Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শাবিপ্রবিতে হাজারো শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ‘টেক ফেস্ট’ শুরু

শাবিপ্রবিতে হাজারো শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ‘টেক ফেস্ট’ শুরু
এলআইসিটি সাস্ট টেক ফেস্টের উদ্বোধন / ছবি: বার্তা২৪
শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শুরু হয়েছে দুইদিনব্যাপী এলআইসিটি সাস্ট টেক ফেস্ট-২০১৯। এতে ৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০টি টিমের প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনে ফেস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়।

সিএসই বিভাগের প্রধান ও ফেস্টের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল মুকিদ মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- আইকিএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল আওয়াল বিশ্বাস, আইআইসিটির পরিচালক অধ্যাপক ড. শহীদুর রহমান, আইআইসিটির সহকারী অধ্যাপক আসিফ মো সামির এবং ইইই বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আরিফ আহাম্মদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ডিজিটালের পথে। তবে এখনো অনেক কিছু বাকি আছে আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য। সে ক্ষেত্রে যারা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে দেশকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল করার দায়িত্ব তাদের হাতে। এই সকল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে যাবে।’

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমি সব সময় শিক্ষার্থীদের বলেছি ক্লাস রুমে তোমাদের মাত্র আমরা ৫ শতাংশ শেখাতে পারি। বাকি ৯৫ শতাংশ ক্লাস রুমের বাইরে, ক্যাম্পাস এবং বাকি জীবন থেকে শিখতে হবে। আমরা শিক্ষার্থীদের অল্প সময়ে অল্প পড়াই কিন্তু তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে যে লেভেলের শিক্ষা গ্রহণ করে তাতো আমরা শেখাই না, তারা নিজেরা নিজেরা শিখে। এখানে পিপীলিকা, রোবটসহ অনেকগুলো জিনিস আছে। এইগুলো তৈরি করতে যখন দেখি সিএসই বিভাগের বাইরেও অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে, তখন ভালো লাগে।’

শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনের ফেস্টে আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, রোবো ফাইট, মাইজ সলভার, হ্যাকাথন, প্রজেক্ট এক্সিবিশন, সেমিনার এবং এলআইসিটি টক অ্যান্ড টেক ফেস্ট টক উইথ পলক নামে পাঁচটি ইভেন্ট রয়েছে। প্রতিযোগিতাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এমএ ওয়াজিদ মিয়া আইআইসিটি ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় আইআইসিটি ভবনে এলআইসিটি টক অ্যান্ড টেক ফেস্ট টক উইথ পলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একই দিন বিকেল ৩টায় সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল মুকিদ মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ, এলআইসিটির প্রজেক্ট ডিরেক্টর রেজাউল করিম।

আপনার মতামত লিখুন :

ঢাবিতে সব কার্যক্রম বন্ধ

ঢাবিতে সব কার্যক্রম বন্ধ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাত কলেজ অন্তর্ভুক্তি দাবিতে রোববার (২১ জুলাই) তালা ঝুলানোর পর আবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে প্রায় বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম।

সোমবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে শিক্ষার্থীরা তালা লাগিয়ে দেয় সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ভবনে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন, এফবিএস, রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের গেইট, আইইয়ার ভবনের গেইট, গণিত ভবন সব জায়গায় শিক্ষার্থীরা তালা দিয়ে  কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

আন্দোলনকারীদের কয়েকটি গ্রুপ ভাগ হয়ে এই কাজ করছে। তাদের এক দফা এক দাবি অধিভুক্ত বাতিল না করলে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে। প্রশাসন যেমন আশ্বাস দিলেও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম। তাদেরকে ছাত্রলীগ বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান করেছে।

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!

সোমবারও ঢাবিতে ঝুলতে পারে তালা!
রোববার আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো সোমবারও (২২ জুলাই) প্রশাসনিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভবনে তালা ঝুলতে পারে। বন্ধ থাকতে পারে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম।

রোববার (২১ জুলাই) রাতে আন্দোলনকারী একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

রোববার আন্দোলনকারীদের অবরোধে বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম। বিকেলে শিক্ষার্থীদের লাগানো তালাগুলো ভেঙে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে তাদের সহানুভূতি রয়েছে দাবি করে তাদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার সকাল ৬টার দিকে তাদের সবার ডাকসু ভবনের সামনে একত্রিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকে তালা লাগানোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

কলাভবন, এফবিএস, আইইআর, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং ও ভিসির কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান আন্দোলনকারীরা।

এদিকে ডাকসু নেতাদের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সে সম্পর্কে গণমাধ্যমকে কিছু জানানো হয়নি। তবে বৈঠকে যাই হোক আন্দোলনকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র