Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা

শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা
ঢাবির রাজু ভাস্কর্যে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের সংবাদ সম্মেলন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছাত্রলীগের কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ ও যোগ্যদের পদায়নসহ চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি দেবেন ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা। তাদের চার দফার দাবির অন্যতম হলো তারা দলীয় সভাপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। 

মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের দফতর সেলে এই স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন পদবঞ্চিতরা।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। গত ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে টানা ২৩ দিন ধরে এখানে অবস্থান করছেন তারা।

এর মধ্যে ছাত্রলীগের এ সমস্যা সমাধানে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে নির্দেশনাও দেন। কিন্তু তার পরও ছাত্রলীগের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাননি আন্দোলনরতরা। তাই দলীয় সভাপতি বরাবর স্মারকলিপি দিচ্ছেন বলে জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পদবঞ্চিতদের মুখপাত্র ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন।

তিনি বলেন, 'যারা সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের বড় অংশকে বাদ দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। ত্যাগীদের সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি। বরং যাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তাদের কমিটিতে পদায়ন করা হয়েছে। পদ পাওয়া নেতাকর্মীদের একটি পরিচয় আছে, সেটি হলো তারা তাদের (সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক) মাই ম্যান (নিজস্ব লোক)।’

রাকিব হোসেন বলেন, ‘কমিটি ঘোষিত হওয়ার পরপরই ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত বিক্ষুব্ধ কর্মীরা প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন। কিন্তু সেই মিছিলে হামলা চালানো হয়। হামলার প্রতিবাদে মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে সেখানেও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আহত করা হয়। পরে অভিযোগ দিতে গেলে সেখানে মারধর করা হয়।’

সংবাদ সম্মেলন থেকে চার দফা দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। দাবিগুলো হলো- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ, ছাত্রলীগের কমিটিতে যে ১৯ জন বিতর্কিত নেতার পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তাদের নাম ও পদের নাম প্রকাশ, কমিটিতে যত বিতর্কিত রয়েছে, সবার পদ শূন্য ঘোষণা করে পদবঞ্চিতদের মধ্য যোগ্যতার ভিত্তিতে শূন্য হওয়া পদগুলোতে পদায়ন এবং মধুর ক্যানটিন ও টিএসসিতে হামলার সুষ্ঠু বিচার।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন কবি জসীম উদদীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য তানভীর হাসান সৈকত ও সাবেক কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সাঈফ বাবু।

আপনার মতামত লিখুন :

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা

জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনের আর বাকি একদিন। তবে এ সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদপ্রত্যাশীদের আক্রোশপূর্ণ মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে সংঘর্ষের।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাম্পাসে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগে সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদিন রাসেলের কর্মীরা। পরবর্তীতে জবি শাখা ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এড়াতে ব্যর্থ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রিয় কমিটি। কেন্দ্রিয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সৎ,পরিশ্রমী ও যোগ্য নেতৃত্ব দিতে আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম টিটনকে আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি সম্মেলন কমিটি দেওয়া হয়।

সম্মেলন কমিটির নেতৃত্বে উৎসব মুখর পরিবেশে সম্মেলনের প্রস্তুতি শুরু হলেও পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাড়ছে আন্তঃকোন্দল ও রোষানল। এরইমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থীদের মধ্যে পোস্টার ছেড়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সম্মেলন ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে সবার মাঝে।

পোস্টার ছেড়ার বিষয়ে সম্মেলনের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম টিটু বার্তাটোয়োন্টিফোর.কমকে জানান, কে বা কারা পোস্টার ছিড়ছে এ বিষয়ে আমার জানা নেই। সম্মেলনে সংঘর্ষের কোনো সুযোগ নেই। আমরা এখানে যারা আছি, সবার সাথে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে একান্তই যদি কোনো অহেতুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তা মীমাংশা করে নেব। এছাড়া অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা

ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা
ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকীতে রাবিতে আলোচনা সভা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের ফোকলোর গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি রাশেদ রিমনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম কনক।

আলোচনা সভায় আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'পৃথিবীতে দুটি নাম মানুষ সবচেয়ে বেশি জানে। তার একটি হলো নেলসন ম্যান্ডেলা। তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে তিনি অনেকগুলো পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার প্রদত্ত ভারত রত্ন পুরস্কার ও ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ তাদের মধ্যে অন্যতম।'

আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, 'পৃথিবীর অনেকেই সংগ্রাম করে, নেতা হয় বা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। কিন্তু ক্ষমতা পাওয়ার পরপরই তাদের নিজেদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু নেলসন ম্যান্ডেলা এমন একজন নেতা যিনি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।'

এছাড়া আলোচনা সভায় নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র