Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কুবিতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ

কুবিতে নানা আয়োজনে বর্ষবরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রা, ছবি: বার্তা২৪.কম
কুবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বাংলা নববর্ষ-১৪২৬ উদযাপিত হয়েছে। রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. শামিমুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাজী ওমর সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি মো. জিয়া উদ্দিন ও মেহেদী হাসান, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান, বৈশাখ উদযাপন কমিটি-১৪২৬ এর আহ্বায়ক মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ও বিভাগ ভিত্তিক আয়োজনে নাচ, গান, কবিতা প্রভৃতি পরিবেশন করা হয়।

বৈশাখী চত্বরে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নানান খাবারসহ বৈশাখী পণ্যের পসরা বসিয়ে তাদের নিজ নিজ স্টলগুলোকে সাজিয়ে তোলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের দেশিয় খেলাধুলার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

রাবির ৩ বিভাগের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক ফি আদায়ের অভিযোগ

রাবির ৩ বিভাগের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক ফি আদায়ের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিন বিভাগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অযৌক্তিক ফি আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ভূগোল এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে রশিদ ছাড়াই টাকা নেওয়া হচ্ছে। আর বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ কয়েকটি খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে।

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমের কাছে অভিযোগ করেন তিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে বিভাগগুলোর কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থী ও বিভাগের উন্নয়নেই টাকা ব্যবহার করা হয়।

জানা গেছে, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংকে ২ হাজার ৯৮০ ও ১৪০ টাকা জমা দিতে হচ্ছে। এছাড়া, রশিদ ছাড়াই বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ- বিভাগে ভর্তির ফরম কেনার জন্য সাড়ে চার হাজার দিতে হচ্ছে। তবে টাকা আদায়ের কোনো রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে কোন খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে তা বুঝতে পারছেন না। এমনকি এ বিষয়ে শিক্ষার্থদেরও কিছু বলছে না।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. রেজাউর রহমান বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে যে টাকা নেওয়া হয়, তা শিক্ষার্থীদের এবং বিভাগের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে দেওয়া টাকায় তেমন কিছুই হয় না। আর বিভাগের সিদ্ধান্তেই রশিদ দেওয়া হয় না।’

অন্যদিকে বাংলা বিভাগের তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার জন্য মোট ৩ হাজার ৩০০ টাকা ব্যাংকে দিতে হচ্ছে। বাংলা সমিতির জন্য ৮০০ টাকা। সাহিত্যিকী নামক রিভিউ জার্নাল, সেমিনার লাইব্রেরির উন্নয়ন, বাংলা গবেষণা সংসদ ও মুক্তিযুদ্ধের কবিতা বই বাবদ ৩০০ টাকা, পরীক্ষা পরিচালনা ফি ও দরিদ্র তহবিল ফি বাবদ ২০০ টাকা, কম্পিউটার ল্যাব ফি ৪০০ এবং উন্নয়ন তহবিলের জন্য ৫০০ টাকা গুণতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশেষ করে বাংলা সমিতি, সাহিত্যিকী জার্নাল এবং মুক্তিযুদ্ধের কবিতা বইয়ের জন্য অপ্রয়োজনে টাকা দিতে হচ্ছে। যার ফলে ফরম ফিলাফের জন্য বাড়তি চাপ পড়ছে।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক পিএম সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সাহিত্যিকী জার্নাল শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করবে। মুক্তিযুদ্ধের কবিতা এখন শিক্ষার্থীদের সিলেবাসভুক্ত। বিভাগের উন্নয়ন এবং নানা আয়োজন-উৎসবের জন্য বাংলা সমিতির টাকা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের টাকা শিক্ষার্থীদের কাছেই ফিরে যাচ্ছে।’

এদিকে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য ৬০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এর জন্য শিক্ষার্থীদের কোনো রশিদ দেওয়া হয় না। রশিদ না দেওয়ায় তারা টাকা ব্যয়ের উৎস সম্পর্কে জানতে পারেন না।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এসএম এক্রাম উল্যাহ বলেন, ‘টাকা জমার সমস্ত তথ্য বিভাগে জমা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো রশিদ বই দেয় না। তাই আমরাও রশিদ দিই না।’

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এমএ বারী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘টাকা যেখানেই, যে কারণেই নেওয়া হোক, অবশ্যই রশিদ দিতে হবে।’

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নেতারা বহাল, সাংগঠনিক কার্যক্রম বেহাল

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নেতারা বহাল, সাংগঠনিক কার্যক্রম বেহাল
মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ/ ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক বছর মেয়াদী কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় দেড় বছর আগে। এরপর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলছে কার্যক্রম। দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না থাকায় হচ্ছে না রাজনীতির চর্চা, নেই নিয়মিত মিছিল-মিটিং। মাঝে মাঝে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি পালন করলেও অন্য কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি থাকে খুবই নগন্য।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়। পদপ্রত্যাশী নেতাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটির কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়াতে যেন দ্রুত নতুন কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর রাবি শাখা ছাত্রলীগের ২৫তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১১ ডিসেম্বর গোলাম কিবরিয়াকে সভাপতি ও ফয়সাল আহমেদ রুনুকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এক বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এর প্রায় ছয় মাস পর ১৯ জুন ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির স্থলে ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ঐ কমিটিতে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রদের গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের পদ থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে। শুরুর দিকে বিভিন্ন ধরনের ইতিবাচক কাজ করে সাড়া ফেললেও শেষ পর্যন্তÍ এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি সেই কমিটি। বিভিন্ন সময় সাংবাদিক-শিক্ষার্থী মারধর, ছিনতাই, শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে চাঁদাবাজি ও ছাত্রী উত্যক্তসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে বার বার গণমাধ্যমে শিরোনাম হতে হয়েছে রাবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।

এদিকে, হল ইউনিটকে ক্যাম্পাস রাজনীতির প্রাণ বলা হলেও দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ধরে নেই হল কমিটি। বার বার হল কমিটি দেওয়ার আশ্বাস দিলেও হয়নি। এতে হলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। যার ফলে হলগুলোতে সিট বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন নেতাকর্মীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ও ২২ নভেম্বর দুই ভাগে ছাত্রদের ১১টি হলের সম্মেলন করে তৎকালনী রানা-বিপ্লব কমিটি। পরে বিভিন্ন সময়ে ৯টি হলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঝুলিয়ে রাখা হয় শের-ই-বাংলা ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখার কমিটি। নতুন করে আর হল কমিটি দেয়নি ছাত্রলীগ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের একাধিক নেতা বলেন, প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে হল কমিটি দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্র থেকে নির্দেশ থাকলেও কোনো এক অজানা কারণে এখনো পর্যন্ত হল কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। তাই দ্রুত নতুন কমিটি দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র