Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ওয়াসিম হত্যার প্রতিবাদে শাবিপ্রবিতে মানববন্ধন

ওয়াসিম হত্যার প্রতিবাদে শাবিপ্রবিতে মানববন্ধন
মানববন্ধন করেছেন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা / ছবি: বার্তা২৪
শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) শিক্ষার্থী ওয়াসিম আফনানকে বাস থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার প্রতিবাদে পৃথকভাবে মানববন্ধন করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ভবনের সামনে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিককর্মী অংশগ্রহণ করে।

এ সময় বক্তারা বলেন, উদার বাসের ঘাতক চালক ও হেল্পারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে কোন চালক এভাবে মানুষ হত্যা করতে না পারে।

মানববন্ধন শেষে জোটের আহ্বায়ক সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় একই ঘটনার বিচারের দাবিতে এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা দেন।

এদিকে দুপুর ১টায় শাবিপ্রবির নবীনগঞ্জ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ওয়াসিম হত্যার প্রতিবাদে ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে মানববন্ধন এবং ক্যাম্পাসে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। এ সময় তারা ঘাতক চালক হেল্পারের দৃষ্টান্তুমূলক শাস্তি দাবি করেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-সিলেট রোডের শেরপুর এলাকায় ‘উদার' পরিবহনের একটি বাস চড়ে সিলেট যাচ্ছিলেন ওয়াসিম আফনানসহ সিকৃবি শিক্ষার্থী দুই শিক্ষার্থী। এ সময় বাসের হেল্পারের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাসের হেল্পার দুইজনকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন। ঘটনাস্থলেই ওপর আরেকটি বাসের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ওয়াসিমের মৃত্যু হয়। আর আহত আরেকজন ছাত্র সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আপনার মতামত লিখুন :

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

রাবির ৩ বিভাগের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক ফি আদায়ের অভিযোগ

রাবির ৩ বিভাগের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক ফি আদায়ের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিন বিভাগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অযৌক্তিক ফি আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ভূগোল এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে রশিদ ছাড়াই টাকা নেওয়া হচ্ছে। আর বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ কয়েকটি খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের কাছে অভিযোগ করেন তিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে বিভাগগুলোর কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থী ও বিভাগের উন্নয়নেই টাকা ব্যবহার করা হয়।

জানা গেছে, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে ২ হাজার ৯৮০ ও ১৪০ টাকা জমা দিতে হচ্ছে। এছাড়া, রশিদ ছাড়াই বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ- বিভাগে ভর্তির ফরম কেনার জন্য সাড়ে চার হাজার দিতে হচ্ছে। তবে টাকা আদায়ের কোনো রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে কোন খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে তা বুঝতে পারছেন না। এমনকি এ বিষয়ে শিক্ষার্থদেরও কিছু বলছে না।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. রেজাউর রহমান বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে যে টাকা নেওয়া হয়, তা শিক্ষার্থীদের এবং বিভাগের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে দেওয়া টাকায় তেমন কিছুই হয় না। আর বিভাগের সিদ্ধান্তেই রশিদ দেওয়া হয় না।’

অন্যদিকে বাংলা বিভাগের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার জন্য মোট ৩ হাজার ৩০০ টাকা ব্যাংকে দিতে হচ্ছে। বাংলা সমিতির জন্য ৮০০ টাকা। সাহিত্যিকী নামক রিভিউ জার্নাল, সেমিনার লাইব্রেরির উন্নয়ন, বাংলা গবেষণা সংসদ ও মুক্তিযুদ্ধের কবিতা বই বাবদ ৩০০ টাকা, পরীক্ষা পরিচালনা ফি ও দরিদ্র তহবিল ফি বাবদ ২০০ টাকা, কম্পিউটার ল্যাব ফি ৪০০ এবং উন্নয়ন তহবিলের জন্য ৫০০ টাকা গুণতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশেষ করে বাংলা সমিতি, সাহিত্যিকী জার্নাল এবং মুক্তিযুদ্ধের কবিতা বইয়ের জন্য অপ্রয়োজনে টাকা দিতে হচ্ছে। যার ফলে ফরম ফিলাফের জন্য বাড়তি চাপ পড়ছে।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক পিএম সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সাহিত্যিকী জার্নাল শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করবে। মুক্তিযুদ্ধের কবিতা এখন শিক্ষার্থীদের সিলেবাসভুক্ত। বিভাগের উন্নয়ন এবং নানা আয়োজন-উৎসবের জন্য বাংলা সমিতির টাকা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের টাকা শিক্ষার্থীদের কাছেই ফিরে যাচ্ছে।’

এদিকে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য ৬০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এর জন্য শিক্ষার্থীদের কোনো রশিদ দেওয়া হয় না। রশিদ না দেওয়ায় তারা টাকা ব্যয়ের উৎস সম্পর্কে জানতে পারেন না।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এসএম এক্রাম উল্যাহ বলেন, ‘টাকা জমার সমস্ত তথ্য বিভাগে জমা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো রশিদ বই দেয় না। তাই আমরাও রশিদ দিই না।’

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এমএ বারী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘টাকা যেখানেই, যে কারণেই নেওয়া হোক, অবশ্যই রশিদ দিতে হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র