Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চবিতে ছাত্রজোটের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৪

চবিতে ছাত্রজোটের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ৪
প্রগতিশীল ছাত্রজোটের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
চট্টগ্রাম
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মিছিল করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। ছাত্র জোটের এই বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। হামলায় সংগঠনটির চার কর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, আবিদ খন্দকার ওয়াসি, জান্নাত মুমু, সায়মা আক্তার ও রাজেস।

এ বিষয়ে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের সময় কতিপয় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার তারা আমাদের নারী কমরেডদেরও লাঞ্ছিত করে। তাদের এ নৃশংস হামলায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ করব।'

তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-দফতর বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান বিপুল বার্তা২৪.কম-কে জানান, তারা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগ সংগঠন নিয়ে উল্টাপাল্টা স্লোগান দিলে আমাদের জুনিয়ররা সহ্য করতে পারেনি। পরে আমরা গিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করি। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।'

ঘটনার বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক আলী আজগর চৌধুরী বার্তা২৪.কম-কে জানান, ছাত্র সংগঠনগুলো কোনো কর্মসূচি পালনের আগে প্রক্টর অফিসকে অবহিত করতেন তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারতাম। এরপরেও ঘটনার পরে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রক্টরে বলেন, 'ক্যাম্পাসে গণতন্ত্রের চর্চা হোক সেটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও আন্তরিকভাবে চায়। এর আগে ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান থাকা দরকার। ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে আন্তরিকতা না থাকলে পুলিশ দিয়ে ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।'

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনের আর বাকি একদিন। তবে এ সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদপ্রত্যাশীদের আক্রোশপূর্ণ মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সংঘর্ষের।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীরা। পরবর্তীতে জবি শাখা ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এড়াতে ব্যর্থ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রিয় কমিটি। কেন্দ্রিয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সৎ,পরিশ্রমী ও যোগ্য নেতৃত্ব দিতে আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন কমিটি দেওয়া হয়।

সম্মেলন কমিটির নেতৃত্বে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু হলেও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাড়ছে আন্তঃকোন্দল ও রোষানল। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সম্মেলন ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে সবার মাঝে।

পোস্টার ছেড়ার বিষয়ে সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু বার্তাটোয়োন্টিফোর.কমকে জানান, কে বা কারা পোস্টার ছিড়ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। সম্মেলনে সংঘর্ষের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এখানে যারা আছি, সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে একান্তই যদি কোনো অহেতুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা মীমাংশা করে নেব। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র