Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘ইউনি সিক্সার্স’ টি-১০: কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

‘ইউনি সিক্সার্স’ টি-১০: কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

যারা ভাবতেন টি-২০ই ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট-এরপর ক্রিকেটকে আর ছোট করা যাবে না, তারা এখন কী বলবেন বলা কঠিন। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণ ট্যাগটা যে আর রাখা যাচ্ছে না ! ১০ ওভারের ক্রিকেটই যে চলে এসেছে। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম রূপ এখন তো এই টি -১০ ক্রিকেটই। 

প্রথমবারের মত জনপ্রিয় এই নতুন ধাঁচের ক্রিকেটের আবির্ভাব হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। ইভেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘এক্সট্রিম কমিউনিকেশনসের’ উদ্যোগে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাবান এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময় মাঠে গড়াতে যাচ্ছে টি-১০ ভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘ইউনি সিক্সার্সের’ প্রথম পর্ব। আর এই টুর্নামেন্টেকে ঘিরে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। পড়াশোনার পাশাপাশি আনুষঙ্গিক কার্যক্রমেও বেশ এগিয়ে বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। দল হিসেবে খুব একটা অভিজ্ঞ না হলেও, চমক দিতে প্রস্তুত কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির খেলোয়াড়রা এমনটাই জানিয়েছেন দলটির কোচ শাহাবুদ্দিন রিফাত।

আসন্ন টি-১০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছে টুর্নামেন্টের অনলাইন পার্টনার বার্ত২৪ ডটকম । এরই ফলশ্রুতিতে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির (অধিনায়ক) সাইফুল নিলয় ও (কোচ) শাহাবুদ্দিন রিফাত মাঠের খেলা’কে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজেদের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেছেন।

সাইফুল নিলয় -(অধিনায়ক): “টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে আমরা আমাদের দল অনেকটাই গুছিয়ে ফেলেছি। আমরা আগামী পরশু দিন থেকে ব্যাটে-বলে অনুশীলন শুরু করবো। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের টিম কম্বিনেশন খুবই ভালো, আমি দল নিয়ে অনেকটাই আশাবাদী। আসলে একবারে তো আর ফাইনালের স্বপ্ন দেখা যায় না , আপনাকে ধাপে ধাপে এগোতে হবে। তাই আমরা এখন মূলত প্রথম ম্যাচের দিকেই ফোকাস দিচ্ছি। এদিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে আয়োজন প্রতিষ্ঠান ‘এক্সট্রিম কমিউনিকেশন’ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অবশ্যই ভালো। কারণ আপনি যদি আমাদের দেশের ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা দেখেন, এক কথায় বলতে হয় অসাধারণ। আমরাও চাই নতুন নতুন খেলোয়াড় বের হয়ে আসুক। আপনি একজন মাশরাফি দিয়ে তো আর ৫০ বছর খেলাতে পারবেন না, আমরাও চাই নতুন নতুন মাশরাফি-সাকিব বের হয়ে আসুক। এই ধরনের টুনামেন্ট তরুণ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক বড় সুযোগ। তারা এই টুর্নামেন্টকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে আরো উপরে উঠতে পারবে। আর এমন উদ্যোগে আরো অনেক প্রতিষ্ঠানে এগিয়ে আসবে আমি এমনটাই আশা করি।

শাহাবুদ্দিন রিফাত- (কোচ): টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে জোরেশোরেই আমাদের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া টুর্নামেন্টে আমাদের আল্টিমেট লক্ষ্য ফাইনাল নিশ্চিত করা। হ্যাঁ ,আমাদের ইউনিভার্সিটি হয়তোবা নতুন তবে আমাদের দুর্বল ভাবার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আমাদের ইউনিভার্সিটির অনেক প্লেয়ার রয়েছে যারা অনূর্ধ্ব -১৭ থেকে শুরু করে বয়স ভিত্তিক বিভিন্ন দলে খেলছে। সব মিলিয়ে আমাদের দল অনেকটাই শক্তিশালী এবং আমি ভালো কিছুর ব্যাপারে।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী, সুমন জোয়ার্দার, ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম সুমন জোয়ার্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৪৪ তম ব্যাচের ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানার অনুসারী বলে জানা যায়।

সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসের মালিক মো. সুজন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'রোববার বিকালে সুমন তার বান্ধবীকে নিয়ে আমার দোকানে আসে। এ সময় তার বাড়ি থেকে আনা মাংস গরম করে দিতে বলে। কিন্তু আমাদের গ্যাসের চুলা নিভিয়ে ফেলায় আমরা অস্বীকৃতি জানাই। এরপরও সুমন কয়েকবার আমাকে ডাকে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আমি শুনতে পাইনি। পরে তার কাছে গেলে সুমন আমাকে বলে, তোর কানেতো সমস্যা, যাওয়ার সময় ঠিক করে দিয়ে যাব। খাওয়া শেষে বান্ধবীকে নিয়ে চলে যায় সুমন। পরে হলের সাত-আটজন জুনিয়র ছাত্রলীগ কর্মীকে নিয়ে এসে কাঠের টুকরা দিয়ে আমাকে মারধর করে।'

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন জোয়ার্দার মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানের কাঠের চেলা দিয়ে মারছি। তার দোষের কারণেই মারধর করা হয়েছে। আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে সেও মারধর করত।'

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মাত্র জানতে পারলাম, এমন ঘটনা দুঃখজনক। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানগুলো হলের নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত হল প্রশাসন নেন। তবে যেহেতু মারধরের ঘটনা ঘটেছে আমরা খোঁজ খবর নেব। এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগপত্র পাইনি।'

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাকৃবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোভাযাত্রা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

৫৮ পেরিয়ে ৫৯ বছরে পা দিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৃষি শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। কৃষি ও কৃষি বিজ্ঞানের সকল শাখায় উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৬১ সালের আজকের এই দিনে (১৮ আগস্ট) ময়মনসিংহে পূর্ব পাকিস্থান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে এ প্রতিষ্ঠানটি। স্বাধীনতার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশবিদ্যালয় (বাকৃবি)।

ময়মনসিংহ শহর থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে এক হাজার ২০০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৈরি হয়েছে ৪৭ হাজার ২৬৮ জন কৃষিবিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122325068.gif

প্রতিষ্ঠাকালে ভেটেরিনারি ও কৃষি অনুষদ নামে মাত্র দুটি অনুষদ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ছয়টি অনুষদ রয়েছে। কৃষি, ভেটেরিনারি, পশুপালন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আওতায় ৪৪ বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে সাত হাজার ১০৩ জন শিক্ষার্থী ও ৫৮১ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য রয়েছে ১৩টি হল।

শোকের মাস আগষ্টের কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তেমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন না করে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122353373.gif

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাডে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। পরে হ্যালিপ্যাড থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়।

শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্য খামারের সহযোগিতায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে জার্মপ্লাজম সেন্টারের সহযোগিতায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বনজ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122378559.gif

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস বাস্তবায়ন উপ-কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান।

উপাচার্য বলেন, 'বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করার যে চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছিলাম, তাতে আমরা জয়লাভ করেছি। তবে বর্তমানে দেশে সেইফ ফুড বা খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে আমরা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র