Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শিক্ষক সংকটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনা সরকারি কলেজ

শিক্ষক সংকটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদিনা সরকারি কলেজ
ছবিঃ বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ। লেখাপড়ার সুষ্ঠ পরিবেশ নেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

১৯৩৮ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় আদিনা ফজলুল হক কলেজ। ১৯৮৬ সালে কলেজটিকে সরকারি করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠে উন্নয়নের ছোঁয়া নেই। নানা সমস্যা বিদ্যমান। এর মধ্যে প্রধান সমস্যা শিক্ষক সংকট।

বর্তমানে ৪২ জন শিক্ষকের স্থলে কর্মরত আছেন ২৫ জন। ৬টি বিষয়ে চালু রয়েছে অনার্স কোর্স। কিন্তু এসব বিভাগে জন্য সৃষ্ট হয়নি শিক্ষকের পদ। উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক বিভাগের শিক্ষক দিয়েই চলছে অনার্স কোর্সের পাঠদান।

শিক্ষার্থী ও সংশ্লিস্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিক্ষক সংকটের কারণে চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে পাঠদান। ক্লাশ রুম সংকট, নেই কম্পিউটার ল্যাব, নেই ছাত্রী হোস্টেল, লাইব্রেরি থাকলেও নেই পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা এমন অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা. ওলিউর রহমান শিক্ষক সংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, শিক্ষক সংকটসহ অন্যান্য সকল সমস্যার বিষয়ে নিয়মিত উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও সমস্যা রয়েই যায়। তার পরেও অল্প সংখ্যক শিক্ষক দিয়ে শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ বজায় রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সব শিক্ষকরাই। সকল সমস্যার দ্রুত সমাধান করে কলেজে শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাবিতে বন্ধ সব ধরণের কার্যক্রম

ঢাবিতে বন্ধ সব ধরণের কার্যক্রম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে গতকাল রোববার (২১ জুলাই) তালা ঝুলানোর পর আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে প্রায় বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরণের কার্যক্রম।

সোমবার (২২ জুলাই) ভোর ছয়টার দিকে শিক্ষার্থীরা তালা লাগিয়ে দেয় সব ধরণের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন, এফবিএস, রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের গেইট, আইইয়ার ভবনের গেইট, গণিত ভবন সব জায়গায় শিক্ষার্থীরা তালা দিয়ে  কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

আন্দোলনকারীদের কয়েকটি গ্রুপ ভাগ হয়ে এই কাজ করছে। তাদের এক দফা এক দাবি অধিভুক্ত বাতিল না করলে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। প্রশাসন যেমন আশ্বাস দিলেও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম। তাদেরকে ছাত্রলীগ বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান করেছে।

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!
রোববার আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো সোমবারও (২২ জুলাই) প্রশাসনিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা ঝুলতে পারে। বন্ধ থাকতে পারে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম।

রোববার (২১ জুলাই) রাতে আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

রোববার আন্দোলনকারীদের অবরোধে বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিকেলে শিক্ষার্থীদের লাগানো তালাগুলো ভেঙে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে তাদের সহানুভূতি রয়েছে দাবি করে তাদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার সকাল ৬টার দিকে তাদের সবার ডাকসু ভবনের সামনে একত্রিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকে তালা লাগানোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

কলাভবন, এফবিএস, আইইআর, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ও ভিসির কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে ডাকসু নেতাদের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সে সম্পর্কে গণমাধ্যমকে কিছু জানানো হয়নি। তবে বৈঠকে যাই হোক আন্দোলনকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র