Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

শাবিপ্রবি’র টেক ফেস্টের ৫ ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন যারা

শাবিপ্রবি’র টেক ফেস্টের ৫ ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন যারা
অতিথিদের সাথে পাঁচটি ইভেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের সদস্যবৃন্দ / ছবি: বার্তা২৪
শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এলআইসিটি সাস্ট টেক ফেস্ট-২০১৯’ নামে দুইদিনব্যাপী প্রযুক্তি উৎসব সমাপ্ত হয়েছে। শনিবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সমাপনী পাঁচটি ইভেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এতে দেশের ৫৪টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০টির অধিক টিমের প্রায় ১হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল।

শাবিপ্রবি’র সিএসই বিভাগের প্রধান ও ফেস্টের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব। বিশেষ অতিথি ছিলেন অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবুল মুকিদ মোহাম্মদ মোকাদ্দেছ, এলআইসিটির প্রজেক্ট ডিরেক্টর রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- সেফালো বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার ফেরদৌস মাহমুদ শাওন, অরবিটেক্সের প্রধান টেকনোলজি অফিসার হাসান শাহরিয়ার মাসুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন আইআইসিটির সহকারী অধ্যাপক আসিফ মো. সামির।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আইআইসিটির পরিচালক অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান, কম্পিউটার ও তথ্য কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. রেজা সেলিম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্থপ্রতিম দেব বলেন, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের উন্নয়নে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান ব্যাপক। শুধু দেশের বিভিন্ন সমস্যাই নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করি। সরকার ‘ডিজিটাল সিলেট’ প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। সিলেটকে ডিজিটাল নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। আশা করব সব ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশে পাওয়া যাবে।

টেক ফেস্টে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, রোবো ফাইট, মাইজ সলভার, হ্যাকাথন এবং প্রজেক্ট শোকেসিং নামে পাঁচটি ইভেন্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ‘বুয়েট নাইট মেয়ার’ এবং রানার আপ হয়েছে বুয়েটের ‘বাপ্রবি অপরাহ্ন’ ও শাবিপ্রবির ‘লিটল ফিংগার নট ডেড’। প্রজেক্ট শোকেসিং এ চ্যাম্পিয়ন শাবিপ্রবির ‘সাস্ট এ টিম’ এবং রানার আপ ইবির ‘ভ্যারিয়েবল-৬’। মেইজ সলভারে চ্যাম্পিয়ন পিএইউ’র ‘মেপল রোবোটিক্স’ এবং রানার আপ হয়েছে শাবিপ্রবির ‘টাইটান এক্স-১’। রোবো ফাইটে চ্যাম্পিয়ন আইআইইউসির ‘এক্সপায়ারড কনক্লোশন’ এবং রানার আপ হয়েছে শাবিপ্রবির ‘সাস্ট রোবো সেপিয়েন্স’। হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শাবিপ্রবির ‘টিম ন্রিক’ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে ‘এমইউ এডোগেন’ও শাবিপ্রবির ‘সাস্ট টেক এক্সপো’।

উল্লেখ্য, দুইদিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতাটি শুরু হয় শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায়। প্রতিযোগিতা ছাড়াও তিনটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া শনিবার সকালে ‘টেক টক উইথ পলক’ নামে একটি অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

শাবিপ্রবি’র কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং-আইআইসিটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি

গ্রেনেড হামলা দিবসে ইবিতে প্রতিবাদ র‌্যালি
ইবিতে প্রতিবাদ র‍্যালি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে প্রতিবাদ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২১ আগস্ট) ক্যাম্পাসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নেতৃত্বে প্রতিবাদ র‌্যালি বের হয়। এরপর র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

এসময় র‌্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. আনিছুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যালি শেষে বেলা ১২টায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক শাসুজ্জামান খান।

বায়ো টেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা জামাল হ্যাপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শানিহনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এছাড়া স্বাগত বক্তা ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

এদিকে জাতীয় শোকদিবস ও গ্রেনেড হামলা দিবস ২০১৯ উপলক্ষে সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। মানববন্ধনে ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের মধ্যে যাদেরকে এখনো শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি, তাদের শাস্তি কার্যকরে জোর দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুর ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে মানববন্ধনে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি

জাবিতে তারেক-বাবর-পিন্টুর প্রতীকী ফাঁসি
জাবিতে ২১ আগস্টের হামলায় জড়িত খুনিদের প্রতীকী ফাঁসি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে প্রতীকী ফাঁসির কর্মসূচি পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহুয়া তলায় এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে গ্রেনেড হামলায় জড়িত তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টু ও হারিস চৌধুরীকে প্রতীকী ফাঁসি দেয়া হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ চত্বর থেকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের সামনে এসে শেষ হয়।

প্রতীকী ফাঁসির মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বলেন, '২০০৪ সালের আগস্টের এই দিনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মধ্যদিয়ে দেশকে অন্ধকারে পতিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু দেশনেত্রীকে তারা হত্যা করতে পারেনি। সেদিন রক্তাক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। ২১ আগস্টের ভয়াল এই হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জড়িত ছিল। এই হামলায় জড়িতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।'

এ সময় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুইশত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র