে প্রশাসনিক ভবনে লাগানো তালা হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

এ সময় কর্মচারীরা বাধা দিলে পরিস্থিত উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত করেছি। কিন্তু ভিসি দাবি না মেনে উল্টো ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561467059453.jpg

এ বিষয়ে কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে না নিয়ে উল্টো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিয়ে হামলা করা হলো। এটা অন্যায়। এখন ভিসি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন।’

অন্যদিকে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মাহবুবার রহমান বার্তা২৪.কম-কে জানান, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো সহযোগিতা বা আলোচনার ইঙ্গিত না দিয়ে শিক্ষার্থীদের লেলিয়ে আকস্মিকভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র তাবিউর রহমান প্রধানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ইবি

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ইবি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: বার্তা২৪

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হলে কাউন্সিলের সদস্যরা একমত পোষণ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিমতোহা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি ও শিক্ষকরা।

সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘বিষয়টি এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান রেখে এবং ভর্তিচ্ছুদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গভবনে ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি। ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। যদিও গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালুর পক্ষে মত দিয়ে আসছেন শিক্ষাবিদরা। কিন্তু উপাচার্যদের অসহযোগিতাসহ নানা কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র