Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডাকসুর ভিপি পদের ফল প্রত্যাখ্যান ছাত্রলীগের

ডাকসুর ভিপি পদের ফল প্রত্যাখ্যান ছাত্রলীগের
ফল ঘোষণার পর ছাত্রলীগের বিক্ষোভ/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শুধু সহ-সভাপতি পদের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে জিএস ও এজিএস নির্বাচিত হলেও পরাজিত হন ভিপি পদে।

সোমবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে নুরুল হক নুরের কাছে হেরে যান ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে মনোনীত রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান ভিপি হিসেবে নুরুল হক নুরের নাম ঘোষণা পরেই বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

রাত ৪টার দিকে দেখা যায়, উপাচার্যের পাশে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন দাঁড়িয়ে আছেন।

এ সময় অন্য নেতাকর্মীরা চারদিক থেকে উপাচার্যকে ঘিরে 'ভুয়া', 'শেইম', 'একটা একটা শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর', 'নুরুর চামড়া, তুলে নেবো আমরা' অনবরত এসব স্লোগান দিচ্ছেন।

তবে স্লোগানরত উত্তেজিত নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকের চেহারা ও আচরণ দেখে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে মনে হচ্ছে না এমন অভিযোগও ওঠেছে।

এ সময় গোলাম রব্বানী ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ উত্তেজিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের থামার জন্য বললেও আগের চেয়ে তাদের আরও উত্তেজিত হতে দেখা যায়। 

গোলাম রাব্বানী বলেন, 'যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ভবনে হামলা করেছে, সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের মেনে নেবে না। কোটা সংস্কার আন্দোলনে ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে তারা যেভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহার করেছে, আজকে সে রকম নাটক করেছে। তারা শিবিরের ফেরত ভোটে জয়ী হয়েছে।’

উপাচার্যকে ফলাফল পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন গোলাম রাব্বানী। এ সময়, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নুরকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নিজের অস্ত্রে ছাত্রলীগ নেতা মেশকাত গুলিবিদ্ধ

নিজের অস্ত্রে ছাত্রলীগ নেতা মেশকাত গুলিবিদ্ধ
মেশকাত হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মেশকাত হোসেন নিজের পকেটে থাকা অস্ত্রে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ হল গেটের ভেতরে বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মেশকাত হোসেনের পা থেকে রক্ত বের হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘লোডেড অস্ত্র পকেটে নিয়ে ঘুরলে যা হয় আর কি! আরও খারাপ কিছু হতে পারত।’

একটি সূত্র জানায়, মেশকাত সব সময় অস্ত্র নিয়ে ঘোরেন। শনিবার রাতে বন্ধুদের সঙ্গে হল গেটে ঢোকার সময় সম্ভবত অস্ত্র আনলক করা ছিল। তাই অসাবধানে গুলি বের হলে তার ডান পায়ের হাঁটুতে লাগে।

এ ব্যাপারে মাস্টারদা সূর্যসেন হল শাখা ছাত্র সংসদের ভিপি মারিয়াম জামান খান সোহান জানান, হলে ঢোকার সময় মেশকাতকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পাই। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করি। আর বেশি কিছু বলতে পারছি না।

সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মকবুল হোসেন ঘটনাটি দেখার জন্য লোক পাঠিয়েছেন বলে জানান।

‘স্টেম শিক্ষা হচ্ছে উদ্ভাবন এবং চিন্তার ডাইমেনশন’

‘স্টেম শিক্ষা হচ্ছে উদ্ভাবন এবং চিন্তার ডাইমেনশন’
‘বাংলাদেশ স্টেম (সাইন্স,টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাথামেটিকস) সোসাইটি’ শীর্ষক সেমিনার/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত বিষয়ে শিখন-পঠনের নতুন মাধ্যম স্টেম শিক্ষা। এর সহায়তায় এমন এক সুসমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে যাতে তারা বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, বাস্তবজ্ঞান, যেকোন কিছুকে ভেঙে তার মূল সমস্যায় পৌঁছাতে পারবে। এজন্য একুশ শতকে স্টেম শিক্ষা অতি জরুরি।

শনিবার (২০ জুলাই) ‘বাংলাদেশ স্টেম (সাইন্স,টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যাথামেটিকস) সোসাইটি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

রাজধানীর বাংলাদেশ প্রকৌশল ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কাউন্সিল ভবনে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ, বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড সায়ফুল ইসলাম, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  ড কামাল উদ্দীন আহমেদ, স্টেম বাংলাদেশের আহবায়ক ড আল নাকীব চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা দীপু মনি থাকার কথা থাকলেও তিনি আসতে পারেননি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, স্টেম শিক্ষা হচ্ছে নতুন উদ্ভাবন এবং চিন্তার ডাইমেনশন। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা যেকোনো কিছুর অ্যানালিটিক্যাল দক্ষতা অর্জন করে ক্রিটিক্যাল ব্যাখ্যা করতে পারবে।

তিনি বলেন, দারিদ্রতা এবং বৈষম্য দূরীকরণে এটি বড় অবদান রাখতে পারবে। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি হবে রিয়েল লাইফ সিচুয়েশন অর্থাৎ বাস্তব পরিস্থিতি বুঝে কি ব্যবস্থা নিতে হবে, সেক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। স্টেমকে স্মার্ট শিক্ষা পদ্ধতি হিসাবেও তিনি মনে করেন।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড সায়ফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে স্টেম শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমাদের জীবনের একটি লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপদ, মানসম্মত, সংঘাতমুক্ত সমাজ ও ভারসাম্য পরিবেশে বসাবস করা। সেজন্য স্টেম শিক্ষা হবে সার্ভাইভাল টেকনিক যেটা প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার কৌশল খুঁজতে মানুষকে সাহায্য করবে। এই সুবিধা  যাতে সবাই পায় সেজন্য আমরা লাইব্রেরির সুযোগ সুবিধা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস ইত্যাদির প্রতি নজর দিচ্ছি।

অনুৃষ্ঠানে লিখিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড জ্যাক হোলব্রুক এবং ড মুহাম্মদ আব হাদী বুনয়ামিন।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র