Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শাবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তাধারার ওপর সেমিনার

শাবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তাধারার ওপর সেমিনার
শাবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তাধারার ওপর সেমিনার, ছবি: বার্তা২৪
শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিনি অডিটরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: রাজনৈতিক চিন্তাধারা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) এর সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. রওনক জাহান। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ সভা ও সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। পলিটিকাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন।

শাবিপ্রবি’র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গবেষণা সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনার ও আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আল মাসুদ হাসান উজ্জামান, বিশেষ অতিথি হিসেবে শাবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম এবং সমন্বয়ক হিসেবে গবেষণা সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম হাসান জাকিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল গনি, শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান।

আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. রওনক জাহান বলেন, ‘আমাদের প্রজন্ম, যারা বাংলাদেশকে স্বাধীনভাবে আবির্ভূত হতে দেখেছে এবং স্বাধীনতার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদান প্রত্যক্ষ করেছেন। তাদের পক্ষে বঙ্গবন্ধু কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক চিন্তাধারা সহজ ভাষায় ব্যক্ত করা অত্যন্ত কঠিন। ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলি নিজ চোখে দেখেছি এজন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। খুব কম লোকেরই ভাগ্য হয় ইতিহাস সৃষ্টি হতে দেখা।'

তিনি আরও বলেন, 'স্বাধিকার আন্দোলনকে স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপান্তর হতে দেখেছি। এসব ঘটনার পিছনে বঙ্গবন্ধু অবদান অপরিসীম। প্রবন্ধটিতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তাধারার চারটি বৈশিষ্টের কথা বলা হয়েছে। যা পরবর্তীতে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় একজন কর্মী হিসেবে কিন্তু খুব অল্প সময়ে তিনি হয়ে উঠেন কোটি কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা।’

শাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুনির্দিষ্ট কিছু আদর্শ ছিল, মূল্যবোধ ছিল, লক্ষ্য ছিল এবং সেই লক্ষে পৌঁছাবার জন্য তিনি একনিষ্ঠভাবে ও নিরলসভাবে কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের কারণে আজকে আমরা স্বাধীন জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, এটি বঙ্গবন্ধু গবেষণা সেলের উদ্যোগে আয়োজিত দ্বিতীয় সেমিনার। সেমিনার শেষে বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক চিন্তাধারার ওপর প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার

ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার
ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের সেমিনারে বক্তারা, ছবি: সংগৃহীত

‘জাগো তারুণ্য, রুখো জঙ্গিবাদ’ স্লোগানে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার।

সোমবার (২২ জুলাই) আয়োজিত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. সেলিম মাহমুদ, আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ড. সেলিম মাহমুদ এবং আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাসরিন সিদ্দিকা লিনা।

সেমিনারে প্রতিষ্ঠানটির উপাধাক্ষ্য আইনুন নাহার তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং অধিকার। সেই বিশ্বাস ও অনুভূতির জায়গাটিতে তারা আঘাত করছে ক্ষমতা ও বাণিজ্যিক স্বার্থের লোভে। যার সঙ্গে ধর্মের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। জঙ্গিবাদের ফলে ইসলামকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তারা যে ইসলামের কত বড় শত্রু, তা আমাদের বোঝা দরকার।

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, জঙ্গিবাদ হচ্ছে একটি পশ্চিমা ষড়যন্ত্র। ইসলামের নামে যারা জঙ্গি হচ্ছে, তারা নিজেদের ধংস করা ছাড়া আর কিছুই করছে না। তারা যে আত্মঘাতী হয়ে সুইসাইডাল অ্যাটাক করছে, সরাসরি জান্নাতের যাওয়ার আশায়, এটা বড় ভুল, মহাপাপ। কারণ ইসলামে বলা হয়েছে আত্মহত্যা মহাপাপ।

‘আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়ার মত মুসলিম দেশ ধ্বংসের দিকে চলে গেল জঙ্গিবাদের কারণে। এর পেছনে একটি মহলের স্বার্থ রয়েছে; কর্পোরেট বা ব্যবসায়িক স্বার্থ। যুদ্ধ লাগলে অস্ত্র বিক্রি হবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে- মুসলিম দেশগুলোর অনেকে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র কিনছে। লাভবান হচ্ছে অস্ত্র বিক্রয়কারী দেশগুলো। এই বাজার যারা তৈরি করেছে লাভ তাদের ঘরেই যাচ্ছে।’

Suchinta Foundation

তিনি বলেন, মানুষকে অনেকভাবেই মোটিভেটেড করা যায়। মানুষ কখনও নিজেই অস্ত্র হয়ে ওঠে, আবার কখনওবা ফুল। নাইন ইলেভেনের সময় যে ছেলেরা আক্রমণ করেছিল, তাদের সবাইকে টেনিং দেওয়া হয়েছিল, মোটিভেটেড করা হয়েছিল আত্মঘাতী হয়ে উঠতে। মনে রাখতে হবে, জীবন একটাই, মানুষ একবারই পৃথিবীতে আসে। তাই নিজের প্রতি, নিজের পরিবারের প্রতি, চারপাশের মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের প্রত্যেকের কিছু দায়িত্ব আছে। সেই জায়গা থেকে দাঁড়াতে হবে প্রত্যেককে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাসরিন সিদ্দিকা লিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি সফলতার সাথে এদেশ থেকে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নিমূর্ল করেছে। যে চেতনার ওপর ভর করে এদেশে জঙ্গিবাদ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল, সেই চেতনাকে রুখতে এবং এর ভয়ঙ্কর পরিণতি সম্পর্কে সামাজিক জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন যে কাজ করে যাচ্ছে সেজন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের উচিৎ- এই ধরনের সামজিক সচেতনতায় অংশ নেওয়া। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

সুচিন্তা’র গবেষণা সেলের পক্ষ থেকে আশরাফুল আলম শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সেমিনারে সঞ্চালনা করেন ‘আজ সারাবেলা’র সম্পাদক জব্বার হোসেন।

প্রজ্ঞাপন না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা

প্রজ্ঞাপন না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা
ঢাবির ঐতিহাসিক অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, ছবি: সংগৃহীত

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে গত দু’দিন ‘তালা লাগাও কর্মসূচি’ পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের একাংশ। গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ভবনের গেট এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও অসহযোগ আন্দোলন করেন তারা।

সোমবার (২২ জুলাই) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) পূর্ণ সমর্থন দেয়। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহবান জানান ডাকসু নেতারা।

কিন্তু রাতে নিউমার্কেট এলাকায় এক ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের পর এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজ অন্তর্ভুক্তির বিরোধীরা।

রাতেই আন্দোলনকারীরা এক প্রেসবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

DU Clash

আন্দোলনের মুখপাত্র শাকিল মিয়া স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার শিক্ষার্থীদের মিথ্যা আশ্বাস ও ঘৃণ্য প্রতারণা করে আসছে। এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

‘এমতাবস্থায় প্রশাসন সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল করে লিখিত প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত রেখে অসহযোগ আন্দোলন পালন করবে। লাগাও তালা, বাঁচাও ঢাবি, এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।’

আরও পড়ুন: ঢাবি শিক্ষার্থীকে নিউমার্কেট এলাকায় মারধর

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র