Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

গার্ডকে মারলেন শাবিপ্রবির ছাত্রলীগ নেতা

গার্ডকে মারলেন শাবিপ্রবির ছাত্রলীগ নেতা
শাবিপ্রবির মূল ফটক, ছবি: সংগৃহীত
শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪


  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক গার্ডকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ হোসেন রনি নামে এক ছাত্রলীগ নেতা গার্ডকে মারধর করেন।

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) এ ঘটনার প্রেক্ষিতে রনির বিরুদ্ধে প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী গার্ড লিটন দেব।

অভিযোগ পত্রে ভুক্তভোগী লিটন দেব উল্লেখ করেন, 'গত মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পার্শ্ববর্তী গাজী কালুর টিলায় ডিউটি করার সময় অসামাজিক অবস্থায় বহিরাগত এক যুগলকে পান তিনি। তাদেরকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যেতে চাইলে তারা নিজেদেরকে ওসমানি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী বলে পরিচয় দেন এবং ছাত্রলীগ নেতা রনি’র পরিচিত বলে দাবি করেন।'

এসময় তারা রনিকে কল দিয়ে শহীদ মিনারের সামনে নিয়ে আসে এবং রনি এসে তাদেরকে ছেড়ে দিতে বলে। তাদেরকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যেতে চাইলে এ সময় রনি গার্ডের কানে জোরে জোরে চড় দেন, মাথায় আঘাত করে ও বুকে ঘুষি মারেন। মারধরের কথা প্রক্টরকে জানালে ঐ গার্ডের চাকরি খেয়ে ফেলবেন বলে হুমকি প্রদান করেন রনি। এ সময় ঐ যুগলকে অটোরিকশায় তুলে দেইয় ছাত্রলীগ নেতা।

এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, কানে আঘাত পাওয়ার ফলে তার কান থেকে পানি পড়ছে এবং বাম কানে শুনতে পাচ্ছেন না। অন্যদিকে বুকে ঘুষির ফলে তিনি বুকে ব্যথা পান। অভিযোগ পত্রে ঘটনার যথাযথ বিচার দাবি করেন গার্ড।

যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি অস্বীকার করে আসিফ হোসেন রনি বলেন, ‘ঐ গার্ডের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। সে অনেককে পুলিশে এবং প্রক্টরের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে। ওই দিন গার্ড মেয়েটির সাথে বাজে ব্যবহার করেছিল যার কারণে তাকে আমি একটি চড় মারি। তার দায়িত্ব হচ্ছে চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধ করা, কোনো ছেলে মেয়ে হাত ধরে বসে থাকলে তা দেখা তার দায়িত্ব নয়।’

এবিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কর্তৃক একজন গার্ডকে মারধর করা খুব নিন্দনীয় কাজ। বিষয়টি আমি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ স্যারকে জানিয়েছি। তদন্ত করে ঘটনার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে সহকারী প্রক্টর সামিউল ইসলামকে প্রধান করে এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহকারী প্রক্টর আবু হেনা পহিল ও মোঃ শাকিল ভূঁইয়া। কমিটিকে অতিদ্রুত তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নৃবিজ্ঞান বিভাগ ও আইপিই বিভাগের সংঘর্ষে এক সহকারী প্রক্টরকে লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছিল রনি’র বিরুদ্ধে। এজন্য তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল।

 

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিডিইউ উপাচার্যের শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিডিইউ উপাচার্যের শ্রদ্ধা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিডিইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির (বিডিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) মো. আশরাফ উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

শ্রদ্ধা জানানো শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন পুরো জাতিকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র জাতির পিতাকে হত্যা করে। কিন্তু তার স্বপ্ন ও আদর্শকে রুখে দিতে পারেনি ঘাতকেরা।

উপাচার্য জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতা হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ ধারণ করে সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

খুবি'র শিক্ষার্থী বহিষ্কার

খুবি'র শিক্ষার্থী বহিষ্কার
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের (অনুষদ) আওতাধীন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২০২তম জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে সিন্ডিকেটের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিন্ডিকেটের সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

খুবি'র জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, উক্ত শিক্ষার্থী গত ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত শেষে কমিটি গত ৪ আগস্ট তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে। সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় উক্ত রিপোর্ট পেশ করা হলে কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের ঐ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র