Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শিক্ষার্থীদের চিন্তা করার সক্ষমতা স্বৈরতন্ত্রের জন্য হুমকি

শিক্ষার্থীদের চিন্তা করার সক্ষমতা স্বৈরতন্ত্রের জন্য হুমকি
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ/ছবি: বার্তা২৪.কম
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

তেল, গ্যাস, খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন,‘ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের চিন্তা করার সক্ষমতা স্বৈরতন্ত্রের জন্য হুমকি।’

‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যদি চিন্তা করার সক্ষমতা, প্রশ্ন করার আগ্রহ, সমাজ ও রাষ্ট্র বিষয়ে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, তবে সেটা স্বৈরতন্ত্র, নিপীড়ক, রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রভুদের জন্য হুমকি। সে জন্য সরব হতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে,’ যোগ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইদিনব্যাপী ‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই: উচ্চশিক্ষা, নীতিমালা ও কাঠামো’ শীর্ষক শিক্ষক সম্মেলনের প্রথমদিন তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই- এর উত্তর এক কথায় বললে হবে, বর্তমানে যেমন বিশ্ববিদ্যালয় চলছে সে রকম বিশ্ববিদ্যালয় আমরা চাই না। বাংলাদেশে বহু রকমের বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশ দ্বারা পরিচালিত হয়। এটা শুধু অধ্যাদেশ নয়, এটা একটা ইতিহাস।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্বৈরশাসকরা মানুষকে যেমন ভয় পায়, তার চেয়ে বেশি ভয় পায় বিশ্ববিদ্যালয়কে। আর এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে যতো রকম অনিয়ম পদ্ধতি আছে তা প্রয়োগ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে কেউ যেন প্রতিবাদ করতে না পারে সেজন্য সরকার পুতুল তৈরির একটা প্রকল্প নিয়েছে। রাষ্ট্র চায়, রোবট সোফিয়ার মতো শিক্ষার্থী। তাদের যেভাবে বলা হবে ঠিক সেভাবে চলবে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করে অনুগত করা হয়। আর এখান থেকেই মাস্তান ও মেরুদণ্ডহীন তৈরি হচ্ছে।’

সম্মেলনের প্রথমদিনে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক, অধ্যাপক বখতিয়ার আহমদ, অধ্যাপক তানজিম উদ্দীন খান, অধ্যাপক একেএম শাহনাওয়াজ, অধ্যাপক রায়হান রাইন, অধ্যাপক আইনুন নাহার প্রমুখ।

এছাড়া সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলন শেষে আগামী ১৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ সম্মেলনে উঠে আসা প্রস্তাব সরকার ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে তুলে ধরা হবে বলে জানান আয়োজকরা।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে একেরপর এক ঘটতে থাকা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রমৈত্রী।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা রাজাকারদের বিচার করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে চলমান খুনি, ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কেন বিচার করতে পারছি না?

এ সময় তারা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কার্যকরী ভূমিকা পালন করার দাবি জানান।

ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোরশেদ হাবিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সহসভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন, শেখ রাসেল হলের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দফতর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসাইন আজাদসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাতর্মীরা।

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

নানা আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষাক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় মনোরমভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়।

দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, উদ্বোধনী ঘোষণা, আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, তথ্যচিত্র উপস্থাপনা, সম্মাননা স্মারক প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

NSTU

সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো.মমিনুল হক প্রমুখ।

পরে হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। সভা সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মমিনুল হক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র