Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শুদ্ধাচারের মাধ্যমে উন্নত দেশ বিনির্মাণ সম্ভব: ইউজিসি চেয়ারম্যান

শুদ্ধাচারের মাধ্যমে উন্নত দেশ বিনির্মাণ সম্ভব: ইউজিসি চেয়ারম্যান
ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেছেন, শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে রূপকল্প ২০২১ এবং উন্নত দেশ রূপায়নে ২০৪১ সালের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। দুর্নীতি না হলে আমাদের জিডিপি ২% বাড়তো, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দ্রুত প্রবৃদ্ধি বিশ্বের প্রথম সারিতে অবস্থান পেতো।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা: প্রেক্ষিত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকার বেতন-ভাতা দ্বিগুণের বেশি বাড়িয়েছে। তারপরও দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না কেন? আসলে এটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। চাকরিজীবী অনেকের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আছে, সামর্থ্য আছে, প্রয়োজন নেই। তারপরও বিনা প্রয়োজনেও দুর্নীতি করছেন। এটা একটা রোগে পরিণত হয়েছে।

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, দুর্নীতি থেকে উত্তরণে নীতি-নৈতিকতা চর্চা, শুদ্ধাচার বাস্তবায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক, সামাজিক ও ব্যক্তি পর্যায়ে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ সবক্ষেত্রে সঠিকভাবে, সঠিক সময়ে, সঠিক পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারলেই আমাদের দুর্নীতি বহুলাংশে কমানো সম্ভব। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি ইউজিসি উচ্চশিক্ষায় শুদ্ধাচারের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

খুবির আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।

কর্মশালায় মুখ্য আলোচক ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম। আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক সাধন রঞ্জন ঘোষ, ইউজিসি পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।

কর্মশালার শুরুতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম ঘণ্টাব্যাপী পাওয়ার পয়েন্টে শুদ্ধাচার নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। তাঁর উপস্থাপনায় শুদ্ধাচার কী ও তার প্রয়োজনীয়তা, বর্তমান সরকারের উদ্যোগ, বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ, কলাকৌশল, আইন, বিধিবিধান, অভীষ্ট লক্ষ্য এবং বিশ্ব প্রেক্ষিত তুলে ধরেন।

পরে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা ও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ইউজিসি পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম, ইউজিসির ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট কমিউনিকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ডিভিশনের অতিরিক্ত পরিচালক মাকসুদুর রহমান ভুঁইয়া, কেবিনেট ডিভিশনের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি আর এইচ এম আলাওল কবীর, ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধানসহ শতাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। দুপুরে কর্মশালা শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাবিতে সব কার্যক্রম বন্ধ

ঢাবিতে সব কার্যক্রম বন্ধ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাত কলেজ অন্তর্ভুক্তি দাবিতে রোববার (২১ জুলাই) তালা ঝুলানোর পর আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে প্রায় বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম।

সোমবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে শিক্ষার্থীরা তালা লাগিয়ে দেয় সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন, এফবিএস, রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের গেইট, আইইয়ার ভবনের গেইট, গণিত ভবন সব জায়গায় শিক্ষার্থীরা তালা দিয়ে  কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

আন্দোলনকারীদের কয়েকটি গ্রুপ ভাগ হয়ে এই কাজ করছে। তাদের এক দফা এক দাবি অধিভুক্ত বাতিল না করলে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। প্রশাসন যেমন আশ্বাস দিলেও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম। তাদেরকে ছাত্রলীগ বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান করেছে।

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!
রোববার আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো সোমবারও (২২ জুলাই) প্রশাসনিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা ঝুলতে পারে। বন্ধ থাকতে পারে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম।

রোববার (২১ জুলাই) রাতে আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

রোববার আন্দোলনকারীদের অবরোধে বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিকেলে শিক্ষার্থীদের লাগানো তালাগুলো ভেঙে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে তাদের সহানুভূতি রয়েছে দাবি করে তাদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার সকাল ৬টার দিকে তাদের সবার ডাকসু ভবনের সামনে একত্রিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকে তালা লাগানোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

কলাভবন, এফবিএস, আইইআর, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ও ভিসির কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে ডাকসু নেতাদের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সে সম্পর্কে গণমাধ্যমকে কিছু জানানো হয়নি। তবে বৈঠকে যাই হোক আন্দোলনকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র