Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বেরোবি প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে বেরোবি প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি
ছবি: বার্তা২৪
বেরোবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) প্রশাসন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেছে। বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন সংগঠন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী ইউনিয়ন, শিক্ষকদের সংগঠন ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শাখা ছাত্রলীগ, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার কর্নেল (অব.) আবু হেনা মুস্তাফা কামাল, গণিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. আর এম হাফিজুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. মোরশেদ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল কবির সুমন, শহীদ মুখতার ইলাহী হল প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) মো. ফেরদৌস রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রভোস্ট (চলতি দায়িত্ব) তাবিউর রহমান প্রধান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার

ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে সুচিন্তা’র জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার
ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের সেমিনারে বক্তারা, ছবি: সংগৃহীত

‘জাগো তারুণ্য, রুখো জঙ্গিবাদ’ স্লোগানে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইউনিভার্সিটি উইমেনস ফেডারেশন কলেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার।

সোমবার (২২ জুলাই) আয়োজিত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. সেলিম মাহমুদ, আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ড. সেলিম মাহমুদ এবং আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাসরিন সিদ্দিকা লিনা।

সেমিনারে প্রতিষ্ঠানটির উপাধাক্ষ্য আইনুন নাহার তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং অধিকার। সেই বিশ্বাস ও অনুভূতির জায়গাটিতে তারা আঘাত করছে ক্ষমতা ও বাণিজ্যিক স্বার্থের লোভে। যার সঙ্গে ধর্মের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। জঙ্গিবাদের ফলে ইসলামকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তারা যে ইসলামের কত বড় শত্রু, তা আমাদের বোঝা দরকার।

আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, জঙ্গিবাদ হচ্ছে একটি পশ্চিমা ষড়যন্ত্র। ইসলামের নামে যারা জঙ্গি হচ্ছে, তারা নিজেদের ধংস করা ছাড়া আর কিছুই করছে না। তারা যে আত্মঘাতী হয়ে সুইসাইডাল অ্যাটাক করছে, সরাসরি জান্নাতের যাওয়ার আশায়, এটা বড় ভুল, মহাপাপ। কারণ ইসলামে বলা হয়েছে আত্মহত্যা মহাপাপ।

‘আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়ার মত মুসলিম দেশ ধ্বংসের দিকে চলে গেল জঙ্গিবাদের কারণে। এর পেছনে একটি মহলের স্বার্থ রয়েছে; কর্পোরেট বা ব্যবসায়িক স্বার্থ। যুদ্ধ লাগলে অস্ত্র বিক্রি হবে। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে- মুসলিম দেশগুলোর অনেকে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র কিনছে। লাভবান হচ্ছে অস্ত্র বিক্রয়কারী দেশগুলো। এই বাজার যারা তৈরি করেছে লাভ তাদের ঘরেই যাচ্ছে।’

Suchinta Foundation

তিনি বলেন, মানুষকে অনেকভাবেই মোটিভেটেড করা যায়। মানুষ কখনও নিজেই অস্ত্র হয়ে ওঠে, আবার কখনওবা ফুল। নাইন ইলেভেনের সময় যে ছেলেরা আক্রমণ করেছিল, তাদের সবাইকে টেনিং দেওয়া হয়েছিল, মোটিভেটেড করা হয়েছিল আত্মঘাতী হয়ে উঠতে। মনে রাখতে হবে, জীবন একটাই, মানুষ একবারই পৃথিবীতে আসে। তাই নিজের প্রতি, নিজের পরিবারের প্রতি, চারপাশের মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের প্রত্যেকের কিছু দায়িত্ব আছে। সেই জায়গা থেকে দাঁড়াতে হবে প্রত্যেককে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নাসরিন সিদ্দিকা লিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি সফলতার সাথে এদেশ থেকে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব নিমূর্ল করেছে। যে চেতনার ওপর ভর করে এদেশে জঙ্গিবাদ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল, সেই চেতনাকে রুখতে এবং এর ভয়ঙ্কর পরিণতি সম্পর্কে সামাজিক জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন যে কাজ করে যাচ্ছে সেজন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের উচিৎ- এই ধরনের সামজিক সচেতনতায় অংশ নেওয়া। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

সুচিন্তা’র গবেষণা সেলের পক্ষ থেকে আশরাফুল আলম শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সেমিনারে সঞ্চালনা করেন ‘আজ সারাবেলা’র সম্পাদক জব্বার হোসেন।

প্রজ্ঞাপন না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা

প্রজ্ঞাপন না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা
ঢাবির ঐতিহাসিক অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, ছবি: সংগৃহীত

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে গত দু’দিন ‘তালা লাগাও কর্মসূচি’ পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের একাংশ। গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ভবনের গেট এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও অসহযোগ আন্দোলন করেন তারা।

সোমবার (২২ জুলাই) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) পূর্ণ সমর্থন দেয়। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহবান জানান ডাকসু নেতারা।

কিন্তু রাতে নিউমার্কেট এলাকায় এক ঢাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের পর এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজ অন্তর্ভুক্তির বিরোধীরা।

রাতেই আন্দোলনকারীরা এক প্রেসবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

DU Clash

আন্দোলনের মুখপাত্র শাকিল মিয়া স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বারবার শিক্ষার্থীদের মিথ্যা আশ্বাস ও ঘৃণ্য প্রতারণা করে আসছে। এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

‘এমতাবস্থায় প্রশাসন সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল করে লিখিত প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত রেখে অসহযোগ আন্দোলন পালন করবে। লাগাও তালা, বাঁচাও ঢাবি, এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং ক্যাম্পাসজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।’

আরও পড়ুন: ঢাবি শিক্ষার্থীকে নিউমার্কেট এলাকায় মারধর

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র