Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ক্যাম্পাসগুলোতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

ক্যাম্পাসগুলোতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
স্মৃতিসৌধে জবি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন / ছবি: বার্তা২৪
নিউজ ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা চালায় তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার। গ্রেফতার করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। কিন্তু গ্রেফতার হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে স্বাক্ষর করেণ তিনি। সেই ঘোষণাপত্র জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পাঠ করা হয় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে প্রতি বছরই যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় দিনটি। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দিবসটি উদযাপন করেছে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

ঢাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। সকাল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কেন্দ্রীয় ভবন ও আবাসিক হলগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় শহীদ মিনার থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত অদম্য পদযাত্রা করা হয়। সকাল সোয়া ৬টায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পদযাত্রা শুরু হয়। পরে সেখানে অভিযাত্রী সংগঠনে উপদেষ্টা মফিদুল হক এবং ইনাম আল হক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

এরপর পদযাত্রীদল মুক্তির গান গাইতে গাইতে ২৫ মার্চ কালরাতের ভয়াল স্মৃতি বিজড়িত স্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জগন্নাথ হলে যান। সেখানে বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। উপাচার্যের নেতৃত্বে ধানমণ্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতেও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

জবি

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মীজানুর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, দফতর প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকসহ ছাত্রনেতৃবৃন্দ।

এরপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন শিক্ষক সমিতি, নীলদল, কর্মকর্তা সমিতি, সাংবাদিক সমিতি, প্রেস ক্লাব, কর্মচারী সমিতি, সহায়ক কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ও ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন সংগঠন।

জাবি

এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মুক্তিসংগ্রাম সাংস্কৃতিক উৎসবের অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে শতাধিক শিক্ষার্থী মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু বিষয়ক চিত্রাঙ্কন করে।

জাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও রয়েছে বেলা ৩টায় জহির রায়হান মিলনায়তনে মুক্তিসংগ্রাম চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। এছাড়া বিকেল ৫টায় সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে আলোচনা অনুষ্ঠান ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠান এবং সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের পরিবেশনায় মুক্তির গান পরিবেশিত হবে।

রাবি

যথাযথ মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) স্বাধীনতা দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। এদিন দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা এবং অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়াসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান আল-আরিফ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এম এ বারী, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু, জনসংযোগ দফতরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার ও প্রক্টর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, অনুষদ অধিকর্তা, বিভাগীয় সভাপতি ও হলসমূহের প্রাধ্যক্ষরা।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা ও রাবি সাংবাদিক সমিতিসহ অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসন ভবনসহ বিভিন্ন ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৬টায় বিভিন্ন আবাসিক হল, ইনস্টিটিউট, বিভাগ, অন্যান্য পেশাজীবী এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সকাল ৭টায় গণকবর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সকাল পৌনে ৯টায় শেখ রাসেল মডেল স্কুলে ও সকাল ৯টায় রাবি স্কুলে অনুষ্ঠিত হয় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। সকাল সাড়ে ৯টায় সাবাস বাংলাদেশ মাঠে বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেঞ্জারদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ক্রিকেট ও ফুটবল ম্যাচ এবং প্রীতি হ্যান্ডবল ও ভলিবল ম্যাচ।

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে পৃথিবীকে স্বর্গ বানাতে হবে: শোভন

ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে পৃথিবীকে স্বর্গ বানাতে হবে: শোভন
রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবন্ধীদের উদ্দেশ্য করে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়েমা ওয়াজেদ পুতুলও আপনাদের মতো মানুষদের নিয়ে কাজ করেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নে আপনাদেরও অংশীদার হতে হবে। আপনাদের অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গিতে পৃথিবীটা স্বর্গ বানাতে হবে। মুজিবের আর্দশকে ধারণ করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

রোববার (২৫ আগস্ট) আরসি মজুমদার মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবন্ধী শিক্ষা ও পুনর্বাসন সংস্থা এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শোভন বলেন, ‘কৃষক-শ্রমিকসহ শ্রমজীবী মানুষের কথা ভেবে ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠন করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।’

সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিম নিবিড় বলেন, ‘প্রতিবন্ধীদের প্রতিবন্ধকতা অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও প্রতিভা বিকশিত করার মাধ্যমেই দূর করতে হবে। ১৯৭৪ সালে ৪৭টি বিদ্যালয়ের সমন্বয়ে পড়াশোনা চালুর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশে প্রথম দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বর্তমানে দেশে প্রায় ১০ রাখ প্রতিবন্ধী মাসিক ৭৫০ টাকা হারে ভাতা পেয়ে থাকে, কিন্তু যৌক্তিক হারে তা বৃদ্ধি করা উচিত। বঙ্গবন্ধু আমাদের যে ত্যাগের শিক্ষা দিয়ে গেছে তা অনুসরণ করে অন্যদের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে।’

প্রতিবন্ধী শিক্ষা ও পুনর্বাসন সংস্থার সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, ‘আমরা একজন স্বচ্ছ মানুষের চেয়ে কম নই। ইচ্ছা থাকলেই আমরা সব কিছু করতে পারি।’

এ সময় তিনি প্রতিবন্ধীদের ভাতা তিন হাজার টাকা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান।

আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইম্প্যাক্ট ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি মনসুর আহমেদ চৌধুরী, চাকরি প্রত্যাশী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন প্রমুখ।

জাবির উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ

জাবির উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ
বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পূর্বঘোষিত তিন দফার ছয় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের কয়েকটি ভবন ও প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদ চত্বরে সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশের তিনটি হল স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় দ্রুত কাজ শুরু করা, উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা দূর্নীতির ব্যাপারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত নিশ্চিত করা এবং টেন্ডার ছিনতাইকারদীর বিচারের আওতায় আনাসহ প্রকল্পের সকল ব্যয়ের হিসেব জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবি জানান।

এছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা জানান বক্তারা।

আরও পড়ুন: জাবিতে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা

উপাচার্যসহ তার পরিবার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মাদ দিদার বলেন, ‘আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি এই দুর্নীতির সঙ্গে স্বয়ং উপাচার্য জড়িত। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বারবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এবার উপাচার্য ও তার পরিবার যে জনসাধারণের টাকা লুটপাট করতে নেমেছেন তা বন্ধ করতে আমরাও রুখে দাঁড়াব।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566732339061.jpg

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথা হলো উপাচার্য। আমরা লক্ষ্য করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। আমরা এটার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করছি। সাংবাদিকরা যখন অর্থ কেলেঙ্কারির তথ্য তুলে ধরলেন তখন উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করলাম উপাচার্য সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করতে চেয়েছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই হুমকি ধামকি দিয়ে আপনারা কারও কণ্ঠ রোধ করতে পারবেন না।’

আরও পড়ুন: ৬ দাবি আদায়ে আন্দোলনে জাবি শিক্ষার্থীরা

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীদের কাজ চোর ধরে বেড়ানো না। তেমনি শিক্ষকদের কাজ চুরিতে সহযোগিতা করা না। শুরু থেকে এই মাস্টারপ্ল্যান নামক জিনিসটা নিয়ে যে লুকোচুরি চলছে এবং নানা পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণের মতকে উপেক্ষা করে অস্বচ্ছ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল পরিমান টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং খরচ করার পায়তারা করছে।’

প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন করে ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি যুক্ত করা হয়েছে অভিযোগ করে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন,‘আমরা উন্নয়নের বিরুদ্ধে নয়। আমরা উন্নয়ন চাই তবে সেটা হোক পরিকল্পিত উন্নয়ন। কিন্তু আমরা দেখছি তড়িঘড়ি করে উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে যেয়ে লুটপাট শুরু করে দেওয়া হয়েছে।’

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সদস্য রাকিবুল রনি, বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার ও সংরক্ষণ পরিষদের জাবি শাখার সমন্বয়ক আবু সাইদ প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র