ইবির আবাসিক হলে পুলিশি তল্লাশি!

ইবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
হলগুলোতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান চলছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

হলগুলোতে পুলিশের তল্লাশি অভিযান চলছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, লালন শাহ্ হল ও সাদ্দাম হোসেন হলে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে এ তল্লাশি চালায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566835077739.JPG

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম আজাদ রহমান এ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় স্ব স্ব হলের প্রাধ্যক্ষ, আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তল্লাশির সময় হলের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর আবাসিকতা পরীক্ষা করা হয়। একইসাথে হলের কোথাও কোনো অবৈধ অস্ত্র বা লাঠিসোটা আছে কিনা তা তল্লাশি করা হয়। এ সময় হলের বেশ কয়েকটি কক্ষ থেকে রান্না করার হিটার জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশনায় ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে হলে তল্লাশি চালানো হয়েছে।’

কুষ্টিয়া জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম আজাদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বানে শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আমরা এ তল্লাশি পরিচালনা করেছি। এতে আমরা অবাঞ্ছিত কোনো কিছু পাইনি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/26/1566835128451.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বিভিন্ন হলে তল্লাশি চালিয়েছি। তবে দুই ঘণ্টার তল্লাশিতে হল থেকে কোনো অস্ত্র বা বহিরাগত পাওয়া যায়নি।’

প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দলীয় এক কর্মীকে মারধরের ঘটনায় গতকাল রোববার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ এবং বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি, ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ করে উভয় গ্রুপের কর্মীরা। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ১০ জন কর্মী আহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :