Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাবির ম্যানেজমেন্ট বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল

রাবির ম্যানেজমেন্ট বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল
ছবি: সংগৃহীত
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী বিভাগটিতে শিক্ষক নিয়োগে কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও অবৈধ হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া ওই বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের উপর ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত এক রিটে আবেদনের শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার (১৪ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারক শেখ হাসান আরিফ ও রাজিক-আল-জালিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আ ফ ম হাকিম। বিবাদী পক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুখলেছুর রহমান, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শুচিরা হোসাইন ও সামিরা তারান্নুম রাবেয়া।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানউদ্দিনের আমলে ২০১৭ সালের শেষের দিকে ম্যানেজম্যান্ট স্টাডিজ বিভাগের সাতটি শূণ্য পদের বিপরীতে সহকারী অধ্যাপক/প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে নীতিমালা অনুসারে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫০ থাকা আবশ্যক করা হয়। তখন সে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বিজ্ঞপ্তিকে বৈধ ঘোষণা করেন।

পরবর্তীতে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুস সোবহান নিয়োগের যোগ্যতা শিথিল করে স্নাতক পর্যায়ে সিজিপিএ ৩ দশমিক ২৫ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৩ দশমিক ৫০ করা হয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ৬ ডিসেম্বর নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন বিভাগের অধ্যাপক জিন্নাত আরা বেগম। এতে রাষ্ট্রপতি দফতরের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি ও বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির তিন অধ্যাপককে বিবাদী করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

জাবির উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ

জাবির উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ
বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

পূর্বঘোষিত তিন দফার ছয় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের কয়েকটি ভবন ও প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদ চত্বরে সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের পাশের তিনটি হল স্থানান্তর করে নতুন জায়গায় দ্রুত কাজ শুরু করা, উপাচার্যের বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা দূর্নীতির ব্যাপারে বিচার বিভাগীয় তদন্ত নিশ্চিত করা এবং টেন্ডার ছিনতাইকারদীর বিচারের আওতায় আনাসহ প্রকল্পের সকল ব্যয়ের হিসেব জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবি জানান।

এছাড়া উপাচার্যের বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা জানান বক্তারা।

আরও পড়ুন: জাবিতে সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় নিন্দা

উপাচার্যসহ তার পরিবার প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মাদ দিদার বলেন, ‘আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি এই দুর্নীতির সঙ্গে স্বয়ং উপাচার্য জড়িত। তার ছেলে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বারবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। এবার উপাচার্য ও তার পরিবার যে জনসাধারণের টাকা লুটপাট করতে নেমেছেন তা বন্ধ করতে আমরাও রুখে দাঁড়াব।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566732339061.jpg

সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিকুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথা হলো উপাচার্য। আমরা লক্ষ্যে করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাথায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। আমরা এটার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করছি। সাংবাদিকরা যখন অর্থ কেলেঙ্কারির তথ্য তুলে ধরলেন তখন উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করলাম উপাচার্য সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করতে চেয়েছেন। উপাচার্য উন্মাদ হয়ে গেছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই হুমকি ধামকি দিয়ে আপনারা কারও কণ্ঠ রোধ করতে পারবেন না।’

আরও পড়ুন: ৬ দাবি আদায়ে আন্দোলনে জাবি শিক্ষার্থীরা

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘ছাত্রছাত্রীদের কাজ চোর ধরে বেড়ানো না। তেমনি শিক্ষকদের কাজ চুরিতে সহযোগিতা করা না। শুরু থেকে এই মাস্টারপ্ল্যান নামক জিনিসটা নিয়ে যে লুকোচুরি চলছে এবং নানা পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাধারণের মতকে উপেক্ষা করে অস্বচ্ছ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুল পরিমান টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং খরচ করার পায়তারা করছে।’

প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন করে ছাত্র শৃঙ্খলা বিধি যুক্ত করা হয়েছে অভিযোগ করে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা বলেন,‘আমরা উন্নয়নের বিরুদ্ধে নয়। আমরা উন্নয়ন চাই তবে সেটা হোক পরিকল্পিত উন্নয়ন। কিন্তু আমরা দেখছি তড়িঘড়ি করে উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে যেয়ে লুটপাট শুরু করে দেওয়া হয়েছে।’

সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সদস্য রাকিবুল রনি, বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার ও সংরক্ষণ পরিষদের জাবি শাখার সমন্বয়ক আবু সাইদ প্রমুখ।

বেরোবির জনসংযোগ দফতরের সহকারী প্রশাসক সারোয়ার

বেরোবির জনসংযোগ দফতরের সহকারী প্রশাসক সারোয়ার
মো. সারোয়ার আহমাদ, ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের নতুন সহকারী প্রশাসক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. সারোয়ার আহমাদ। রোরবার (২৫ আগস্ট) তাকে ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566730144779.jpg

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। তার এই নিয়োগ আদেশ ২৫ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র