Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

যেকোনো চিকিৎসায় 'প্যারাসিটামল দুই বেলা'

যেকোনো চিকিৎসায় 'প্যারাসিটামল দুই বেলা'
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: সংগৃহীত
মোঃ আশিকুর রহমান


  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে যেকোনো রোগের চিকিৎসা নিতে গেলে শিক্ষার্থীদের হাতে প্যারাসিটামল ধরিয়ে দেওয়া হয়। জ্বর, ঠাণ্ডা, মাথাব্যথাসহ সব রোগের ক্ষেত্রেই এ ওষুধটি ব্যবহারের পরামর্শ দেয় দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। তা ছাড়া এ মেডিক্যাল সেন্টারে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি থাকলেও তা ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে যন্ত্রপাতিগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মেডিক্যাল সেন্টারে গেলেই চিকিৎসকরা প্যারাসিটামল ধরিয়ে দেন। কখনো কখনো এর সঙ্গে হিস্টাসিনও দেন। আর সমস্যা গুরুতর হলে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

এ প্রসঙ্গে লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালন বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী নীলয় মাহমুদ রুবেল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে প্যারাসিটামল-হিস্টাসিনের মতো দুয়েকটা ওষুধ  ছাড়া আর কোনো ওষুধ পাওয়া যায় না। যদি ওষুধ পাওয়া না যায় আর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো না যায়—তাহলে মেডিক্যাল সেন্টার থাকারই প্রয়োজন কী?’

বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘গত বছর মেডিক্যাল সেন্টারের জন্য ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এনালাইজার মেশিন কেনা হলেও কোনো টেকনিশিয়ান না থাকায় তা ব্যবহার করতে পারছি না। আমাদের বাজেট খুবই কম, যা দিয়ে দামি ওষুধ কেনা সম্ভব নয়। তা ছাড়া মেডিক্যাল সেন্টারটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে হলে আরো কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেওয়া জরুরি।’

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্ট সাত হাজারেরও বেশি লোকের জন্য একটি মাত্র অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে। মাত্র চারজন চিকিৎসক দিয়ে চলছে মেডিক্যাল সেন্টারটি। রাতের বেলা দায়িত্ব পালন করেন মাত্র একজন চিকিৎসক। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়। এসব কারণে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদাসীনতার অভিযোগ করছে শিক্ষার্থীরা। আর অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সব ধরণের ওষুধ সরবরাহ সম্ভব হচ্ছেনা, দাবি মেডিক্যাল সেন্টার কর্তৃপক্ষের।         

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মেডিক্যাল সেন্টারটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে এ ব্যাপারে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। আশা করি, শীঘ্রই  সব সমস্যা সমাধান হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনের আর বাকি একদিন। তবে এ সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদপ্রত্যাশীদের আক্রোশপূর্ণ মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সংঘর্ষের।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীরা। পরবর্তীতে জবি শাখা ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এড়াতে ব্যর্থ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রিয় কমিটি। কেন্দ্রিয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সৎ,পরিশ্রমী ও যোগ্য নেতৃত্ব দিতে আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন কমিটি দেওয়া হয়।

সম্মেলন কমিটির নেতৃত্বে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু হলেও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাড়ছে আন্তঃকোন্দল ও রোষানল। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সম্মেলন ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে সবার মাঝে।

পোস্টার ছেড়ার বিষয়ে সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু বার্তাটোয়োন্টিফোর.কমকে জানান, কে বা কারা পোস্টার ছিড়ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। সম্মেলনে সংঘর্ষের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এখানে যারা আছি, সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে একান্তই যদি কোনো অহেতুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা মীমাংশা করে নেব। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র