Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বেরোবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলা

বেরোবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলা
দাবি আদায়ে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বকেয়া বেতন ভাতা প্রদান, চাকরি স্থায়ীকরণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিকাল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত কর্মচারীদের ওপর এ হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।

ঘটনার প্রতিবাদে কয়েক দফায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কর্মচারীরা। এ সময় হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি তাদের চার দফা দাবি মেনে নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561467037988.jpg

জানা গেছে, আন্দোলনরত কর্মচারীরা দাবি আদায়ে মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিকালে পুলিশ-প্রশাসনের উপস্থিতিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে প্রশাসনিক ভবনে লাগানো তালা হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলেন।

এ সময় কর্মচারীরা বাধা দিলে পরিস্থিত উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আন্দোলনরত কর্মচারীরা বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবগত করেছি। কিন্তু ভিসি দাবি না মেনে উল্টো ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561467059453.jpg

এ বিষয়ে কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'আমাদের ন্যায্য দাবি মেনে না নিয়ে উল্টো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিয়ে হামলা করা হলো। এটা অন্যায়। এখন ভিসি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন।’

অন্যদিকে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক মাহবুবার রহমান বার্তা২৪.কম-কে জানান, অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো সহযোগিতা বা আলোচনার ইঙ্গিত না দিয়ে শিক্ষার্থীদের লেলিয়ে আকস্মিকভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র তাবিউর রহমান প্রধানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন :

মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস চায় ইবি ছাত্রলীগ

মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস চায় ইবি ছাত্রলীগ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

ক্যাম্পাসকে সস্পূর্ণভাবে মাদকমুক্ত করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে উপাচার্য রবাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর কাছে এই স্মারকলিপি দেন নেতাকর্মীরা।

এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ ড. অধ্যাপক সেলিম তোহা, ছাত্রলীগ ইবি শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ, সাধারণ সম্পাদক আর আই রাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

BSL

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা ছাত্রলীগের দাবিগুলো হলো-
১. ক্যাম্পাসকে সস্পূর্ণভাবে মাদকমুক্ত করা
২. শহীদ জিয়াউর রহমান হলের নাম থেকে ‘শহীদ’ শব্দটি বাদ দেওয়া
৩. ক্যাম্পাসে ছাত্র শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ
৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে একজন মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ করা
৫. ক্যাম্পাসে একটি মানসম্পন্ন সুইমিং পুল নির্মাণ করা

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, ‘দাবিগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্পূর্ণ একমত। এগুলো জন্য অতি দ্রুতই কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

রাবির বড়কুঠি হস্তান্তরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

রাবির বড়কুঠি হস্তান্তরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রথম প্রশাসনিক ভবন বড়কুঠি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে তারা কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, 'একমাত্র উন্মাদ মাতালরাই পারে তাদের চৌদ্দপুরুষের ভিটামাটি বিক্রি করতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন কোনো ঐতিহ্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানায় রেখে সেটি মেরামত করতে পারে কিন্তু সেটি হস্তান্তর করতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। এতে কোনো সরকারের বা কোনো মন্ত্রী আমলাদের হস্তক্ষেপ চলবে না। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্তটি অচিরেই প্রত্যাহার করবেন।'

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে সংঘঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, সভাপতি রাশেদ রিমন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাফিল আলম।

উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে বড়কুঠিকে সংরক্ষিত প্রত্ন সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে এই ঘোষণা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়। এরপর এ বছরের ১৪ মে রাবি প্রশাসনকে অবহিত করে চিঠি দেয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। পরে ২৯ জুন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৪৯১ তম সিন্ডিকেট সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে বড়কুঠি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র