Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঢাবির ভিসি কার্যালয় ঘেরাও করবে বামজোট

ঢাবির ভিসি কার্যালয় ঘেরাও করবে বামজোট
ছবি: বার্তা২৪
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলের বদলে একাডমিক ভবনে করাসহ ছয় দাবিতে সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় ঢাবি উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করবে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো।

রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে তাদের পূর্ব নির্ধারিত এই কর্মসূচির কথা জানান বাম ছাত্রনেতারা। তারা বলেন, দাবিগুলো আদায়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে চার দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়ায় সোমবার এই কর্মসূচি পালন করবে বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর মোর্চা ‘প্রগতিশীল ছাত্রজোট' ও ‘সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য’।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ‘বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র সভাপতি ইকবাল কবীর বলেন, 'দীর্ঘ আন্দোলনের পর ডাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সারা দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে নির্বাচনের দিকে থাকিয়ে আছে। দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যাম্পাস জুড়ে দখলদারিত্বের যে অচলায়তন তৈরি হয়েছে, তা ভাঙার সোপান ডাকসু নির্বাচন। আমরা মনে করি, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সবার আগে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা দরকার। ইতোমধ্যে এসব বিষয় নিয়ে আমাদের ছয় দফা দাবি প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকল দাবি উপেক্ষা করছেন। তাই আগামীকাল (সোমবার) আমাদের পূর্ব নির্ধারিত ‘উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি’ বহাল থাকবে। দুপুর ১২টায় মধুর ক্যান্টিন থেকে আমরা সেখানে যাব।'

বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর ছয় দফা দাবিগুলো হলো-

১. ক্যাম্পাস ও হলগুলোকে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত করে সংগঠনগুলোর সহাবস্থান এবং শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

২. গেস্টরুম-গণরুমে নির্যাতন বন্ধ ও নির্যাতনের বিচার করা।

৩. প্রয়োজন ও মেধার ভিত্তিতে প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে প্রথম বর্ষ থেকে হলে বৈধ সিটের ব্যবস্থা করা।

৪. ডাকসু ও হল সংসদ ফি প্রদানকারী শিক্ষার্থীদের ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা।

৫. হলে অবস্থানরত ও সংযুক্ত সকল শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার সুরক্ষায় ভোট কেন্দ্রে একাডেমিক ভবনসমূহে স্থাপন করা।

৬. শ্রেণীকক্ষে প্রচারণা, নির্বাচনী সমাবেশে জাতীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণের বাধাসহ আচরণবিধির অগণতান্ত্রিক বিধানসমূহ বাতিল করা।

সংবাদ সম্মেলনে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জিএম জিলানী শুভ, ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপুল চাকমা, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি আতিফ অনিক, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি পারভেজ লেলিন, ছাত্র গণমঞ্চের সভাপতি আফনান আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনের আর বাকি একদিন। তবে এ সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদপ্রত্যাশীদের আক্রোশপূর্ণ মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সংঘর্ষের।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীরা। পরবর্তীতে জবি শাখা ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এড়াতে ব্যর্থ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রিয় কমিটি। কেন্দ্রিয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সৎ,পরিশ্রমী ও যোগ্য নেতৃত্ব দিতে আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন কমিটি দেওয়া হয়।

সম্মেলন কমিটির নেতৃত্বে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু হলেও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাড়ছে আন্তঃকোন্দল ও রোষানল। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সম্মেলন ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে সবার মাঝে।

পোস্টার ছেড়ার বিষয়ে সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু বার্তাটোয়োন্টিফোর.কমকে জানান, কে বা কারা পোস্টার ছিড়ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। সম্মেলনে সংঘর্ষের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এখানে যারা আছি, সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে একান্তই যদি কোনো অহেতুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা মীমাংশা করে নেব। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র