Alexa

ডাকসুর অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন নুর

ডাকসুর অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন নুর

সংবাদ সম্মেলন করেন নুরুল হক নুর / ছবি: বার্তা২৪

শনিবার (২৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জয়ী নেতৃবৃন্দের অভিষেক সভা। এতে অংশ নেবেন নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন।

শুক্রবার (২২ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের পর নুর এ ঘোষণা দেন। অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও দায়িত্ব নিতে চাইলেও পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনড় আছেন তিনি। নুর ও আকতার কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্যানেলের জিএস প্রার্থী মো. রাশেদ খান, এজিএস প্রার্থী মো. ফারুক হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নুর বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামীকাল (শনিবার) যে অভিষেক অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে সেখানে শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করব। তবে পুনঃনির্বাচনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য যে সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সমাধানকল্পে আমাদের নিয়মতান্ত্রিক যে আন্দোলন-সংগ্রাম সেগুলো চলবে।'

তিনি আরও বলেন, ‘এতো প্রতিকূলতা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা আমাদের ভোট দিয়েছে। সেই ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে, তাদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি।’

ডাকসু পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনড় থাকার কথা ঘোষণা করে নুর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের প্রতিবাদ করার জন্য এবং ডাকসু নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে সেই আন্দোলনকে আরও বেগবান করার জন্য আমরা পুনঃনির্বাচন চাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল জায়গায় কথা বলার আছে, সে সকল জায়গায় কথা বলতেই আমরা দায়িত্ব নিচ্ছি এবং আমাদের পুনঃনির্বাচনের যে চাওয়া সেটিও আমাদের বরাবরের মতোই রয়েছে।'

এ সময় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদেরর পক্ষ থেকে অতি দ্রুত সকল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু করার আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৮ বছর পর ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি হিসেব নুরুল হক নুর এবং সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসাইন সাধারণ শিক্ষার্থীর ম্যান্ডেট নিয়ে জয়ী হয়েছেন। তাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে আমরা তাদেরকে দ্বায়িত্ব গ্রহণে নীতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছি।'

উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের দিন দুপুরেই কারচুপি সহ নানা অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করে ছাত্রলীগ ছাড়া অন্যসব প্যানেল। ওইদিন থেকেই পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ছাড়া ভোট বর্জনকারী বাকি পাঁচ প্যানেল।

আপনার মতামত লিখুন :