Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ডাকসুর অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন নুর

ডাকসুর অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন নুর
সংবাদ সম্মেলন করেন নুরুল হক নুর / ছবি: বার্তা২৪
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শনিবার (২৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জয়ী নেতৃবৃন্দের অভিষেক সভা। এতে অংশ নেবেন নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন।

শুক্রবার (২২ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের পর নুর এ ঘোষণা দেন। অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও দায়িত্ব নিতে চাইলেও পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনড় আছেন তিনি। নুর ও আকতার কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্যানেলের জিএস প্রার্থী মো. রাশেদ খান, এজিএস প্রার্থী মো. ফারুক হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নুর বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামীকাল (শনিবার) যে অভিষেক অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে সেখানে শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করব। তবে পুনঃনির্বাচনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য যে সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সমাধানকল্পে আমাদের নিয়মতান্ত্রিক যে আন্দোলন-সংগ্রাম সেগুলো চলবে।'

তিনি আরও বলেন, ‘এতো প্রতিকূলতা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা আমাদের ভোট দিয়েছে। সেই ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, তাদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি।’

ডাকসু পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনড় থাকার কথা ঘোষণা করে নুর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের প্রতিবাদ করার জন্য এবং ডাকসু নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে সেই আন্দোলনকে আরও বেগবান করার জন্য আমরা পুনঃনির্বাচন চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল জায়গায় কথা বলার আছে, সে সকল জায়গায় কথা বলতেই আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি এবং আমাদের পুনঃনির্বাচনের যে চাওয়া সেটিও আমাদের বরাবরের মতোই রয়েছে।'

এ সময় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদেরর পক্ষ থেকে অতি দ্রুত সকল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু করার আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৮ বছর পর ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি হিসেব নুরুল হক নুর এবং সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসাইন সাধারণ শিক্ষার্থীর ম্যান্ডেট নিয়ে জয়ী হয়েছেন। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে আমরা তাদেরকে দ্বায়িত্ব গ্রহণে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছি।'

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের দিন দুপুরেই কারচুপি সহ নানা অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করে ছাত্রলীগ ছাড়া অন্যসব প্যানেল। ওইদিন থেকেই পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ছাড়া ভোট বর্জনকারী বাকি পাঁচ প্যানেল।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি
ইবিতে প্রতিবাদ র‍্যালি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২১ আগস্ট) ক্যাম্পাসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রতিবাদ র‌্যালি বের হয়। এরপর র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. আনিছুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যালি শেষে বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক শাসুজ্জামান খান।

বায়ো টেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা জামাল হ্যাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শানিহনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এছাড়া স্বাগত বক্তা ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

এদিকে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস ২০১৯ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। মানববন্ধনে ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের মধ্যে যাদেরকে এখনো শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি, তাদের শাস্তি কার্যকরে জোর দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুর ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি
জাবিতে ২১ আগস্টের হামলায় জড়িত খুনিদের প্রতীকী ফাঁসি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে প্রতীকী ফাঁসির কর্মসূচি পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া তলায় এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে গ্রেনেড হামলায় জড়িত তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু ও হারিস চৌধুরীকে প্রতীকী ফাঁসি দেয়া হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বর থেকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের সামনে এসে শেষ হয়।

প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, '২০০৪ সালের আগস্টের এই দিনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্যদিয়ে দেশকে অন্ধকারে পতিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু দেশনেত্রীকে তারা হত্যা করতে পারেনি। সেদিন রক্তাক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। ২১ আগস্টের ভয়াল এই হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জড়িত ছিল। এই হামলায় জড়িতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।'

এ সময় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুইশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র