Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাকৃবি’র হোটেলে পচা খাবার

বাকৃবি’র হোটেলে পচা খাবার
ছবি: সংগৃহীত
বাকৃবি করেসপন্ডেন্ট
ময়মনসিংহ
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বিভিন্ন হোটেলে রমজানে মিলছে পচা, বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত খাবার। অভিযোগ আছে, এসব খাবার খেয়ে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জব্বারের মোড়ের দুটি হোটেলের বিরুদ্ধে পচা ও বাসি খাবার খাওয়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান হাসিব অভিযোগ করে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘সেহেরির সময় সজিব হোটেল থেকে আমরা কয়েকজন মুরগি, গরু ও ডাল কিনে হলে নিয়েছিলাম। পরে রুমে এসে প্যাকেট খুলে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। দোকানদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আম দেওয়ায় ডাল টক হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া আগের দিনের রান্না করা মুরগিও বিক্রি করছে তারা। আমরা বাসি খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558553610282.jpg
বাকৃবির হলে পচা খাবার/ ছবি: সংগৃহীত

 

কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, হলগুলোর ডাইনিং বন্ধ থাকায় ক্যাম্পাসের ভেতরের হোটেলগুলোতেই খাবার খেতে হয়। ক্যাম্পাসের মদিনা, বিসমিল্লাহ, ভাই ভাই, মিলন, চাঁদনিসহ প্রায় প্রতিটি হোটেলেই বাসি ও পচা খারাব সরবরাহ করা হয়। ক্যাম্পাসের মধ্যে নোংরা পরিবেশে নিম্নমানের খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের অবহেলা ও সুষ্ঠু নজরদারির অভাবে হোটেল মালিক, কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতা দিন দিন বাড়ছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সজিব হোটেলের মালিক রুবেল হোসেন অভিযোগ স্বীকার করে বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘ওই রাতে আমাকে না জানিয়েই হোটেল কর্মচারীরা টক ডাল বিক্রি করেছিল। আমার এখানে আগে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি, ভবিষ্যতেও ঘটবে না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল হক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘হোটেলগুলোর খাবারের মান উন্নয়ন ও ভেজাল ঠেকাতে রমজানের শুরুতে আমরা অভিযান চালিয়েছিলাম। পরবর্তীতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। যে হোটেলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি হোটেলে মূল্য তালিকা টাঙাতে সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিডিইউ উপাচার্যের শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিডিইউ উপাচার্যের শ্রদ্ধা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিডিইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর

জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির (বিডিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) মো. আশরাফ উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

শ্রদ্ধা জানানো শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন পুরো জাতিকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র জাতির পিতাকে হত্যা করে। কিন্তু তার স্বপ্ন ও আদর্শকে রুখে দিতে পারেনি ঘাতকেরা।

উপাচার্য জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতা হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ ধারণ করে সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

খুবি'র শিক্ষার্থী বহিষ্কার

খুবি'র শিক্ষার্থী বহিষ্কার
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা স্কুলের (অনুষদ) আওতাধীন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২০২তম জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে সিন্ডিকেটের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিন্ডিকেটের সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

খুবি'র জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, উক্ত শিক্ষার্থী গত ৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ কমিটিকে দায়িত্ব দেয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত শেষে কমিটি গত ৪ আগস্ট তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে। সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় উক্ত রিপোর্ট পেশ করা হলে কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের ঐ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিরতরে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র