ডাকসু পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনশন, নিরব প্রশাসন

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ডাকসু পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীরা/ছবি: বার্তা২৪.কম

ডাকসু পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীরা/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচন ও পুনঃতফসিলের আগেই ‘ভোট জালিয়াতি’ তে যুক্তদের পদত্যাগের দাবিতে প্রায় ১৮ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে  সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুর অনশনরত থাকলেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কেউ তাদের সাথে দেখা করতে আসেনি।

অনশনকারী শিক্ষার্থীরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শোয়েব মাহমুদ, পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাঈন উদ্দীন, দর্শন বিভাগের ৩য় বর্ষের অনিন্দ্য মন্ডল, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের তাওহীদ তানজীম, ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের রনি হোসেন ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফিয়া তামান্না।

এদের মধ্যে শোয়েব, মাঈন, অনিন্দ্য ও তাওহীদ গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনে বসেন। ঘণ্টা খানেক পরে তাদের সাথে সংহতি জানিয়ে রনি ও রাফিয়া অনশনে যোগ দেন। 

তাদের পাশে ‘একটা ফেয়ার ইলেকশনের জন্য’, ‘আমরণ অনশন’, ‘শিক্ষকরা ভোট ডাকাত', 'এই লজ্জা রাখি কোথায়’ ইত্যাদি লেখা ফেস্টুন দেখা যায়।

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি অভিযোগ করে, এ নির্বাচন বাতিল করে অবিলম্বে সুষ্ঠু পরিবেশে পুনঃনির্বাচন দেওয়ার এবং ভোট ডাকাতির সাথে জড়িত উপাচার্য, চিফ রিটার্নিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসারকে পুনঃতফসিল ঘোষণার আগেই পদত্যাগ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অনশনকারী মো. মাইন উদ্দিন বলেন, 'অনশনের ১৮ ঘণ্টা পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কেউ আমাদের সাথে দেখা করতে আসেনি। এটা খুবই দুঃখজনক।'

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

 

আপনার মতামত লিখুন :