Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

নবীনদের পদচারণায় মুখরিত ঢাবি ক্যাম্পাস

নবীনদের পদচারণায় মুখরিত ঢাবি ক্যাম্পাস
বছরের প্রথমে নবীনদের পদচারণায় মুখরিত ঢাবি ক্যাম্পাস/ ছবি: বার্তা২৪.কম
সোহানুর রহমান
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভর্তিযুদ্ধ পেরিয়ে এবার ঢাবির প্রথম বর্ষে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী। শীতকালীন ছুটি ও জাতীয় নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই নবীনদের পদচারণা আর কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), বটতলা, মলচত্বর, হাকিম চত্বর, মিলন চত্বর, কেন্দ্রীয় পাঠাগার, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও কার্জন হলসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় চোখে পড়ে নবাগতদের দলগত আড্ডা ও ঘোরাঘুরি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547136797628.gif

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১ জানুয়ারি থেকে। কয়েকটি বিভাগ ব্যতীত অধিকাংশ বিভাগের ক্লাস ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে যাওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীই আপন নিবাস ছেড়ে চলে এসেছেন তাদের স্বপ্নের ক্যাম্পাসে।

ফলে ক্যাম্পাসের প্রধান আড্ডাস্থলগুলোতে পুরনোদের পাশাপাশি যোগ হয়েছে নতুন আরও কতগুলো মুখ। স্কুল-কলেজের ধরাবাঁধা নিয়মের গণ্ডি পেরিয়ে এ নবীনরা যেন খোলা আকাশে উড়ার সুযোগ পেয়েছে।

ক্লাসের পরে বিকালে আড্ডা দেওয়া ছাড়াও রাত-বিরাতে চষে বেড়াচ্ছেন তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা। ঘুরে ঘুরে দেখছেন বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, ভাস্কর্য ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো। অগ্রজদের কাছ থেকে জেনে নিচ্ছেন অজানা জায়গা ও বিষয়গুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547136752585.gif

কঠোর অধ্যবসায় ও দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ঢাবির ভর্তিযুদ্ধে জয়ী হয়ে স্বপ্ন পূরণের রাস্তায় এসে তাদের মুখে প্রস্ফুটিত হচ্ছে সাফল্যের মিষ্টি হাসি ও উল্লাস। ক্যাম্পাসের প্রতিটি স্থানে আনন্দ-উল্লাস আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে অধিকাংশ সময় পার করছেন এই নতুন মুখগুলো।

দেখে মনে হয় অনেকটা পথ পাড়ি দেওয়ার পর উদ্দিষ্ট গন্তব্যে এসে যেন এক স্বস্থির নিশ্বাস ফেলেছেন এই নবাগতরা। অনেকে প্রকাশ করেছেন তাদের কোমল-মিষ্টি অনুভূতি ও প্রাণচঞ্চলতা।

কথা হয় টিএসসির অভ্যন্তরে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মাশরিফা জাহান শিফার সঙ্গে। তিনি বলেন, 'অনেক ভালো লাগছে। স্বপ্নের ক্যাম্পাস। এতো বড়! স্বপ্নের মতো একটা সৌন্দর্য! সব মিলিয়ে খুব ভালো লাগছে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547136774999.gif

বটতলায় আড্ডা দেওয়া শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র মুন্নাফ হোসেনের কাছে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এমন সুন্দর পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে একসাথে আড্ডা দিচ্ছি। অনেক ভালো লাগছে।'

তবে গেস্টরুম, ক্যান্টিনের খাবার ও হলে থাকা নিয়ে দুঃখবোধও রয়েছে অনেকের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের বাসিন্দা প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'ভালো লাগছে তবে প্যারাও আছে। বিষয়টা হলো সুখ ও যন্ত্রণার সংমিশ্রণ। হলে থাকতে ও ক্যান্টিনের খাবার খেতে কষ্ট হয়। রাজনৈতিক অনেক প্রোগ্রাম ও গেস্টরুমও করতে হয়।'

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে একেরপর এক ঘটতে থাকা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রমৈত্রী।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা রাজাকারদের বিচার করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে চলমান খুনি, ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কেন বিচার করতে পারছি না?

এ সময় তারা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কার্যকরী ভূমিকা পালন করার দাবি জানান।

ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোরশেদ হাবিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সহসভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন, শেখ রাসেল হলের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দফতর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসাইন আজাদসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাতর্মীরা।

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

নানা আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষাক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় মনোরমভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়।

দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, উদ্বোধনী ঘোষণা, আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, তথ্যচিত্র উপস্থাপনা, সম্মাননা স্মারক প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

NSTU

সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো.মমিনুল হক প্রমুখ।

পরে হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। সভা সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মমিনুল হক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র