Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রাস্তায় ধান ছিটিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

রাস্তায় ধান ছিটিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
রাস্তায় ধান ছিটিয়ে শিক্ষার্থীরদের মানববন্ধন / ছবি: বার্তা২৪
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ধানের মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তায় ধান ছিটিয়ে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ মে) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে টাঙ্গাইলে ধানের ক্ষেতে আগুন লাগিয়েছে এক কৃষক। যা কৃষি প্রধান বাংলাদেশের জন্য লজ্জাকর। এক মণ ধান উৎপাদনে কৃষক যে পরিমাণ খরচ করেন বিক্রি করে মূলধনও ফেরত পান না তারা। কৃষকরা এ ভর্তুকি কোথায় পাবে? পুঁজিবাদীরা ব্যাংক ঋণ মওকুফ পাচ্ছে কিন্তু কৃষকরা তাদের ভর্তুকি পাচ্ছে না। অথচ এই পুঁজিবাদী, শাসকগোষ্ঠী, সরকারের আমলাদের বেতন, বাড়ি-গাড়ি সব হয়েছে কৃষকের ট্যাক্সের টাকায়।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ধানের দরপতনের জন্য এক শ্রেণির সিন্ডিকেট দায়ী। সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে ধানের দাম নির্ধারণ করলেও ব্যবসায়ীরা ১২ থেকে ১৪ টাকা কেজি দরে কিনছে। আবার ব্যবসায়ীরাই সরকারের কাছে ২৬ টাকায় বিক্রি করছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘জিডিপি নয় ধানের দাম চাই, ধানের দাম কমে, চালের দাম বাড়ে কেন? কৃষি মেরে কৃষক মেরে উন্নয়ন মানি না, কৃষক যদি না করে ধান চাষ দেখব শাসকগোষ্ঠী কি খায়, আমরা চাষা ধানের ন্যায্য মূল্য চাই’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড বহন করতে দেখা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিলের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, আব্দুল মজিদ অন্তর, সুমন মোড়ল, মাসুদ রানা, নুসরাত জাহান আভা, মহাব্বত হোসেন মিলন, মেহেদী হাসান, তানভীর খন্দকার, আব্দুল্লাহ নীল, মাহমুদ সাকী প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সারাদেশে একেরপর এক ঘটতে থাকা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রমৈত্রী।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা রাজাকারদের বিচার করতে পেরেছি। কিন্তু দেশে চলমান খুনি, ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের কেন বিচার করতে পারছি না?

এ সময় তারা খুন, ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের কার্যকরী ভূমিকা পালন করার দাবি জানান।

ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোরশেদ হাবিবের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সহসভাপতি আরিফুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শামিমুল ইসলাম সুমন, শেখ রাসেল হলের সভাপতি আশিকুর রহমান প্রমুখ।

ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় মানবন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দফতর সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিড়া সম্পাদক আশিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আখতার হোসাইন আজাদসহ বিভিন্ন পর্যয়ের নেতাতর্মীরা।

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আনন্দ-উৎসবে পালিত হলো নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

নানা আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হলো নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষাক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

নোবিপ্রবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় মনোরমভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়।

দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল- জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, উদ্বোধনী ঘোষণা, আনন্দ শোভাযাত্রা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কেক কাটা, তথ্যচিত্র উপস্থাপনা, সম্মাননা স্মারক প্রদান, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

NSTU

সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো.মমিনুল হক প্রমুখ।

পরে হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার উল আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী। সভা সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মমিনুল হক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র