ছিনতাইয়ের শিকার জাবি শিক্ষার্থী

জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ছিনতাইয়ের শিকার জাবি শিক্ষার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ছিনতাইয়ের শিকার জাবি শিক্ষার্থী, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের ছুটি শেষে বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থী ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ জুন) ভোরে ওই শিক্ষার্থীকে ঢাকার আশুলিয়ার বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করান পথচারীরা।

এ বিষয়ে বিকেলে আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ছিনতাইয়ের শিকার আল আমিন কোরাইশি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ৪৪তম ব্যাচ ও মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

লিখিত অভিযোগ ও আল আমিন কোরাইশির কাছ থেকে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে গত সোমবার হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে ট্রেনে করে ঢাকায় ফেরেন আল আমিন। রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকার বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নেমে নবীনগরগামী আশুলিয়া ক্লাসিক বাসে ওঠেন আল আমিন। বাসে ওঠার পর দশ টাকা দিয়ে শসা কিনে খান তিনি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্ঞান হারান আল আমিন।

এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারীরা তার সঙ্গে থাকা ল্যাপটপ, মুঠোফোন ও নগদ টাকাসহ মানিব্যাগ নিয়ে নেন। এরপর তাকে আশুলিয়া থানার আশুলিয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় সড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনার পর গতকাল মঙ্গলবার ভোরের দিকে পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে আশুলিয়ার জামগড়া নারী ও শিশুকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, 'আশুলিয়া ক্লাসিকের বাসে বাইপাইল পর্যন্ত টিকেট কাটি। গাড়িতে ওঠার পর একজন শসা বিক্রেতা শসা কেনার জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। বাধ্য হয়ে শসা কিনে মুখে দেওয়ার পরপরই আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। এক পর্যায়ে গাড়ির হেল্পার আমাকে জাগিয়ে তুলে বলেন, বাস এখন বেড়ি বাঁধে আছে। এখান থেকে আর যাবে না। কিন্তু আমি ঘুমের ঘোরে কিছু বুঝতে পারছিলাম না। পরে জানলাম আমাকে সড়কের পাশে ফেলে রেখে গেছে।’ আল আমিন কোরাইশির অভিযোগ, বাসের ড্রাইভার ও হেল্পার মিলে তাকে অজ্ঞান করে ছিনতাই করেছে।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘আল আমিন এখন সুস্থ। তাকে অভিভাবক এসে নিয়ে গেছে। বিষয়টি ক্যাম্পাসের বাইরে হওয়ার থানায় অভিযোগ জানাতে বলেছি।’

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিলুর রহমান বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

এ সম্পর্কিত আরও খবর