Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

জবির টিচার্স ক্যাফে বন্ধে ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

জবির টিচার্স ক্যাফে বন্ধে ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় জবির টিচার্স ক্যাফে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
জবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ আছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত টির্চাস ক্যাফে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিংয়ের নিচে ২০১৫ সালে ‘রেভেনাস প্লাস’ এর পরিচালনায় গড়ে ওঠে টিচার্স ক্যাফেটি। পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহে ব্যার্থতা এবং খাবারের মান ভালো না হওয়ায় ২০১৭ সালের শেষের দিকে এটি বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামের পেছনে এবং শিক্ষক লাউঞ্জের সামনের টিচার্স ক্যাফেটি অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। ক্যাফে ঘিরে নেই আগের মতো শিক্ষক শিক্ষার্থীদের তেমন আনাগোনা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত রেভেনাসের অন্য ক্যাফেটিও চলছে কোনো রকমভাবে।

টিচার্স ক্যাফেটি কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়ছে জানতে চাইলে ক্যাফের পরিচালক হিমু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘পূর্বে আমরা সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য খাবার সরবরাহ করতাম। শিক্ষক সমিতি কর্তৃক বলে দেওয়া হয় শুধু শিক্ষকদের জন্য খাবার সরবরাহ করতে। কিন্তু শিক্ষকদের খাবার সরবাহ করলে আমাদের ব্যবসায় লাভ হয় না। তাই নতুন ভবনের ক্যান্টিনটি বন্ধ করে দিয়েছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563437751899.jpg

এ বিষয়ে না প্রকাশে অনিচ্ছুক গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষক বলেন, ‘খাবারের মান ততটা ভালো না হলেও দুপুরের খাবার আমরা ক্যাফেতেই খেতাম। বর্তমান ক্যান্টিনটি বন্ধ থাকায় আমাদের একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে শিক্ষকদের আলাদা ক্যাফের বিষয়ে শিক্ষক সমিতির নজর দেওয়া উচিত।’

এ বিষয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আল আমিন ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আমরা ক্ষুধা লাগলে ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে ক্যাফেটিতে গিয়ে খাবার খেয়ে আসতে পারতাম । কিন্তু ক্যাফেটি বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি ড. নূর মোহাম্মদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ক্যাফের আশে পাশের পরিবেশ অতটা ভালো নয়। এর পাশেই থাকা টয়লেট থেকে দুর্গন্ধ আসে। এছাড়া স্থানটি ঘিরে হৈ-হুল্লোড় লেগেই থাকতো এবং শিক্ষকদের আসা যাওয়ার পথে বিঘ্ন ঘটতো। তাই ক্যাফেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে দ্রুত অন্যত্র একটি টিচার্স ক্যাফে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষক সমিতির।’

আপনার মতামত লিখুন :

বেরোবির জনসংযোগ দফতরের সহকারী প্রশাসক সারোয়ার

বেরোবির জনসংযোগ দফতরের সহকারী প্রশাসক সারোয়ার
মো. সারোয়ার আহমাদ, ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের নতুন সহকারী প্রশাসক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. সারোয়ার আহমাদ। রোরবার (২৫ আগস্ট) তাকে ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566730144779.jpg

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মুস্তাফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। তার এই নিয়োগ আদেশ ২৫ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

ঢাবি শিক্ষক রুশাদ ফরিদির ছুটি বাতিল করল হাইকোর্ট

ঢাবি শিক্ষক রুশাদ ফরিদির ছুটি বাতিল করল হাইকোর্ট
কোটা আন্দোলনে ছাত্রদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করা শিক্ষক রুশাদ ফরিদি, ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রুশাদ ফরিদি’র বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের দেওয়া ছুটির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এক সঙ্গে রুশাদ ফরিদিকে কাজে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৫ আগস্ট) হাইকোর্টের এ ঘোষণা আসার পর ঢাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে।

এই বিষয়ে কোটা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, 'অন্যায়ের বিরুদ্ধে, শিক্ষার্থীদের পক্ষে যে মানুষটি পাশে দাঁড়ান, তিনি আমাদের রুশাদ ফরিদি স্যার। অন্যায়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দলীয় প্রশাসন এবং বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট স্যারকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে রাখে।অবশেষে হাইকোর্ট ঢাবি প্রশাসনের অন্যায়মূলক আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। যা সত্যের জয়।'

আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, 'রুশাদ ফরিদি স্যারের বড় অপরাধ তিনি শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলেন। ন্যায্যতার প্রশ্নে আপস করেন না। এটা স্বার্থান্বেষী দলীয় প্রশাসন সহ্য করতে পারেনি।'

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে এ তথ্য জানা যায়। তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, 'ড. রুশাদ ফরিদির বিরুদ্ধে ঢাবি সিন্ডিকেটের দেওয়া জবরদস্তিমূলক ছুটির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। রুশাদ ফরিদিকে কাজে যোগদান করতে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।'

জানা যায়, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে তিনি মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে ছুটিতে থাকতে বাধ্য করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র