Alexa

‘ইউনি সিক্সার্স’ টি-১০: কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

‘ইউনি সিক্সার্স’ টি-১০: কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

ছবি: সংগৃহীত

যারা ভাবতেন টি-২০ই ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট-এরপর ক্রিকেটকে আর ছোট করা যাবে না, তারা এখন কী বলবেন বলা কঠিন। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণ ট্যাগটা যে আর রাখা যাচ্ছে না ! ১০ ওভারের ক্রিকেটই যে চলে এসেছে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম রূপ এখন তো এই টি -১০ ক্রিকেটই। 

প্রথমবারের মত জনপ্রিয় এই নতুন ধাঁচের ক্রিকেটের আবির্ভাব হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। ইভেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘এক্সট্রিম কমিউনিকেশনসের’ উদ্যোগে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাবান এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় মাঠে গড়াতে যাচ্ছে টি-১০ ভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘ইউনি সিক্সার্সের’ প্রথম পর্ব। আর এই টুর্নামেন্টেকে ঘিরে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। পড়াশোনার পাশাপাশি আনুষঙ্গিক কার্যক্রমেও বেশ এগিয়ে বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। দল হিসেবে খুব একটা অভিজ্ঞ না হলেও, চমক দিতে প্রস্তুত কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির খেলোয়াড়রা এমনটাই জানিয়েছেন দলটির কোচ শাহাবুদ্দিন রিফাত।

আসন্ন টি-১০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছে টুর্নামেন্টের অনলাইন পার্টনার বার্ত২৪ ডটকম । এরই ফলশ্রুতিতে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির (অধিনায়ক) সাইফুল নিলয় ও (কোচ) শাহাবুদ্দিন রিফাত মাঠের খেলা’কে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজেদের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেছেন।

সাইফুল নিলয় -(অধিনায়ক): “টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে আমরা আমাদের দল অনেকটাই গুছিয়ে ফেলেছি। আমরা আগামী পরশু দিন থেকে ব্যাটে-বলে অনুশীলন শুরু করবো। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের টিম কম্বিনেশন খুবই ভালো, আমি দল নিয়ে অনেকটাই আশাবাদী। আসলে একবারে তো আর ফাইনালের স্বপ্ন দেখা যায় না , আপনাকে ধাপে ধাপে এগোতে হবে। তাই আমরা এখন মূলত প্রথম ম্যাচের দিকেই ফোকাস দিচ্ছি। এদিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে আয়োজন প্রতিষ্ঠান ‘এক্সট্রিম কমিউনিকেশন’ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অবশ্যই ভালো। কারণ আপনি যদি আমাদের দেশের ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা দেখেন, এক কথায় বলতে হয় অসাধারণ। আমরাও চাই নতুন নতুন খেলোয়াড় বের হয়ে আসুক। আপনি একজন মাশরাফি দিয়ে তো আর ৫০ বছর খেলাতে পারবেন না, আমরাও চাই নতুন নতুন মাশরাফি-সাকিব বের হয়ে আসুক। এই ধরনের টুনামেন্ট তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক বড় সুযোগ। তারা এই টুর্নামেন্টকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে আরো উপরে উঠতে পারবে। আর এমন উদ্যোগে আরো অনেক প্রতিষ্ঠানে এগিয়ে আসবে আমি এমনটাই আশা করি।

শাহাবুদ্দিন রিফাত- (কোচ): টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে জোরেশোরেই আমাদের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া টুর্নামেন্টে আমাদের আল্টিমেট লক্ষ্য ফাইনাল নিশ্চিত করা। হ্যাঁ ,আমাদের ইউনিভার্সিটি হয়তোবা নতুন তবে আমাদের দুর্বল ভাবার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আমাদের ইউনিভার্সিটির অনেক প্লেয়ার রয়েছে যারা অনূর্ধ্ব -১৭ থেকে শুরু করে বয়স ভিত্তিক বিভিন্ন দলে খেলছে। সব মিলিয়ে আমাদের দল অনেকটাই শক্তিশালী এবং আমি ভালো কিছুর ব্যাপারে।

ক্যাম্পাস এর আরও খবর