Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বছরজুড়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে রাবি ছাত্রলীগ

বছরজুড়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে রাবি ছাত্রলীগ
ছবি: সংগৃহীত
সাইফুল্লাহ সাইফ
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নেতাকর্মীরা একের পর এক ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছেন। এক বছর মেয়াদী কমিটি দুই বছর পার করলেও এখনো পর্যন্ত নতুন নেতৃত্ব না আসায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অপকর্মের মাত্রা একের পর এক বেড়েই চলেছে বলে দাবি করছেন সংগঠনটির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা।

সাংবাদিক-সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন জনকে মারধর, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ছাত্রী উত্যক্ত, সিট বাণিজ্য, হলে অবৈধ সিট দখল ও হলগুলোতে পলিটিক্যাল ব্লক তৈরিসহ বিভিন্ন ধরণের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন। এতে করে সংগঠনটির ইমেজ সংকটের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে রাবি ছাত্রলীগ।

এদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নেতাকর্মীদের অপকর্মের কারণে বিব্রত সংগঠনটির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা। তারা বলছেন, কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কাউন্সিল না দেওয়ায় এসব উশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর রাবি শাখা ছাত্রলীগের ২৫তম সম্মেলনে গোলাম কিবরিয়াকে সভাপতি ও ফয়সাল আহমেদ রুনুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়। প্রায় ছয় মাস পর ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির স্থলে ২৫১ সদসস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

মারধর:

পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর ২০১৭ সালের ১০ জুলাই ছাত্রলীগের প্রথম কর্মসূচির দিন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. কানন, সহসভাপতি আহমেদ সজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান লাবন ও আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সহ ১০-১২ জন নেতাকর্মী ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরাফাত রহমানকে বেধড়ক মারধর করেন।

এরপর গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণিজ্যিক সিনেমা প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে দৈনিক খোলা কাগজের রাবি প্রতিনিধি আলী ইউনুস হৃদয়কে মারধর করে রাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরুন জামিল সুষ্ময়। গত ২০ ডিসেম্বর রাতে ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে আহত করেন শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ।

গত বছরের ২৮ এপ্রিল রাবির দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে লিচু পাড়ার অভিযোগে মারধর করার অভিযোগ উঠে ছাত্রলীগ নেতকর্মীর বিরুদ্ধে। এরপর মাদক সেবনের অভিযোগ এনে ঐ বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করে রাবি ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহিল গালিব, সহসম্পাদক আব্দুল্লাহিল কাফি ও ছাত্রলীগ কর্মী শুভ্রদেব।

এরপর গত ১৩ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগ এনে আরবি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীকে মারধর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। গত বছরের ২০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যায় পরিবহনের আব্দুল গনি নামের এক বাস চালককে মারধর করে সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরুন জামিল সুষ্ময়।

এর আগে ঐবছরের ২ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে তরিকুল ইসলাম নামে এক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে সড়কে ফেলে বেধড়ক মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মারধরে তরিকুলের পা ভেঙ্গে যায় এবং তার মেরুদণ্ডের হাড় ফেটে যায়।

চাঁদাবাজি:

গত ৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে শিবির আখ্যা দিয়ে তার কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা চাঁদাবাজি করেন রাবি ছাত্রলীগের সহসম্পাদক সাফি।

গত ৭ ডিসেম্বর আল আরমান হৃদয় নামের এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০ হাজার টাকা চুক্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান রাথিক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জসীমউদ্দীন রাহুল।

চুক্তি অনুযায়ী হৃদয় পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং পরে বাকি ১৫ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হৃদয়ের একাডেমিক সনদপত্র জিম্মি করে রাখেন রাথিক ও রাহুল।

সর্বশেষ ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মাদক ব্যবসায়ী ও ছাত্রদল কর্মী আখ্যা দিয়ে ১০ হাজার টাকা চাঁদাবাজি করে শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুরঞ্জিত প্রসাদ বৃত্ত, সহ-সম্পাদক আরমান কায়সার আবির ও সফির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠি।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলে কক্ষে ইন্টারনেট সংযোগকে কেন্দ্র করে জীবন নামের এক শিক্ষার্থীর কক্ষ ভাঙ্চুর ও তার ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

টেন্ডার ছাড়াই আম লিচু বাগান দখল:

টেন্ডার ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের আম ও লিচু বাগান দখলের অভিযোগ উঠে রাবি ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফ করিম রুপম ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরুন জামিল সুষ্ময়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে শোকজও করা হয়।

ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির হুমকি:

