Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছাত্রলীগের প্রতি ঢাবি প্রশাসনের অনৈতিক সমর্থন স্পষ্ট: ভিপি নুর

ছাত্রলীগের প্রতি ঢাবি প্রশাসনের অনৈতিক সমর্থন স্পষ্ট: ভিপি নুর
ডাকসুর নির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর/ ছবি: সংগৃহীত
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত সদস্যদের বাইরে থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজোয়ানুল হক চেীধুরী শোভন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসকে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনেটে ছাত্রপ্রতিনিধি মনোনীত করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর।

ভিপি নুরের অভিযোগ, তার সাথে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াই অনির্বাচিত শোভন ও সনজিতকে প্রতিনিধি মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের প্রতি প্রশাসনের অনৈতিক সমর্থন শিক্ষার্থীদের কাছে আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জনু) সিনেটে ছাত্রপ্রতিনিধি হিসেবে পাঁচ জনের নাম চুড়ান্ত করা হয়। এতে পাঁচজন সিনেট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস গোলাম রাব্বানী, সদস্য তিলোত্তমা শিকদার, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি সনজিৎ চন্দ্র দাস।

অনির্বাচিত দুইজনকে ঢাবির সিনেটে ছাত্রপ্রতিনিধি মনোনীত করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে।

১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের ২০ (ঠ) ধারায় বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) মনোনীত শিক্ষার্থীদের পাঁচজন প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সদস্য হবেন। তবে সেক্ষেত্রে ডাকসুতে অবশ্যই আলোচনা করতে হবে।

ভিপি নুরুল হক নুর বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘ডাকসু থেকে পাঁচজন সিনেট সদস্য মনোনয়ন প্রসঙ্গে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে ডাকসুতে কোনো আলোচনা হয়নি।’

ডাকসু থেকে কিভাবে পাঁচজন সদস্য মনোনীত হবে ডাকসুর গঠনতন্ত্রে তার কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকলেও বিগত ডাকসুর কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ভিপি-জিএস অন্যদের সাথে আলোচনা করে পাঁচজন সদস্যের নাম চূড়ান্ত করেন।

নুর বলেন, ‘ডাকসুর গঠনতন্ত্রে স্পষ্ট বলা আছে, ভিপি সংসদের প্রধান নির্বাহী। অথচ ডাকসুর সদস্যদের সাথে কোনো ধরণের আলোচনা না করেই এমনকি ভিপির সম্মতি ও স্বাক্ষর ছাড়াই জিএস নিজের পছন্দ মাফিক ডাকসুর নির্বাচিত সদস্য নয় এমন দুই জনসহ পাঁচজনের নাম উপাচার্য বরাবর পাঠিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘উপাচার্য স্যারকে বিষয়টি অবহিত করার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক এমন একটি বিতর্কিত প্রস্তাব গৃহীত হওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও নীতিবর্হিভূত। এর মধ্য দিয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ছাত্রলীগের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনৈতিক সমর্থনের বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে আরও স্পষ্ট হয়েছে।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনেট সদস্যদের কথা জানতে পেরেছেন দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাকসুর সমাজকল্যাণ সম্পাদক আকতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার জানতে পারলাম অনির্বাচিত দুজনসহ পাঁচজন সিনেট সদস্য মনোনীত হয়েছেন। তাহলে আমি কে? ডাকসুর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও আমি জানিনা কেন?’

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনের আর বাকি একদিন। তবে এ সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদপ্রত্যাশীদের আক্রোশপূর্ণ মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সংঘর্ষের।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীরা। পরবর্তীতে জবি শাখা ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এড়াতে ব্যর্থ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রিয় কমিটি। কেন্দ্রিয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সৎ,পরিশ্রমী ও যোগ্য নেতৃত্ব দিতে আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন কমিটি দেওয়া হয়।

সম্মেলন কমিটির নেতৃত্বে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু হলেও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাড়ছে আন্তঃকোন্দল ও রোষানল। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সম্মেলন ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে সবার মাঝে।

পোস্টার ছেড়ার বিষয়ে সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু বার্তাটোয়োন্টিফোর.কমকে জানান, কে বা কারা পোস্টার ছিড়ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। সম্মেলনে সংঘর্ষের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এখানে যারা আছি, সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে একান্তই যদি কোনো অহেতুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা মীমাংশা করে নেব। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র