Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের মাঝেই শাবিপ্রবির হল বন্ধ

শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের মাঝেই শাবিপ্রবির হল বন্ধ
শাবিপ্রবি
আরাফ আহমদ
শাবিপ্রবি করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আবাসিক হল বন্ধ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার (২৪ মে) বিকেলের মধ্যে সকল হল খালি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঈদের ছুটিতে সনাতন ধর্মসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের থাকার কোনো ব্যবস্থা না করায় অসন্তোষ এবং ক্ষোভ দেখা দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে। হল বন্ধ থাকায় মেয়েদেরকে সব চেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। বিকল্প কোনো থাকার ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই ক্যাম্পাস ছাড়তে হয়েছে তাদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়- ‘গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদ-উল--ফিতরের ছুটি উপলক্ষে ২৪ মে শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদেরকে হল ছেড়ে দিতে হবে এবং ১৩ জুন সকাল ৯টার পর তারা হলে প্রবেশ করতে পারবে।’

এছাড়া রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একই ছুটি উপলক্ষে ১৫ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

হল বন্ধের এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য দীর্ঘদিন থেকে দাবি জানিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা। ছুটির দিনে হল খোলা রাখার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিল শিক্ষার্থীরা। উপাচার্যের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো আশ্বাস পাননি বলে জানান আবাসিক শিক্ষার্থী মো. তৌহিদুজ্জামান।

এদিকে শিক্ষার্থীদের দাবিকে উপেক্ষা করে হল বন্ধের বিষয়ে অটল রয়েছে শাবিপ্রবি প্রশাসন। শিক্ষার্থীদেরকে হল থেকে বের করে দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট এবং পানি লাইন বন্ধ করে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষার্থীদের হল ছাড়া করতে শুক্রবার সন্ধ্যার পরপরই হলের দু’তলা থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে হল কর্তৃপক্ষের দাবি পানি ও বিদ্যুৎ সংস্কারের কারণে এসব লাইন বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এসএম হাসান জাকিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ‘২৪ মে’র পর থেকে হলে হলে পানির পাম্প স্থাপন, লাইন পরিষ্কার ও ইলেক্ট্রিক এর সংস্কার কাজ করা হবে এবং কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসবের সংযোগ বন্ধ থাকবে।’

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শাবিপ্রবি’র হল বন্ধের কোনো নিয়ম না থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বিতর্কিত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল হক ভূইয়ার মেয়াদের শেষ সময়ে আবাসিক হল বন্ধের রীতি চালু হয়। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বন্ধ করার জন্য এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা থেকে বেশ কয়েকবার হল বন্ধ করা হয়।

২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় তৎকালীন উপাচার্য হল বন্ধ করলে শিক্ষার্থীরা দিনভর আন্দোলন করে এবং হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবিতে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল খুলে দিতে বাধ্য হয়েছিল। এর পরবর্তীতে প্রতি বছরই ছাত্রলীগের সংঘর্ষের অজুহাত দেখিয়ে হল বন্ধ করে আসছে শাবিপ্রবি প্রশাসন।

এদিকে বেশ কয়েকজন আবাসিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিবেশ অনেকটাই শান্ত। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধের রীতি না থাকলেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো ধরনের কথা না বলে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাবেক উপাচার্যের একটি বিতর্কিত অনিয়মকে নিয়ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘মাসের শেষের দিকে হঠাৎ করে হল বন্ধ করে দেওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছে। আমাদের টিউশনি রয়েছে। টিউশনির টাকা দিয়ে অনেকে পড়ালেখা চালায়। তাছাড়া আমার মাস্টার্স পরীক্ষা চলতেছে এবং আমি চাকরির জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি। এভাবে লম্বা ছুটিতে হল বন্ধ করে দিলে আমাদের পড়ালেখায় সমস্যা হবে। আর আবাসিক শিক্ষার্থীদেরকে হঠাৎ করে বের করে দিলে তারা থাকার জায়গা কোথায় পাবে?’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মেয়েদের হলের এক শিক্ষার্থী জানান, ‘আমার টিউশনি রয়েছে এবং চাকরির জন্য পড়াশোনা করছি। ৩০ মে’র পর বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। এখন অনেকটা বাধ্য হয়েই আমাকে ক্যাম্পাস ছাড়তে হয়েছে।’

আরেক শিক্ষার্থী নিখিলেশ কর বলেন, ‘আমি হলে ভর্তি এবং হলের নিয়মিত একজন শিক্ষার্থী। এই ছুটিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিম বাদে অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদের থাকার জন্য কোনো ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বাধ্য করে অন্যান্য ধর্মের লোকদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে। আমাদের তো ঈদ নেই আমরা কোথায় যাবো?

বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বন্ধের বিষয়ে আবাসিক শিক্ষার্থী মো. তৌহিদুজ্জামান ও দ্বীন বন্ধু সরকার বলেন, ‘ছাত্ররা তাদের অধিকার বলে বার বার হলে থাকার দাবি জানালেও প্রশাসনের অনড় সিদ্ধান্ত খুবই অগণতান্ত্রিক এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যেভাবে বিদ্যুৎ বন্ধ করেছে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যতের জন্য অশনি সংকেত।’

সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন হল বন্ধে অসন্তুষ্ট তখন রাজনৈতিক চাপের কারণে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হল খোলা রাখার দাবি জানাতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী জানান, হল খোলা রাখার জন্য আমরা হল প্রশাসনের সাথে কথা বলতে গেলে গ্রুপের নেতারা হল থেকে নেমে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমরা হল বন্ধের প্রতিবাদ করতে পারি না।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে রাজনৈতিক চাপের কথা অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, ‘ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মী সমান। যেকোনো বিষয়ে তারা সবাই হল প্রভোস্ট, প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলতে পারে।’

কোন পরিস্থিতির কারণে এই বছর হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তা জানতে বেশ কয়েকজন হল প্রভোস্টের সাথে যোগাযোগ করে এই প্রতিবেদক। পরিস্থিতির বিষয়টি খোলাসা করতে রাজি নন হল প্রভোস্টরা। যোগাযোগ করলে সৈয়দ মুজতবা আলী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল হল বন্ধের বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘আমার একার পক্ষে হল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তের সময় উপাচার্য, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, হলের প্রভোস্টবৃন্দসহ প্রশাসনের অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এর আগেও আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে দায়িত্ব পালন করেছি তখন হল খোলা রাখা হত। ঐসময়েও সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হল খোলা রাখা হয়েছিল।’

আপনার মতামত লিখুন :

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ

জাবি শাখা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী, সুমন জোয়ার্দার, ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক হোটেল মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৮ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম সুমন জোয়ার্দার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৪৪ তম ব্যাচের ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি জুয়েল রানার অনুসারী বলে জানা যায়।

সুজন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং সার্ভিসের মালিক মো. সুজন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'রোববার বিকালে সুমন তার বান্ধবীকে নিয়ে আমার দোকানে আসে। এ সময় তার বাড়ি থেকে আনা মাংস গরম করে দিতে বলে। কিন্তু আমাদের গ্যাসের চুলা নিভিয়ে ফেলায় আমরা অস্বীকৃতি জানাই। এরপরও সুমন কয়েকবার আমাকে ডাকে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে আমি শুনতে পাইনি। পরে তার কাছে গেলে সুমন আমাকে বলে, তোর কানেতো সমস্যা, যাওয়ার সময় ঠিক করে দিয়ে যাব। খাওয়া শেষে বান্ধবীকে নিয়ে চলে যায় সুমন। পরে হলের সাত-আটজন জুনিয়র ছাত্রলীগ কর্মীকে নিয়ে এসে কাঠের টুকরা দিয়ে আমাকে মারধর করে।'

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুমন জোয়ার্দার মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানের কাঠের চেলা দিয়ে মারছি। তার দোষের কারণেই মারধর করা হয়েছে। আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে সেও মারধর করত।'

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'মাত্র জানতে পারলাম, এমন ঘটনা দুঃখজনক। এ বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'দোকানগুলো হলের নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেক্ষেত্রে সব সিদ্ধান্ত হল প্রশাসন নেন। তবে যেহেতু মারধরের ঘটনা ঘটেছে আমরা খোঁজ খবর নেব। এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগপত্র পাইনি।'

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

৫৯ বছরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাকৃবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোভাযাত্রা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

৫৮ পেরিয়ে ৫৯ বছরে পা দিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৃষি শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। কৃষি ও কৃষি বিজ্ঞানের সকল শাখায় উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৬১ সালের আজকের এই দিনে (১৮ আগস্ট) ময়মনসিংহে পূর্ব পাকিস্থান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে এ প্রতিষ্ঠানটি। স্বাধীনতার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ কৃষি বিশবিদ্যালয় (বাকৃবি)।

ময়মনসিংহ শহর থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে এক হাজার ২০০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৈরি হয়েছে ৪৭ হাজার ২৬৮ জন কৃষিবিদ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122325068.gif

প্রতিষ্ঠাকালে ভেটেরিনারি ও কৃষি অনুষদ নামে মাত্র দুটি অনুষদ নিয়ে কার্যক্রম শুরু হলেও বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ছয়টি অনুষদ রয়েছে। কৃষি, ভেটেরিনারি, পশুপালন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আওতায় ৪৪ বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে সাত হাজার ১০৩ জন শিক্ষার্থী ও ৫৮১ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য রয়েছে ১৩টি হল।

শোকের মাস আগষ্টের কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তেমন কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন না করে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122353373.gif

রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যালিপ্যাডে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভিসি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। পরে হ্যালিপ্যাড থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়।

শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্য খামারের সহযোগিতায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে জার্মপ্লাজম সেন্টারের সহযোগিতায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বনজ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566122378559.gif

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস বাস্তবায়ন উপ-কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকিরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান।

উপাচার্য বলেন, 'বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ। দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করার যে চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছিলাম, তাতে আমরা জয়লাভ করেছি। তবে বর্তমানে দেশে সেইফ ফুড বা খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে আমরা শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছি।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র