নিজের প্রেমিকার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকি দেন রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সারোয়ার হোসেন।

অবৈধ সিট দখল সিট বাণিজ্য:

প্রত্যেক আবাসিক হলে একধিক কক্ষ অবৈধভাবে দখল করে সিট বাণিজ্য করছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, মাহমুদুল হাসান শাকিল ও কর্মী মাজাহারুল ইসলাম আধিপত্য বিস্তার করে অবৈধভাবে সিট দখল নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া সৈয়দ আমীর আলী হলে প্রথম সারির তিন জন নেতা পলিটিক্যাল ব্লক করে বৈধ শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক কক্ষ পরিবর্তনে বাধ্য করেন।

প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক:

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে গিয়ে ২০১৭ সালের ১৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ বান্ধবীসহ গ্রেফতার হন। এরপর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জালিয়াতির দায়ে ঐ বছরের ১৭ ডিসেম্বর রাবি ছাত্রলীগৈর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সজল ও ছাত্রলীগ কর্মী মোস্তফা বিন ইসমাঈলকে আটক করে পুলিশ।

নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা:

২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শুরু হওয়া নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ করে দেন রাবি ছাত্রলীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধান ফটক বন্ধ করে রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি একাডেমিক ভবন ও প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী, সুমন জোয়ার্দার, ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম সুমন জোয়ার্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৪৪ তম ব্যাচের ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানার অনুসারী বলে জানা যায়।

সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসের মালিক মো. সুজন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'রোববার বিকালে সুমন তার বান্ধবীকে নিয়ে আমার দোকানে আসে। এ সময় তার বাড়ি থেকে আনা মাংস গরম করে দিতে বলে। কিন্তু আমাদের গ্যাসের চুলা নিভিয়ে ফেলায় আমরা অস্বীকৃতি জানাই। এরপরও সুমন কয়েকবার আমাকে ডাকে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আমি শুনতে পাইনি। পরে তার কাছে গেলে সুমন আমাকে বলে, তোর কানেতো সমস্যা, যাওয়ার সময় ঠিক করে দিয়ে যাব। খাওয়া শেষে বান্ধবীকে নিয়ে চলে যায় সুমন। পরে হলের সাত-আটজন জুনিয়র ছাত্রলীগ কর্মীকে নিয়ে এসে কাঠের টুকরা দিয়ে আমাকে মারধর করে।'

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন জোয়ার্দার মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানের কাঠের চেলা দিয়ে মারছি। তার দোষের কারণেই মারধর করা হয়েছে। আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে সেও মারধর করত।'

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মাত্র জানতে পারলাম, এমন ঘটনা দুঃখজনক। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানগুলো হলের নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত হল প্রশাসন নেন। তবে যেহেতু মারধরের ঘটনা ঘটেছে আমরা খোঁজ খবর নেব। এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগপত্র পাইনি।'

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাকৃবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোভাযাত্রা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

৫৮ পেরিয়ে ৫৯ বছরে পা দিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৃষি শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। কৃষি ও কৃষি বিজ্ঞানের সকল শাখায় উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৬১ সালের আজকের এই দিনে (১৮ আগস্ট) ময়মনসিংহে পূর্ব পাকিস্থান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে এ প্রতিষ্ঠানটি। স্বাধীনতার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশবিদ্যালয় (বাকৃবি)।

ময়মনসিংহ শহর থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে এক হাজার ২০০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৈরি হয়েছে ৪৭ হাজার ২৬৮ জন কৃষিবিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122325068.gif

প্রতিষ্ঠাকালে ভেটেরিনারি ও কৃষি অনুষদ নামে মাত্র দুটি অনুষদ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ছয়টি অনুষদ রয়েছে। কৃষি, ভেটেরিনারি, পশুপালন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আওতায় ৪৪ বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে সাত হাজার ১০৩ জন শিক্ষার্থী ও ৫৮১ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য রয়েছে ১৩টি হল।

শোকের মাস আগষ্টের কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তেমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন না করে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122353373.gif

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাডে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। পরে হ্যালিপ্যাড থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়।

শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্য খামারের সহযোগিতায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে জার্মপ্লাজম সেন্টারের সহযোগিতায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বনজ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122378559.gif

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস বাস্তবায়ন উপ-কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান।

উপাচার্য বলেন, 'বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করার যে চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছিলাম, তাতে আমরা জয়লাভ করেছি। তবে বর্তমানে দেশে সেইফ ফুড বা খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে আমরা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র